x 
Empty Product

বৈশাখে সাধারণত থাকে ঝড়বাদল। কিন্তু রাজশাহী অঞ্চলে এবার বৃষ্টির দেখা নেই। আকাশে মেঘেরও দেখা নেই। বৈশাখী খরতাপে পুড়ছে রাজশাহী। বৃষ্টি না হওয়ায় বাড়ছে কৃষকের বেরো ধান চাষের সেচ খরচ। খরতাপে শুকিয়ে যাচ্ছে রাজশাহীর গাছের আম আর লিচুর গুটি।

[৩] লিচুর গুটি বাঁচাতে পবা উপজেলার হরিপুর এলাকায় গাছের গোড়ায় বালতি বালতি পানি ঢালছিলেন মকসেদ আলী। তিনি বললেন, ‘এইবার লম্বা সময় বৃষ্টি নাই। এ রকম হলে চলে কী করে! সূর্যের তাপে মনে হচ্ছে গাছের পাতা কুকড়ে যাচ্ছে, লিচু টিকবে কী করে? তাই গাছের গোড়ায় পানি ঢালছি। যদি উপকার হয়!’

জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার চাপাল গ্রামের আমচাষি সাইফুল ইসলাম জানান, খরায় তাঁর আমের কড়ালি ঝরে পড়ছে। বৃষ্টি হলে আমগুলো রক্ষা পেত। সাইফুল বলেন, সকাল-বিকাল সাধ্যমতো গাছের গোড়ায় পানি দিচ্ছি। কিন্তু আবহাওয়া এত গরম যে ওপরের কড়ালির লাভ তেমন একটা হচ্ছে না। আমের জন্য এই মূহুর্তে একটা ভাল বৃষ্টি দরকার বলেও জানান এই চাষি।

[৫] রাজশাহী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রাজশাহী মহানগরীর পূর্ব দিকে পুঠিয়া, চারঘাট ও বাঘা উপজেলার কিছু অংশে গত ১১ এপ্রিল ৭ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এর আগে ৯ এপ্রিল সেদিকে দুই মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু রাজশাহী শহরেরই পশ্চিম প্রান্ত থেকে গোদাগাড়ী, তানোর এবং মোহনপুর, পবা, দুর্গাপুর এবং বাগমারায় বৃষ্টির খবর পাওয়া যায়নি। ফলে রাজশাহীতে তাপদাহ কমছে না।

[৬] রাজশাহীজুড়ে এখন কখনও চলছে মৃদু এবং কখনও মাঝারি তাপদাহ। দিনের তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ভেতর থাকলে তাকে মাঝারি তাপদাহ হিসেবে ধরা হয়। ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে বলে মৃদু তাপদাহ। আর ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে তীব্র তাপদাহ হিসেবে ধরা হয়।

[৭] রুক্ষ আবহাওয়ায় হঠাৎ এক বাতাসে গত ৪ এপ্রিল জেলার ২৮ হেক্টর জমির ধান হিটশকে নষ্ট হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কেজেএম আবদুল আউয়াল বলেন, তাপমাত্রা বেশি হওয়ায় এবং বাতাসে আর্দ্রতা না থাকায় বোরো ধানের শীষ মরে যাচ্ছে। একদিন শুধু লু হাওয়ায় পুড়েছে ২৮ হেক্টর জমির ধানের শীষ। তিনি বলেন, বাতাসে জলীয় বাষ্প কম থাকলে আমরা যে তাপমাত্রা রেকর্ড করি না কেন, এর চেয়ে অনেক বেশি তাপমাত্রা অনুভূত হবে। তখন মনে হয় লু-হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। এখন বাতাসে আদ্রতা কম, তাপমাত্রা বেশি।

[৮] রাজশাহীর এই তাপমাত্রা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবি মানুষ। সর্বাত্মক লকডাউনের ভেতরেও যারা নানা কাজের সন্ধানে রাস্তায় বের হচ্ছেন তাঁরা হাসফাস করছেন গরমে। শনিবার দুপুরে রাজশাহী নগর ভবনের সামনে রিকশা নিয়ে বসেছিলেন জুলমত আলী। তিনি বলেন, এত বেশি সূর্যের তাপ যে মনে হচ্ছে রাস্তার পিচ থেকে উত্তাপ উঠছে। রাস্তায় চলাচল করা কঠিন।

