x 
Empty Product
আলোচিত খবর

আলোচিত খবর (25)

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, লিচু গাছে আম ধরেছে !!
কোন এডিট বা গ্রাফ্টিং নয়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের সিংগিয়া কলোনিপাড়ায় আব্দুর রহমান নামের এক ব্যক্তির লিচু গাছে সত্যি সত্যি এইরকম ঘটনা ঘটেছে।
নিউজ টি দৈনিক জনকন্ঠ, বাংলাদেশ প্রতিদিন সহ বিভিন্ন পত্রিকায় এসেছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে লিচু গাছে আম ধরার খবর পাওয়া গেছে। সদর উপজেলার ছোটবালিয়া সিংগিয়া কোলনীপাড়া গ্রামের একটি লিচু গাছে একটি আম ধরেছে বলে রোববার গাছের মালিক ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন। গাছের মালিকের নাম আব্দুর রহমান।

জানা গেছে, আব্দুর রহমানের বাড়ির ওই লিচু গাছে ধরা লিচুগুলো এখনও ছোট ছোট। লিচুর একটি গোছায় লিচুর সঙ্গে একটি আম প্রথমে দেখতে পান গাছের মালিকের নাতি হৃদয়। বিষয়টি তার দাদাকে জানান হৃদয়। পরে এলাকার লোকজন বিষয়টি জানতে পারায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এলাকার লোকজন ঘটনাটি দেখার জন্য সেখানে ভীড় জমান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের বিভিন্ন এলাকার লোকজনও এ ঘটনা এক নজর দেখার জন্য সেখানে যাচ্ছেন।

 

আব্দুর রহমান বলেন, নাতির কাছে শুনে অবাক হয়েছি যে লিচু কাছে আম কেমনে ধরে? পরে নিজের চোখে দেখার পরে বিশ্বাস হয়।

এ বিষয়ে বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরে আলম মুক্তি বলেন, ঘটনাটি অলৌকিক। এ জাতীয় ঘটনা এর আগে চোখে পড়েনি।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণ রায় বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। প্রকৃত ঘটনা জানার চেষ্টা চলছে।


এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://samakal.com
Wednesday, 27 January 2021 17:23

বারি-১৪ আম

Written by

রাজশাহীর আম বলে কথা, সুখ্যাতি তার জগৎ জুড়েই। ছোট-বড় কার না পছন্দ আম? এক কথায় বলতে গেলে সবারই।

টসটসে রসে ভরা মিষ্টি আম! বাহারি নাম আর স্বাদের আম। প্রায় আড়াইশ’ জাতের আম উৎপাদন হয় এ অঞ্চলে। আর বাংলাদেশে যতগুলো আম উৎপাদিত হয় তার বেশিরভাগই এই অঞ্চলের। বলা হয়ে থাকে এখানকার মাটির গঠন এবং আবহাওয়া আম চাষের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট। পৌষ মাসের শেষে অর্থাৎ মাঘ মাসের শুরুতে শীতোষ্ণ আবহাওয়ায় প্রতিবছর আমের মুকুল আসে রাজশাহীতে। এরপর পরই আসে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। গাছে গাছে আমের স্বার্ণালি মুকুলের শোভা ছাড়ানো দৃশ্য যেন শ্রেষ্ঠ প্রাকৃতিক দৃশ্যে রূপ নেয়।

আর এবার আমের রকমারি জাতের এই বহর আরও সমৃদ্ধ হতে চলেছে। কারণ একটি রঙ্গিন আম জাতীয় বীজ বোর্ড থেকে নিবন্ধন পেয়েছে। এই রঙ্গিন আমটির নামকরণ করা হয়েছে ‘বারি আম-১৪’। তবে রঙ্গিন আম এর আগেও নিবন্ধন পেয়েছে। নতুন নিবন্ধন পাওয়া জাতটি এসেছে সৌদি আরব থেকে।

রাজশাহী ফল গবেষণাকেন্দ্র নতুন এই আমের জাতটি নিয়ে দীর্ঘসময় গবেষণা চালিয়ে আসছিল। সম্প্রতি আমটি নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। অবশেষে নিবন্ধন পেলো উদ্ভাবিত নতুন রঙ্গিন আম ‘বারি-১৪’।

সৌদি আরব গিয়েছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফল গবেষণাকেন্দ্রের প্রাক্তন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা গোলাম মর্তুজা। সেখানে তিনি আম নিয়েই গবেষণার কাজ করতেন। ‘টমিএটকিনস’ জাতের আম গাছের সায়ন (ডাল) সংগ্রহ করে ২০১০ সালে তিনি তা দেশে আনেন। ওই সময় তিনি এটি রাজশাহী ফল গবেষণাকেন্দ্রে দেন। এরপর ১০টি গাছে তার কলম তৈরির পর গবেষণা চলতে থাকে।

