Articles

চারাগাছের পরিচর্যা

User Rating:  / 0
PoorBest 

টবে আম গাছের যত্ন নেয়াটা খুবই জরুরি। কারন স্বাভাবিক পরিবেশে আম গাছ প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সংগ্রহ করে। কিন্তু টবে আম চাষ করলে তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান আলাদা ভাবে প্রয়োগ করতে হয়। এজন্য টবে আম গাছের যত্ন নেয়া খুব প্রয়োজন।

টবে আম চাষে সার প্রয়োগ:
একটি বাড়ন্ত গাছে বছরে দুইবার সার প্রয়োগ করা ভালো প্রথমবার জুন মাসে এবং দ্বিতীয় বার সেপ্টেম্বর মাসে।টবে আম গাছের যত্ন সঠিক ভাবে নিতে চাইলে গাছের মুকুল আসার সময় কমপক্ষে তিন মাস আগে থেকে কোন ধরনের নাইট্রোজেন জাতীয় সার ব্যবহার করা যাবে না। এই সময় যদি নাইট্রোজেন সার ব্যবহার করা হয় তবে গাছে মুকুল এর পরিবর্তে নতুন পাতা জন্মাবে।

টবের আমগাছে কোন ধরনের রাসায়নিক সার ব্যবহার না করে জৈব সার ব্যবহার করায় সবচাইতে ভালো এতে মাটির গুণাগুণ বজায় থাকবে কারণ একবার আম গাছ লাগিয়ে দেয়ার পর মাটি আর পরিবর্তন করা যায় না। জৈব সার হিসেবে পচা গোবর এবং সরিষার খই ব্যবহার করতে হবে। এই সার ব্যবহারের জন্য কমপক্ষে ২৪ ঘন্টা ভিজিয়ে তার পর মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে‌‌। টবে আম গাছের যত্ন সঠিকভাবে নিতে পারলে ভালো ফলাফল আশা করা যায়।

টবে আম চাষে পানি সেচ:
টবে আম গাছের যত্ন নিতে সেচ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। টবে আম চাষের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকের চেয়ে পানির চাহিদা বেশি থাকে এজন্য প্রায় প্রতিদিনই টবে আম গাছকে পানি সরবরাহ করতে হবে এছাড়া ফুল আসার পরই পানির অভাব যাতে না হয় এ জন্য তবে নীচের জল কান্দা ব্যবহার করতে হবে। সঠিকভাবে পানির অভাব পূরণ হলে গাছে ফল ঝরা বন্ধ হয় এবং ফলন বৃদ্ধি পায়।


আম গাছে ওষুধ প্রয়োগ:
আম গাছে পোকার আক্রমণ দেখা দিলে Ripcord অথবা Desis প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম করে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

গাছের বর্তমানে এক ধরনের সাদা তুলোর মতো পোকা দেখা যায় যা অনেকে ফাঙ্গাস বলে কিন্তু তা আসলে ফাঙ্গাস মানে আসলে এটা এক ধরনের পোকা যা গাছে লাগলে গাছ মারা যেতে পারে। এই পোকা দমনের একমাত্র এবং সহজ উপায় হলো যত বেশি পারা যায় গাছে পানি ছিটানো এবং গাছের পাতা ও কান্ডে প্রয়োজনে প্রতি ১ লিটার পানিতে ১ গ্ৰাম পরিমাণে ডেসিস ও এ‍্যাডসায়ার মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found