[৯] জুলমত বলেন, লকডাউনের জন্য মোড়ে মোড়ে পুলিশ রিকশা আটকাচ্ছে। তখন রোদের মধ্যেই দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। যতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছেন, ততক্ষণ গায়ে বাতাস লাগছে না। রোদে দাঁড়িয়ে থাকতেই লকডাউনে বের হওয়ার ‘শিক্ষা’ হয়ে যাচ্ছে।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.amadershomoy.com

ফলের রাজা আম। তাই তেমনই তার দাম! চলতি বছরে ঘূর্ণিঝ’ড় আম্ফান আম চাষে ব্যা’প’ক ক্ষ’তি ক’রেছে। ঝড়ে গিয়েছে আম। তাতে চাষীদের মাথায় হাত।

ক’রোনা আর আম্ফানের জোড়া থাবায় মানুষের নাজুক অ’ব’স্থা। মহরেকরকম আম মেলে ভারতবর্ষে। তবে বিশ্বের সব থেকে দামি আম কিন্তু ভারতবর্ষে পাওয়া যায় না। সেই আম এক কেজি কিনতে গিয়ে অনেক ধনী ব্যক্তিও ঢোঁক গিলেন। তাইও নো তামাগো। যার মানে Egg of the sun. এই প্রজাতির আম বিশ্বে সব থেকে দামি।

এটির চাষ হয় জাপানের মায়াজাকি অঞ্চলে। বিক্রি হয় অবশ্য গোটা জাপানজুড়ে। প্রতি বছর প্রথম ফলন করা আম নিলামে তোলা হয়। আর সেই আম বিক্রি আকাশছোঁয়া দামে। তবে এই আমের ফলন আর পাঁচটা প্রজাতির আমের মতো হয় না। অর্ডারের উপর নির্ভর ক’রে এই আমের ফলন।

এই প্রজাতির আম অর্ধেক লাল, অর্ধেক হলুদ। জাপানে এই প্রজাতির আমের ফলন হয় গরম ও শীতের মাঝে। আর সেই জন্যই এই আমের দাম এমন চড়া হয়। ২০১৭ সালে এই প্রজাতির দুটি আমের নিলামে দাম উঠেছিল ৩৬০০ ডলার। অর্থাৎ প্রায় দুই লাখ ৭২ হাজার টাকা। সেবার প্রতিটি আমের ওজন ছিল ৩৫০ গ্রাম।

অর্থাৎ মাত্র ৭০০ গ্রাম আমের দাম দুই লাখ ৭২ হাজার টাকা। আপনি হয়তো ভাবছেন কী এমন আছে যে এই আমের এমন অস্বাভা’বিক দাম! এই আমের চাষ করতে চাষীকে অনেক সা’বধা’নতা অবলম্বন করতে হয়। প্রতিটি আম গাছে থাকাকালীনই ছোট জালে জড়িয়ে রাখা হয়। তার পর আমগু'.লিকে নির্দিষ্ট পজিশনে রাখা হয়।

এতে ক’রে সূর্যের আলো আমের একটি নির্দিষ্ট অংশে পড়ে। তা ছাড়া আমগু'.লিকে গাছ থেকে মাটিতে পড়তে দেওয়া হয় না। তারও ব্য’ব’স্থা করা হয়। বিশেষ প'দ্ধতি অবলম্বন ক’রে আমের এক পাশে রুবি রে'ড রং ধ;রানো হয়। আর স্বাদের কথা বলাবাহুল্য। যেমন দাম তেমনই তার স্বাদ ও গ’ন্ধ।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://newsbulletin.info/archives/17477

Monday, 19 April 2021 17:58

লিচু গাছে আম !

Written by

লিচু গাছে আম। হ্যাঁ, এমনই এক অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটেছে ঠাকুরগাঁওয়ে। জেলার সদর উপজেলায় ছোটবালিয়া সিংগিয়া কোলনীপাড়া গ্রামের একটি লিচু গাছে আম ধরে আছে দেখা যায়। সেটি দেখতে ভিড় জমায় স্থানীয়রা।

রবিবার (১৮ এপ্রিল) গাছের মালিক আব্দুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিৎ করেন।

তিনি বলেন, ওই লিচু গাছে ধরা লিচুগুলো এখনও ছোট ছোট। লিচুর একটি গোছায় লিচুগুলোর সঙ্গে একটি আম ঝুলছিলো। সেটি দেখতে পাই আমার নাতি হৃদয়। বিষয়টি নাতির কাছ থেকে জানতে পেরে দেখতে গিয়ে দেখি সত্যি।