এরপর দেখা যায়, প্রতি বছরের জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে এই রঙ্গিন আমটি পাকে। আমটি পাকার আগে গাঢ় মেরুন আভা ধারণ করে। আমের গড় ওজন হয় প্রায় ৫৫০ গ্রাম। আঁটি বাদে এই আমের ৭৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ  খাওয়ার উপযোগী। আমের গড় মিষ্টতা (টিএসএস) ২২ দশমিক ৮৩ শতাংশ। আমটি লম্বায় ১০ দশমিক ৮৩ সেন্টিমিটার ও প্রস্থ ৮ দশমিক ৪৯ সেন্টিমিটার। খোসা পাতলা ও মাংসল। নিবন্ধন পাওয়া জাতটির ধরণ ‘ইনব্রিড’। গবেষণায় সফলতা আসার পর এর নাম দেওয়া হয় ‘বারি-১৪’। এরপর নিবন্ধনের জন্য জাতীয় বীজ বোর্ডে আবেদন করা হয়।

রাজশাহী ফল গবেষণাকেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আলীম উদ্দীন জানান, গবেষণা পর্যায়ে প্রথমে ১০টি গাছে কলম করা হয়েছিল। তবে এর মধ্যে ৯টি গাছই মরে যায়। পরম যত্নে কেবল একটি গাছকে বাঁচিয়ে রাখা যায়। সেখান থেকে এখন আরও চারটি মাতৃগাছ তৈরি করা হয়েছে। গত ১০ বছর ধরে গবেষণা করা হয়েছে। তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। আর প্রায় প্রতিবছরই গাছ থেকে রঙ্গিন সুমিষ্টজাতের এই আম পাওয়া গেছে।

মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আলীম উদ্দীন বলেন, এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে ফলের জগতে আরও একটি নতুন জাতের ফল সংযোজন হলো। এটি হচ্ছে, রঙ্গিন আমের জাত ‘বারি আম-১৪’। এছাড়াও আরও একটি নতুন ফলও নিবন্ধন পেয়েছে। তার নাম ফলসা। এটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘বারি ফলসা-১’। আর এই দুটি ফলই অনুমোদন পেয়েছে।

এই উদ্ভাবন ও স্বীকৃতি রাজশাহী ফল গবেষণাকেন্দ্রে তাদের দীর্ঘদিনের গবেষণার ফসল। যা গবেষণার গতিকে আরও ত্বরান্বিত করবে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর এই বছরে এমন অর্জন তাদের কাছে অত্যন্ত আনন্দের। এই নিয়ে রাজশাহী ফল গবেষণাকেন্দ্র থেকে মোট নয়টি ফলের জাত উদ্ভাবিত হলো বলেও উল্লেখ করেন ড. আলিম উদ্দিন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ফলসাটি ছিল রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রেই। এটি অপ্রচলিত দেশী ফল। রাজশাহী ফল গবেষণাকেন্দ্রে প্রায় ২০ বছর বয়সী একটি ফলসা ফলের গাছ আছে। আকারে ছোট টক-মিষ্টি স্বাদের এই ফলটি শিশুরা খুবই পছন্দ করে। ফলটি ভিটামিন আর মিনারেলে ভরপুর।

গত ১০ বছর ধরে নতুন আমের সঙ্গে এই ফলটিরও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়। তারপরই নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা হয়। নিবন্ধন পাওয়া ফলসাও ‘ইনব্রিড’।

প্রতিবছরের মে-জুন মাসে ফলসা ফলটি গাছে পেকে খাবার জন্য উপযোগী হয়ে ওঠে। তখন এর রঙ হয়ে ওঠে কাল বা বেগুনি। ফল হয় পাঁচ থেকে ১২ মিলিমিটার ব্যাসবিশিষ্ট। নতুন এই ফলসা এবং রঙ্গিন আম সারাদেশে চাষ করা সম্ভব। গত ৩১ ডিসেম্বর কৃষি মন্ত্রণালয়ের বীজ অনুবিভাগের মহাপরিচালক ও জাতীয় বীজ বোর্ডের সচিব নতুন এই আম ও ফলসার নিবন্ধন দেন। ১৭ জানুয়ারি রাজশাহী ফল গবেষণাকেন্দ্রে এগুলোর নিবন্ধনপত্র আসে।

ড. আলীম উদ্দীন আরও জানান, আম ও ফলসার নিবন্ধন পাওয়ায় তারা এখন আরও বেশি বেশি চারা উৎপাদন করবেন। এরপর সরকারি নার্সারিগুলোতে দেবেন। তবে রঙ্গিন আমের চারা এখন চাষিপর্যায়ে খুব বেশি দেওয়া সম্ভব না হলেও আগ্রহীদের অন্তত একটি করে তারা দেবেন।
এছাড়া ব্যক্তিমালিকানাধীন নার্সারিগুলোতেও দু’-একটি করে নতুন ফল দুইটির চারা দেওয়া হবে। এর মধ্যে দিয়েই জাত দুইটি এক সময় সারাদেশে ছড়িয়ে পড়বে বলেও প্রত্যাশা ও ফল দুইটির অপার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন রাজশাহীর এই ফল বিজ্ঞানী।

 

নিউজটি আমাদের নিজস্ব না। এটির সকল কৃতিত্ব ও স্বত্ত শুধুমাত্র  https://www.banglanews24.com

Sunday, 10 January 2021 08:15

আমের তেল mango Oil

Written by

আম সুস্বাদু ফল। সবার প্রিয় এ ফলের বীজও কিন্তু স্বাস্থ্যকর। এর বীজ থেকে একধরনের তেল হয়। বাড়িতেই সহজে এ তেল তৈরি করা যায়।

হালকা হলুদ বর্ণের এই তেলকে আমের মাখন বা আমের শাঁসযুক্ত ফ্যাটও বলা হয়। শিশুর ক্রিম, সান কেয়ার লোশন কিংবা ময়শ্চারাইজিং ক্রিম তৈরিতে এ তেল ব্যবহৃত হয়। তেলটি শরীরের জন্য বেশ উপকারী।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আমের বীজ তেল খুব উপকারী। এটি রোগীর দেহের চিনির স্তর নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। শরীরের শক্তি বজায় রাখতে কাজ করে। ডায়াবেটিস রোগীদের শরীরে গ্লুকোজ শোষণকেও ধীর করে দেয়।

উচ্চ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে

উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যায় ভুগছেন, তবে খাদ্যতালিকায় এই তেলটি অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। আমের বীজের তেল এ ধরনের রোগীদের জন্য খুব কার্যকর। এটি খেলে শরীরে রক্তপ্রবাহ দ্রুত হয়, যা কোলেস্টেরল কমাতে খুব সহায়ক।

ওজন নিয়ন্ত্রণে

যারা ওজন কমাতে চাচ্ছেন, তাদের জন্য এ তেলের পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদরা। গবেষণায় দেখা যায়, আম বা আমের বীজ ওজন নিয়ন্ত্রণে বিশেষভাবে কার্যকর। এটি রক্ত সঞ্চালনের পাশাপাশি শরীরে বিপাকের হার বাড়ানোর জন্য কাজ করে।

ত্বকের উজ্জ্বলতা

আমের বীজের তেল ত্বকের জন্যও খুব ভালো। এ তেল নিয়মিত ব্যবহার ত্বকে ব্রণ সমস্যা থেকে রেহাই দেবে। এটি ফেসপ্যাকে ব্যবহার করা যেতে পারে, যা ত্বককে আরো উজ্জ্বল রাখতেও সহায়তা করে।

 

নিউজটি আমাদের নিজস্ব না। আমের এই বিশেষ খবরটি সবার কাছে সহজলোভ্য করার জন্য নিউজিট এখানে প্রকাশ করা হয়েছে। নি্‌উজিটর সকল কৃতিত্ব ও স্বত্ত শুধুমাত্র https://www.dailyjagaran.com/health/news/51382

ঢাকা শহরের শ্যামলী পার্কে কেয়া, রাধাচূড়া, ঝাউগাছের সঙ্গে দেখা গেল চার-পাঁচ ফুট উচ্চতার একটি আমগাছ। একটু খেয়াল করে দেখা গেল, আমগাছটিতে মুকুল ও গুটি এসেছে। কৌতূহলী হয়ে কিছু ছবি তোলা এবং ভিডিও করা হলো। এ নিয়ে ফোনে যোগাযোগ হলো আম গবেষক মাহবুব সিদ্দিকীর সঙ্গে। তিনি জানালেন, দেশে বেশ কয়েক জাতের বারোমাসি আমের সঙ্গে আছে একটি বিদেশি জাতের বারোমাসি আম। বিদেশি আমটি থাইল্যান্ডের কাটিমন। এই জাতটি দেশে নতুন। পরিপক্ব এই আমে তেমন কোনো আঁশ নেই। তা থেকেই কৌতূহল জন্মাল আমগাছটি নিয়ে।

এই আমগাছ, মুকুল ও গুটির ছবি দেখে রাজধানীর আসাদগেট হর্টিকালচার সেন্টারের উদ্যানতত্ত্ববিদ সাবিহা আফরোজ বললেন, এটি থাই জাতের কাটিমন আম। কাটিমন বারোমাসি আম। এই আমের চারা আসাদগেট হর্টিকালচার উদ্যানে থাকলেও বর্তমানে সব বিক্রি হয়ে গেছে।

কাটিমন আম নিয়ে খোঁজখবর শুরু করতে গুগল এনে দিল একটি লেখা। লিখেছেন মেহেরপুর জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক। সেই লেখার সূত্রে জানা গেল চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের নার্সারি ব্যবসায়ী আবুল কাসেমের কথা। লেখাটি থেকে জানা যায়, কাটিমন নামের এই আম বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ে আবুল কাসেমের নার্সারি থেকে। আবুল কাসেমের ব্যবসায়ী বন্ধু নুরুল ইসলাম থাইল্যান্ড থেকে চারা এনে তাঁকে দিয়েছিলেন ২০১০ সালের দিকে। নার্সারির মালিক আবুল কাসেম সেই চারা বড় করেন বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে। এরপর এটি ছড়িয়ে পড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