এ ঘটনায় এলকায় ব্যাপিক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকার লোকজন ঘটনাটি দেখতে সেখানে ভীড় জমান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের বিভিন্ন এলাকার লোকজনও এ ঘটনা এক নজর দেখার জন্য সেখানে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে বালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরে আলম ঘটনাটি অলৌকিক বলে মন্তব্য করেছেন।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণ রায় বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। প্রকৃত ঘটনা জানার চেষ্টা চলছে।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://prottashitoalo.com

ঠাকুরগাঁও জেলা সদরের বালিয়া ইউনিয়নের কলোনীপাড়ায় আব্দুর রহমানের বসতভিটায় ৫ বছর আগে রোপনকৃত লিচু গাছে এমন বিরল দৃশ্য দেখা গেছে। লিচু গাছে আম ধরেছে, এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়। অবাক করা কান্ড দেখতে ভিড়ও জমাচ্ছেন মানুষ

এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, লিচুর গাছে আমের ফল বিষয়টি অবাক করার মতো। আব্দুর রহমান লিচুর গাছে আম ধরেছে এমন কথা তিনি বললে কেউ বিশ্বাস করতেন না। সবাই মনে করতো হয়তো তিনি লিচু গাছে কলম করে আম গাছের চারা রোপন করেছে। কিন্তু তা নয়।

আব্দুর রহমানের কথা শুনে এলাকার কয়েকজন মানুষ বাড়িতে গিয়ে দেখেন লিচু গাছে লিচু ফলের সাথে আম ঝুলছে।

এ বিষয়ে গাছের মালিক আব্দুর রহমান জানান, ৫ বছর আগে বাড়িতে লিচু গাছের চারাটি রোপন করি। এবার লিচু গাছে আশানুরুপ মুকুল আসে। গাছ পরিচর্চা করতে গিয়ে চোখে পড়ে লিচুর সাথে একই ডালে একটি আমও ফলেছে। পরে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://silkcitynews.com