জীবননগরের নার্সারি ব্যবসায়ী আবুল কাসেমের সঙ্গে যোগাযোগ হলো ফোনে। তিনি বললেন, থাইল্যান্ডের এই আম ফলে বছরে তিনবার। এরই মধ্যে আশ্বিন-কার্তিক মাসে শেষ হয়েছে কাটিমন আম পাকার তিন পর্বের একটি পর্ব। আম উঠে যাওয়ার পর প্রতিবার গাছের ডাল ছেঁটে দেওয়া হয়। ডাল কেটে দেওয়ার পর কচি যে শাখা গজায়, সেই শাখায় আবার মুকুল আসে। কার্তিক মাসে কেটে দেওয়ার পর বর্তমানে কচি যে ডাল গজিয়েছে আমগাছে, তাতে আবার মুকুল এসেছে। এই পর্বের আম উঠবে ফাল্গুন মাসে।

আবুল কাসেম আরও জানান, চারা লাগানোর তিন-চার মাস পরই গাছে মুকুল আসে। কিন্তু মুকুল ভেঙে দিতে হয়। এক থেকে দেড় বছর বয়স পর্যন্ত আম না ফলানো ভালো। এতে গাছটি সবল হয়ে উঠবে।

ফজলি, ল্যাংড়া, আশ্বিনা, নাকফজলি, রানীপছন্দ, গোপালভোগ, হিমসাগর প্রভৃতি জাতের আমের সঙ্গে থাইল্যান্ডের কাটিমন আম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এখন বেশ চাষ হচ্ছে বলেও জানালেন আবুল কাসেম।

 

নিউজটি আমাদের নিজস্ব না। এটির সকল কৃতিত্ব ও স্বত্ত শুধুমাত্র  https://www.prothomalo.com

আম বাচ্চাদের জন্য কি ভাল? এর উত্তর হল হ্যাঁ।এটি হল নানাবিধ পুষ্টিকর উপাদান, খনিজ এবং ভিটামিনে ভরপুর একটি শক্তিঘর।তার উপর আবার, এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের বৈশিষ্ট্যাবলী যা এটিকে গ্রীষ্মে খাওয়ার জন্য সেরা পছন্দ করে তুলেছে।এর আরও উপকারিতাগুলির ব্যাপারে একটি সূক্ষ্ম অন্তর্দৃষ্টি পেতে পাঠ করতে থাকুন।

1.দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে

বাচ্চারা একটি বিকাশের পর্যায়ে থাকার কারণে, যাতে তাদের দৃষ্টিশক্তিটিও বৃদ্ধি পায়, তার উপযোগী সেরকম ধরণের খাবার তাদের দেওয়া খুবই প্রয়োজন হয়ে ওঠে, আর তার জন্য রসালো আমের থেকে ভাল আর কি হতে পারে?খাবার ব্যাপারে বাচ্চাদের মধ্যে অনেক বাছবিচার থাকতে পারে এবং তারা শাক–সবজিগুলি খেতে না চাইতে পারে, কিন্তু তারা কখনই আম খাওয়ার ব্যাপারে না করবে না, যা ভিটামিন A সমৃদ্ধ একটি ফল।ভিটামিন A-এর এই উৎসটি এইভাবে রাতকানা প্রতিহত করতে, কর্নিয়াকে কোমল রাখতে এবং চোখের শুষ্কতাকে হ্রাস করতে সহায়তা করতে পারে।

2.স্মৃতিশক্তিকে তীক্ষ্ণ করে তোলে

আম গ্লুটামিন অ্যাসিডে সমৃদ্ধ যা একটি স্মৃতিবর্ধক হিসেবে কাজ করে।যখন আপনি আপনার বাচ্চার দৈনন্দিন খাদ্যের সাথে আম যোগ করবেন, আপনি নিশ্চিত থাকুন যে, তারা বেশ সক্রিয় থাকবে এবং তারা শিখন কৌশলটিকে দ্রুত রপ্ত করে স্মৃতিতে ধরে রাখতে পারবে।

3.ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়

সকল মা–বাবারাই চান যে তাদের সন্তানের ত্বক কোমল ও মসৃণ হোক।কিন্তু এর পিছনে থাকা গোপন ব্যাপারটি হল এর জন্য আপনার বাচ্চার ত্বককে হাইড্রেট রাখতে হবে।আম খাওয়ালে তা আপনার সন্তানের ত্বককে রাখে স্বাস্থ্যকর এবং উজ্জ্বল।ত্বকের উপর আমের শাঁস ব্যবহার করলে তা আবার অবরুদ্ধ লোমকূপগুলিকে মুক্ত করতেও সহায়তা করে।

4.রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করে

প্রকৃতপক্ষে এটি একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় যে, আম আয়রণ সমৃদ্ধ একটি ফল, আর আয়রণ হল একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় খনিজ যা লোহিত রক্ত কণিকা উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।সুতরাং, আপনার বাচ্চাকে আম পরিবেশন করলে তা তার মধ্যে অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা, যেখানে রক্তের উপযুক্ত সংখ্যক লোহিত রক্ত কণিকার ঘাটতি দেখা দেয়, তা হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করতে পারে।

5.স্বাস্থ্যকর ওজন বৃদ্ধি করে

স্বাস্থ্যকর ওজন বৃদ্ধি করে স্বাস্থ্যকর ওজন লাভ করার জন্য বাচ্চাদের প্রয়োজন সঠিক পরিমাণে পুষ্টি এবং ভিটামিন গ্রহণ করা।আপনার বাচ্চা যদি ঠিকমত ওজন লাভ না করে, আপনি তার ডায়েটে আম যোগ করতে পারেন।আপনি আবার তাকে নিয়মিত ম্যাঙ্গো শেকও দিতে পারেন, এর স্বাদ বেশ ভাল এবং তাছাড়াও এটি আবার বাচ্চাদের শক্তিশালী এবং স্বাস্থ্যকর করে তুলতেও সহায়তা করে।

6.হজমশক্তি উন্নত করে

আমগুলি হজমকারী উৎসেচকগুলির একটি সমৃদ্ধ উৎস হিসেবে পরিচিত, যা প্রোটিন ভাঙনে সহায়তা করে।এই উন্নত প্রক্রিয়াটি আবার বাচ্চাদের আরও ভাল হজমশক্তি গড়ে তোলার দিকে পরিচালিত করে।তাছাড়াও একটি অতিরিক্ত সুবিধা হিসেবে, আম শিশুদের মধ্যে সাধারণত অ্যাসিডিটি বা অম্লতা অথবা অন্যান্য হজম জনিত সমস্যাগুলি হওয়াকে ব্যাহত করে।

7.ক্যান্সারের ঝুঁকি দূর করে

আমগুলি প্যাকটিন সমৃদ্ধ, যা হল একটি খাদ্যগত তন্তু।আর এটি গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টের সাথে জড়িত ক্যান্সার বিকাশের সম্ভাবনাকে হ্রাস করে।আর সেই কারণেই আপনার সন্তানের নিয়মিত খাদ্য তালিকার সাথে আমকে অন্তর্ভূক্ত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি তাদের ক্যান্সারের মত গুরুতর ব্যাধির থেকে দূরে রাখবে।

8.অনাক্রম্যতাকে বাড়িয়ে তোলে

আমগুলি হল ভিটামিন A এবং ভিটামিন C এর একটি সমৃদ্ধ উৎস।তাছাড়াও, আম বিভিন্ন ধরণের ক্যারোটিনয়েডের একটি ভাল উৎস যা একটি স্বাস্থ্যকর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যগুলি জীবাণুর আক্রমণগুলিকে প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে, তার ফলে স্ব্যংক্রিয়ভাবে ধীরে ধীরে অনাক্রম্যতা বৃদ্ধি করে।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট:

https://banglaparenting.firstcry.com

প্রাকৃতিক পরিবেশে আম পাঁকাতে আটছুটির বিকল্প নেই। গ্রামঞ্চালে মানুষের কাছে এটি কেউ আট ছট্টি বা আটছুটি বলে। একটি গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। তবে সর্বত্র এ গাছ দেখা যায়। বিশেষ করে ঝোঁপঝাড়ে বাগানে বেশি দেখা যায়।

 

বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ এই দুইমাস মধু মাস। কারণ এসয় হরেক রকমের পাঁকা ও কাঁচা ফল পাওয়া যায়। এসব ফলের মধ্যে রয়েছে মিষ্টি মধুর ফল আম।

 

আগের দিনে গ্রামের মানুষ পলিথিনি মুড়িয়ে, মাটিতে পুঁতে, বদ্ধ ঘরে ধোয়া দিয়ে ফল পাকানোর পর পরিবারের জন্য এবং বাজারে বিক্রয় করত। বর্তমানে অস্বাধু ব্যক্তিরা অর্থ উপার্জনের আশায় রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে আমসহ বিভিন্ন ফল পাকায়।

 

কিন্তু প্রকৃতিকভাবে আম সহ বিভিন্ন ফল পাকাতে আটছুটির বিকল্প নেই। আটছুটি পাতায় খুব সহজে আম পাকে। মাটিতে কাগজ বা খড় (ধানের শুকনো গাছ) বিছিয়ে দিয়ে ততে আম বিছিয়ে দিয়ে হালকা আটছুটি পাতা বা ডাল ছড়িয়ে দিলে দুএক দিনে আম পেকে যাবে। শুধু তাই নয় পাশাপাশি আমগুলোর রং আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। এই পদ্ধতি সম্পূর্ণ প্রকৃতিক হওয়ায় মানব দেহের উপর প্রভাব পড়ার সংঙ্কা নেই। গ্রামীণ এই সহজ পদ্ধতি দীর্ঘ দিন ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে। শুধু আম নয় কলা, কাঁঠাল পাকাতে আটছুটি বিশেষ কার্যকরী। তবে আম পাকাতে আটছুটি যত সহজে কাজ করে, কাঁঠাল বা কলার ক্ষেত্রে একটু সময় বেশি লাগে।

 