সবার আগে জেনে নিন কেমিক্যাল মুক্ত আমের বৈশিষ্ঠঃ

আম পছন্দ করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। বাজারে গেলেই এখন পাকা আমের গন্ধে মন উচাটন হয়ে ওঠে। হাজারও রকমের আম পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। নামে যেমন বাহার, খেতে তেমন সুস্বাদু।
ছোটবেলায় আম, মুড়ি, দুধ দিয়ে মেখে খাওয়ার স্মৃতি কমবেশি সবারই আছে। কিন্তু ছোটবেলার সেই সুস্বাদু আমে এখন প্রচুর কৃত্রিম ভেজাল পাওয়া যায়। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ফরমালিনসহ নানা রকম কেমিক্যাল ব্যবহার করে আমকে এখন আতঙ্কের ফল হিসেবেই পরিচিতি করে তুলছে। এসব কেমিক্যাল মানুষের জন্য শুধু ভয়...াবহই না মৃত্যুর আশঙ্কাও তৈরি করে।
তবে কেমিক্যাল মুক্ত আম কিনতে চাইলে নিচের টিপসগুলো মাথায় রাখতে পারেন:
১. প্রথমেই লক্ষ্য করুন, আমের গায়ে মাছি বসছে কি-না। এর কারণ, ফরমালিন যুক্ত আমে মাছি বসে না।
২. আম গাছে থাকা অবস্থায় বা গাছপাকা আম হলে লক্ষ্য করে দেখবেন যে আমের শরীরে এক রকম সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ফরমালিন বা অন্য রাসায়নিকে চুবানো আম হবে ঝকঝকে সুন্দর।
৩. কারবাইড বা অন্য কিছু দিয়ে পাকানো আমের শরীর হয় মোলায়েম ও দাগহীন। কেননা আমগুলো কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে ফেলে ওষুধ দিয়ে পাকানো হয়। গাছ পাকা আমের ত্বকে দাগ পড়বেই।
৪. গাছপাকা আমের ত্বকের রঙে ভিন্নতা থাকবে। গোঁড়ার দিকে গাঢ় রঙ হবে, সেটাই স্বাভাবিক। কারবাইড দেওয়া আমের আগাগোড়া হলদেটে হয়ে যায়, কখনো কখনো বেশি দেওয়া হলে সাদাটেও হয়ে যায়।
৫. হিমসাগর ছাড়াও আরও নানান জাতের আম আছে যা পাকলেও সবুজ থাকে, কিন্তু অত্যন্ত মিষ্টি হয়। গাছপাকা হলে এইসব আমের ত্বকে বিচ্ছিরি দাগ পড়ে। ওষুধ দিয়ে পাকানো হলে আমের শরীর হয় মসৃণ ও সুন্দর।
৬. আম নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুঁকে কিনুন। গাছ পাকা আম হলে অবশ্যই বোটার কাছে ঘ্রাণ থাকবে। ওষুধ দেওয়া আম হলে কোনো গন্ধ থাকবে না, কিংবা বিচ্ছিরি বাজে গন্ধ থাকবে।
৭. আম মুখে দেওয়ার পর যদি দেখেন যে কোনো সৌরভ নেই কিংবা আমে টক বা মিষ্টি কোনো স্বাদ নেই, বুঝবেন সে আমে ওষুধ দেওয়া।
৮. আম কেনা হলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছ পাকা আম হলে গন্ধে মৌ মৌ করে চারপাশ। ওষুধ দেওয়া আমে এ মিষ্টি গন্ধ হবেই না।
৯. আমের গায়ে সাধারণত এক ধরনের সাদা পাউডারের মতো থাকে। যা পানিতে বা ফরমালিনে চুবালে চলে যায়। এটাও খেয়াল রাখুন।
১০. কেমিক্যালে পাকানো আম হলুদ না হয়ে সাদার মত রং ধারণ করে। অনেক সময় ক্রেতার নজর কাড়তে ও আমের গায়ে থাকা দাগ দূর করতে এক ধরনের কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়। কিছু আম আছে যে পাকলেও চামড়া সবুজ থাকে এরকম আম ক্রেতারা দেখেই কিনতে চায় না। তাই এরকম ক্রেতাদের ভুলের কারণেও কেমিক্যালের ব্যাবহার হয়।

অনেকেই কেমিক্যাল মুক্ত আম বিক্রি করেন। তাদের মধ্যে Fozli.com , Himsagor.com , AamBazar.com , AmerMela.com , RajshahiMango.com এইগুলো সুনামের সাথে অনেকদিন থেকেই অনলাইনে আম বিক্রি করে আসছে

 

বর্তমানে সব কিছুতেই ভেজাল আর ফল মানেই হচ্ছে কেমিক্যাল। তাহলে এখন উপায় ? কিভাবে চেনার উপায় : কেমিক্যাল মুক্ত আম ? কেনার সময় আপনি যদি একটু সচেতন থাকেন, তাহলেই কিন্তু চেনা সম্ভব কেমিক্যাল মুক্ত আম। আসুন এর মাঝে কয়েকটি জেনে নেই।

► প্রথমেই লক্ষ্য করুন যে আমের গায়ে মাছি বসছে কিনা। কেননা ফরমালিন যুক্ত আমে মাছি বসে না।

► আম গাছে থাকা অবস্থায়, বা গাছ পাকা আম হলে লক্ষ্য করে দেখবেন যে আমের শরীরে এক রকম সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ফরমালিন বা অন্য কেমিক্যালে চুবানো আম হবে ঝকঝকে সুন্দর।

► কার্বাইড বা অন্য কিছু দিয়ে পাকানো আমের শরীর হয় মোলায়েম ও দাগহীন। কেননা আম গুলো কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে ফেলে ওষুধ দিয়ে পাকানো হয়। গাছ পাকা আমের ত্বকে দাগ পড়বেই।

► গাছপাকা আমের ত্বকের রঙে ভিন্নতা থাকবে। গোঁড়ার দিকে গাঢ় রঙ হবে, সেটাই স্বাভাবিক। কার্বাইড দেওয়া আমের আগাগোড়া হলদে হয়ে যায়, কখনো কখনো বেশি দেয়া হলে সাদাটেও হয়ে যায়।

► হিমসাগর ছাড়াও আরও নানান জাতের আম আছে যারা পাকলেও সবুজ থাকে, কিন্তু অত্যন্ত মিষ্টি হয়। ওষুধ দিয়ে পাকানো হলে আমের শরীর হয় মসৃণ ও সুন্দর।