গ্রামের রাস্তার পাশে কিংবা বাগানে আটছুটি জন্ম নেওয়ায় বাড়তি অর্থ খরচ হয় না। সহজে গাছগুলো কেটে আম পাকাতে ব্যবহার করা যায়। আটছুটি আম পাকানোর পাশাপাশি দাতন (ব্রাশ) হিসাবে ব্যবহার করা হয়। আটছুটির কান্ড ও ডাল শক্ত হওয়ায় ভালোভাবে ব্রাশের প্রয়োজন মেটায়। আটছুটির ফল শিশুদের খেলার উপকরণ হিসাবেও ব্যবহার হয়। এছাড়া আধছুটি গাছের পাতার রস, লিভারের সমস্যা, কাশি ও বাত ব্যাথার উপশম করে। আধছুটি পাতার রস রক্তশূন্যতা ও জন্ডিস প্রতিরোধে কাজ করে।

 

সাধারণত আটছুটি মূল, চারা ও বীজ থেকে জন্মায়। আটছুটি গাছ ৩/৪ ফুট পর্যন্ত উচু হতে পারে। এ গাছের কান্ডের রং ধূসর। এর পাতার রং সবুজ। পাতা পাতলা, মসৃণ। আটছুটির ফুল হালকা মিষ্টি গন্ধ যুক্ত, ফল সবুজ রঙের। তবে ফল পাকলে গোলাপি রং ধারণ করে। ফল মটর দানার চেয়ে সামান্য বড়। প্রতি থোকায় ২০-৫০ পর্যন্ত ফল থাকে।

 

মুক্তকোষ উইকিপিডিয়ার তথ্য মতে, আটছুটি এর অপর নাম আশশেওড়া। একটি গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। এর ইংরেজি নাম orange berry Ges gin berry, বৈজ্ঞানিক নাম এ Glycosmis pentaphylla।

 

আশশেওড়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে< আশশেওড়া (ইংরেজি: orangeberry এবং gin berry, বৈজ্ঞানিক নাম: Glycosmis pentaphylla) একটি গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্র এদের দেখা যায়। এরা যেকোনো পরিবেশে সহজে অভিযোজিত হতে পারে সহজেই।

প্রাপ্তিস্থান

রাস্তার দুই ধার, জমির আইল, বাড়ির পেছনে, পুরনো দালানের ইটের খাঁজে, পুকুর পাড়ে, নদীর ধারে, ঘন ঝোপের আড়ালে; সর্বোপরি প্রায় সকল জায়গাতেই জন্মাতে ও বেড়ে উঠতে পারে এরা।

 

দৈহিক গঠন

আশশেওড়া ৩-৪ ফুট উঁচু হতে পারে। কিছু কিছু গাছ ৬ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। কাণ্ডের রং ধূসর। কাণ্ড বেশ শক্ত। কাণ্ডের ১.৫-২ ফুট পর্যন্ত কোনো ডালপালা হয় না বললেই চলে। কাণ্ডের বেড় ১.৫-২.৫ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়। আশশেওড়া মূল, চারা বীজ থেকে জন্মায়। পাতার রং সবুজ। পাতা একপক্ষল, উপবৃত্তাকার। পাতার দৈঘ্য ৩-৪ ইঞ্চি। মাঝ বরাবর প্রস্থ ২-২.৫ ইঞ্চি। পাতা পাতলা, মসৃণ।

 

ফুল

ফুল খুব ছোট, সবুজাভাব সাদা রঙের। মঞ্জরি বহুপুষ্কপক। ফুলের ব্যাস ৫-৭ মিলিমিটার। প্রতি ফুলে ৫ টা করে পাঁপড়ি থাকে। ফুল হালকা মিষ্টি গণ্ধ যুক্ত, ফল সবুজ রঙের। তবে ফল পাকলে গোলাপি রং ধারণ করে। ফল মটর দানার চেয়ে সামান্য বড়। প্রতি থোকায় ২০-৫০ পর্যন্ত ফল থাকে।

 

বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Plantae
(শ্রেণীবিহীন): Angiosperms
(শ্রেণীবিহীন): Eudicots
(শ্রেণীবিহীন): Rosids
বর্গ: Sapindales
পরিবার: Rutaceae
উপপরিবার: Aurantioideae
গোত্র: Clauseneae
গণ: Glycosmis
প্রজাতি: G. pentaphylla
দ্বিপদী নাম
Glycosmis pentaphylla
(Retz.) DC.[১]
প্রতিশব্দ
  • Bursera nitida Fern.-Vill.
  • Chionotria monogyna Walp.
  • C. rigida Jack
  • Glycosmis arborea (Roxb.) DC.
  • G. arborea var. linearifoliolata V.Naray.
  • G. chylocarpa Wight & Arn.
  • G. madagascariensis Corrêa ex Risso
  • G. pentaphylla (Retz.) Corrêa
  • G. pentaphylla var. linearifoliolis Tanaka
  • G. quinquefolia Griff.
  • G. retzii M.Roem.
  • G. rigida (Jack) Merr.
  • Limonia arborea Roxb.
  • L. pentaphylla Retz.
  • Marignia nitida Turcz.
  • Murraya cerasiformis Blanco
  • Myxospermum chylocarpum (Wight & Arn.) M.Roem.
  • Sclerostylis macrophylla Blume