► আম নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুঁকে কিনুন। গাছ পাকা আম হলে অবশ্যই বোটার কাছে ঘ্রাণ থাকবে। ওষুধ দেয়া আম হলে কোনও গন্ধ থাকবে না, কিংবা বাজে গন্ধ থাকবে।

► আম মুখে দেয়ার পর যদি দেখেন যে কোনও সৌরভ নেই, কিংবা আমে টক বা মিষ্টি কোনও স্বাদই নেই, বুঝবেন যে আমে ওষুধ দেওয়া।

► আম কেনা হলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছ পাকা আম হলে গন্ধে মৌ মৌ করে চারপাশ। ওষুধ দেয়া আমে এই মিষ্টি ঘ্রান হবে না।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://sohibazar.com

তথ্যসূত্র : আবু জাফর মুহাম্মদ শামসুদ্দিন।

প্রতিবছর গ্রীষ্মকাল এলেই আমাদের অফিসের খোরশেদ ভাইয়ের মুখ চোখ শুকিয়ে যায়। কারণ তার বাচ্চারা আম-কাঁঠাল-লিচুর মতো গ্রীষ্মকালীন ফলো মূল খেতে খুব পছন্দ করে। কিন্তু খোরশেদ ভাই ভেজালের ভয়ে এসব কিনতে অনিচ্ছুক। তার ভয় হয় যে- বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে তাজা রাখা এই সব ফল খেলে ছেলে মেয়েরা অসুস্থ হয়ে যাবে। তবে এই বছর খোরশেদ সাহেবের মুখে হাসি দেখা যাচ্ছে! কারণ কিছুদিন তিনি জানতে পেরেছেন যে ক্ষতিকর কেমিক্যালমুক্ত আম চেনার উপায় রয়েছে!

ঘটনাটি জেনে নেই চলুন…

খোরশেদ সাহেবের চোয়াল শক্ত হয়ে আছে। বোঝাই যাচ্ছে মেজাজ-মর্জি খারাপ তাঁর অনেক। পাশের টেবিলের হাশেম সাহেব বিষয়টা লক্ষ্য করলেন।

– কি অবস্থা খোরশেদ ভাই? মনমেজাজ খারাপ মনে হচ্ছে?
– দুঃখের কথা আর কি বলব ভাই!
– কি হয়েছে ভাই? বলেন!
– এতোগুলা টাকা গচ্চা খেলাম কালকে!
– ওমা কেন?
– সারাটা বছর এই গ্রীষ্মকালের জন্য অপেক্ষা করি একটা কারণেই। পাকা আম খেতে পারবো বলে! কালকে অনেক সাধ করে একশ’ দশ টাকা কেজি করে ১০ কেজি হিমসাগর কিনলাম, কিন্তু হিমসাগরের নাম করে সেই ব্যাটা আমাকে যা দিল! বাসায় এনে সেই আম মুখে নিতেও পারিনা, এতটাই টক আর বিস্বাদ! কে জানত সুন্দর রঙিন আমগুলো খেতে এতটা বিস্বাদ হবে! পুরো টাকাটাই পানিতে!
– আহারে! একটু দেখবেন না!
– কিভাবে চিনব বলেন? বোঝাই তো যায়না কোনটা আসল গাছপাকা আম আর কোনটা ফরমালিন দেওয়া আম!
– খোরশেদ ভাই, খুব সহজ কিছু পদ্ধতিতে চিনতে পারবেন কোন আম ক্যামিকেল দেওয়া আর কোনটা না!
– আচ্ছা তাই নাকি? কিভাবে ভাই?
– শুনুন তাহলে…