 

সুত্র: https://barciknews.com/archives/9803

https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%93%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE

বাংলাদেশের মানুষ অতীতকালে আম পাকাতে এই গাছের পাতা ব্যবহার করতেন।

কিন্তু ফল পাকাতে ক্ষতিকারক ক্যালসিয়াম কার্বাইডের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় এই গাছের কদর নেই।

বরুণ ফুলের বৈজ্ঞানিক নাম- Crateva religiosa। বরুণ Crateva গণের একটি ফুল গাছের নাম। এটি Capparaceae পরিবারের একটি ফুল। অন্যান্য নাম- প্বৈন্যা, শ্বেতপুষ্প, কুমারক, সাধুবৃক্ষ, শ্বেতদ্রুম, মহাকপিথা, মারুতাপহ, Spider Tree, Temple Plant, Garlic Pear। প্রচলিত ভাষায় বৈন্যা।

সাধারণত একটু নিচু জায়গায় জন্মে বা বলা যেতে পারে জলাভূমিপ্রিয় একটি গাছ হলো বরুণ। বসন্তকালে সাদা ও হালকা হলুদ ফুলে গাছ ভর্তি থাকে। পাতা বড় একটা দেখা যায়না তখন। দূর থেকে দেখতে অনেকটা আমেরিকার Dog wood-এর মত। ফুলের সে রকম কোন গন্ধ নেই। বসন্তকালে পুষ্পাবৃত গাছ সবার দৃষ্টি আকর্ষন করে থাকে।

ভাটি অঞ্চলে ধানকাটার সময় টেপী বোরোর গরম গরম ভাতের সঙ্গে বরুণের কচি ডগা ভর্তা-ভাজি করে গৃহস্থ নারীরা কামলাদের খেতে দেন। চৈত্রসংক্রান্তির দিনে হাওরের নারীরা সংগ্রহ করেন বরুণ ফুল। আসছে বছরটি যাতে পরিবার ও গ্রামসমাজের জন্য মঙ্গলময় হয়, সে জন্য বরুণের ফুল গ্রামময় গেঁথে দেওয়া হয় গোবরের দলায়। হাওরাঞ্চলে এ পর্ব আড়িবিষুসংক্রান্তি নামে পরিচিত।

অতি প্রাচীন কাল থেকেই ভেষজ গাছ হিসেবে পরিচিত। অর্থব বেদে এর কথা উল্লেখ আছে। চরক ও সুশ্রুতে এর গুনগান করে অনেক কথা উল্লেখ করেছেন। এমনকি পাশ্চাত্যেও খ্রিষ্টপূর্ব এক শতাব্দীতে এক ভেষজ পন্ডিত Crataeva এর ছাল নিয়ে অনেক পরীক্ষা করেছেন।

‘মোদী আম’ নামে পরিচিত এ আম এখন ভারতের বাজারে হিট। মোদী আমের কারিগর পদ্মশ্রী উপাধীতে ভূষিত মুসলমান আমচাষী হাজি কালিমুল্লাহ।

 

জানা গিয়েছে, লক্ষ্ণৌ-এর প্রত্যন্ত এলাকার আম চাষী কালিমুল্লাহ তাঁর ফলানো আমের নাম রেখেছেন মোদীর নামে। তিনি একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী মোদীর ব্যক্তিত্বে তিনি মুগ্ধ। তাই তাঁর ফলানো আমের নাম তিনি তাঁর নামেই রেখেছেন।

 

এখানেই শেষ নয়। স্বাভাবিকভাবেই মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে কেমন হবে 'মোদী' আমের স্বাদ। এই প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, স্বাদ এবং ওজন-দুই দিক থেকেই ভারি হবে এই আম।

 

প্রসঙ্গত শীঘ্রই ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নামেও আরেকটি আমের নামকরণ করবেন বলে জানিয়েছে কালিমুল্লাহ। ‘মোদী’ ও ‘শাহ’ আম বাজারে কতখানি প্রভাব ফেলে এখন সেটাই দেখার বিষয়।

 

তাঁর বাগানে তিনশো ধরনের আম গাছ রয়েছে। আম চাষের জন্য তিনি পদ্মশ্রী পুরস্কারও পেয়েছেন ইতিপূর্বে। গাছের জোড় তৈরি করে মিশ্র জাতের আমের উৎপাদনে পারদর্শী কালিমুল্লাহ এর আগে ‘ঐশ্বর্য রাই’ ও ‘শচিন’ নামের দুটি আম বাজারে ছেড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তাঁর শংকর জাতের আমের নামের সঙ্গে বিশিষ্টজনদের নাম জুড়ে দিয়েছেন তিনি জাত চেনানোর জন্য।

 

সুত্র: https://www.ittefaq.com.bd

আনন্দের সাথে জানাচ্ছি - এবছরই চালু হচ্ছে দেশের ১ম আম হিমাগার। সোনামসজিদ কয়লাবাড়ি এলাকায় মিলন গ্রুপ এটা করছেন যার ধারন ক্ষমতা ৫০০০ টন। কাজ প্রায় শেষ তবে মেঝেতে সামান্য ঢালাইয়ের কাজ বাঁকি আছে যা কিছুদিনের মধ্যেই সম্পুর্ন হবে। পরিক্ষামুলকভাবে ৩দিন চালু ছিলো। রেজাল্ট ভালো। তুরস্করিয়ান একটি কম্পানি কাজটি সমাধা করছেন এবং খুব শিঘ্র শিবগন্জ এ ভাঙা ব্রিজের আশপাশ এলাকায় আরো একটি একই ধরনের স্পেশিয়ালাইজড মাল্টি কোল্ড স্টোর তৈরি হতে যাচ্ছে। মাইনাস ১০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় পরিকক্ক আধাপাকা আমগুলো ৮মাস সংরক্ষন করা যাবে- এমন টা দাবি তুরস্ক টিমের। গতকাল কানসাটম্যাংগো.কম থেকে মাহমুদুল হাসান ভাই এবং ফজলি.কম থেকে আমি স্টোরটি ভিজিটে গিয়েছিলাম। বেশকিছু আশাবান্ধব তথ্য নিয়ে হাসি মুখে ফিরে আসলাম।

Friday, 01 February 2019 07:26

জিআই পণ্য কি?

Written by

জিআই পণ্য আম হিসেবে নিবন্ধন পেয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম’।

কিন্তু জানেন কি #জিআই_পণ্য_কি?

জি আই (G.I) হলো জিওগ্রাফিক্যাল ইনডিকেশন (Geographical Indication) বা ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য। জি আই হলো একটি সাইন যেটা নির্দিষ্ট একটি পণ্যের জন্য ব্যবহার করা হয়, যা কোনো নির্দিষ্ট ভৌগলিক এলাকার পণ্যের পরিচিতি বহন করে। এতে পণ্যটি ঐ দেশের পণ্য হিসেবে খ্যাতি পায় এবং প্রতিযোগিতামলূক বিশ্ববাজারে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়।

কোনো দেশের নির্দিষ্ট কোনো একটি পণ্য যখন ঐতিহ্যবাহী হয় তখন এটিকে সেই দেশের জন্য বিশ্ব ঐতিহ্যে স্থান করে নিতে এর একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্ট্যান্ডার্ড প্যাটেন্ট দেওয়া হয়।এটিকে ব্যবসা-বাণিজ্যের ভাষায় আন্তর্জাতিকভাবে জিওগ্রাফিক্যাল ইনডেক্স (জিআই) বা ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য বলা হয়ে থাকে।

মেধাস্বত্ব- বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) এটি নিবন্ধন দেয় এবং GI পণ্য স্বীকৃতি দানকারী। বাংলাদেশের পক্ষে আবেদন করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি)।

কোনো একটি দেশের মাটি, পানি, আবহাওয়া এবং ওই জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে ওই দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অর্থাৎ সেই পণ্য শুধু ওই এলাকা ছাড়া অন্য কোথাও উৎপাদন করা সম্ভব নয়।

বাংলাদেশের এমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী পণ্য রয়েছে যেগুলো আগে কখনোই সঠিক উদ্যোগের অভাবে জিআই পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়নি।কিন্তু বর্তমান সরকার এ উদ্যোগটি গ্রহণ করেছে। জি আই পণ্যের জন্য বাংলাদেশ আবেদন করে ২০১৪ সালে। এরই অংশ হিসেবে প্রথম জিআই পণ্যের স্ট্যাটাসটি পেয়েছে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ও বিখ্যাত জামদানি শাড়ি। জামদানির পর বাংলাদেশের ইলিশ মাছ ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়। সবশেষে এই বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

বর্তমানে বাংলাদেশের জি আই পণ্য তিনটি।
১. জামদানি শাড়ি (২০১৬)
২. ইলিশ (২০১৭)
৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম (২০১৯)

#জিআই_নিবন্ধন_পেলে_সুবিধা:

জিআই পণ্য হিসেবে যেসব পণ্যের নিবন্ধন কোনো দেশ পাবেন তারা যেসকল সুবিধা পাবেন তাহলো:
১. সংশিষ্ট পণ্যের মালিক হবে সেই দেশ। ভৌগোলিক পরিচিতও পাবে সেই দেশ।
২. তারা সেই পণ্যের ব্যবসায়িক মুনাফার সম্পূর্ণ অংশের মালিক হবেন।
৩. আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এসব পণ্যের মালিকানা বা স্বত্ব আর কোনো দেশ দাবি করতে পারবে না।
৪. দেশের মধ্যেও অন্য কোনো এলাকার জনগোষ্ঠী এ পণ্যের মালিকানা পাবে না। অর্থাৎ চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম এর মালিক কেবল আমরাই......

অজ্ঞতার কারনে ভুল তথ্য প্রদান হয়ে খাকলে ক্ষমা চাচ্ছি..
মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ
ফাউন্ডার, Fozli.com
কানসাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

  •  Start 
  •  Prev 
  •  1 
  •  2 
  •  Next 
  •  End 
Page 1 of 2