কার্বাইড ও অন্যান্য কেমিক্যাল যুক্ত আমের ক্ষতিকর দিক

ছোটবেলা থেকেই আমরা জেনে এসেছি যে ফলের রাজা আম। পাকা আমের মত সুস্বাদু ফল খুব কমই আছে। গ্রীষ্মকালের প্রচণ্ড দাবদাহে একটা গাছপাকা আম আপনাকে সুমিষ্ট প্রশান্তির স্বাদ এনে দিতে পারে। গ্রীষ্মের মৌসুমী ফলগুলোর মধ্যে আমের আবেদন সার্বজনীন। আমের যেমন ঘ্রাণ, তেমনি মজাদারও বটে। কিন্তু যুগটা যেহেতু ভেজালের, তাই বাজারের সব আমই যে গাছপাকা, তা কিন্তু নয়। বরং রাসায়নিক পদার্থ দিয়েও পাকানো হচ্ছে আম। ফলে আম যেখানে শরীরের জন্য উপকারী হওয়ার কথা সেখান কার্বাইড মিশ্রিত হওয়ায় তা হয়ে উঠছে শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আমের এই মৌসুমে রমরমা ব্যবসা করতে অসাধু ব্যবসায়ীরা রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে দ্রুত আম পাকান। তাই বাজারে আম কিনতে গেলে বিপাকে পড়ে যান সাধারণ মানুষ। তারা বুঝে উঠতে পারেন না কোন আমে রাসায়নিক পদার্থ আছে, আর কোন আমে রাসায়নিক পদার্থ নেই। আম কেনার সময় আপনাকে সচেতন থাকতে হবে যে, তা রাসায়নিকমুক্ত কিনা। কেননা এর উপরেই নির্ভর করছে আপনার আর আপনার পরিবারের সুস্বাস্থ্য।

রাসায়নিকমুক্ত আম চেনার উপায়

এক নজরে দেখে নিন রাসায়নিকমুক্তমুক্ত আম চেনার উপায় এবং কিভাবে চিনবেন গাছপাকা আম!

– গাছপাকা আমের উপর অবশ্যই মাছি বসবে

আম কিনতে গেলে একটি বিষয় অবশ্যই খেয়াল করবেন তা হল- আমের ওপর মাছি বসে কিনা। আমে রাসায়নিক বা কার্বাইড দেওয়া থাকলে সে আমের উপরে কখনই মাছি বসবে না।

– গাছপাকা আমের গায়ে সাদাটে ভাব থাকবে

গাছপাকা আম হলে দেখবেন, আমের গায়ে এক ধরণের সাদাটে ভাব থাকে, সেরকম রঙিন ভাব থাকেনা। কিন্তু কার্বাইড বা অন্য রাসায়নিকে দেওয়া আম হয় সুন্দর, দাগহীন ও পরিষ্কার।

– গাছপাকা আমের গায়ে অনেক দাগ থাকে

গাছপাকা আমের ত্বকে দাগ থাকে। রাসায়নিকে পাকানো আমের গা হয় দাগহীন। কারণ কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে কার্বাইড দিয়ে পাকানো হয়।

– কেমিক্যাল যুক্ত আমের কোন সুস্বাদ বা টক-মিষ্টি গন্ধ নেই

আম কেনার পর সেই আম মুখে দেয়ার পর যদি দেখেন যে আমে কোন সৌরভ নেই কিংবা আমে টক-মিষ্টি কোনো স্বাদই নেই- বুঝবেন যে সে আমে কার্বাইড জাতীয় কোন রাসায়নিক দ্রব্য দেওয়া হয়েছে।

– বদ্ধ জায়গায় আম কিছুক্ষণ রাখুন

আম কেনা হলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছপাকা আম হলে কিছুক্ষণ পর গন্ধে মৌ মৌ করবে চারপাশ। ওষুধ দেয়া আমে এই সুমিষ্ট গন্ধ পাওয়াই যাবে না।

– খোসার রঙের ভিন্নতা

গাছপাকা আমের গায়ের রঙও আলাদা। গোড়ার দিকে একটু গাঢ় রঙ থাকে গাছপাকা আমে। রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে পাকানো আমের আগাগোড়া হলদে রঙ হয়ে যায়। হিমসাগর সহ আরও বেশ কিছু জাতের আম পাকলেও সবুজ থাকে। গাছপাকা হলে এসব আমের ত্বকে কালো কালো দাগ পড়ে। রাসায়নিক দিয়ে পাকানো হলে আমের ত্বক হয় মসৃণ ও সুন্দর।

– আমের সুমিষ্ট গন্ধ পাওয়া যাবে

ক্যামিকেলমুক্ত আম চেনার উপায় একটি উপায় হচ্ছে গন্ধ শুকে দেখা। আম কেনার আগে নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুকুন। গাছপাকা আম হলে অবশ্যই বোঁটার কাছে চেনা গন্ধ পাবেন। ওষুধ দেওয়া আমে গন্ধ খুব বেশি থাকে না কিংবা বাজে বা ঝাঁজালো গন্ধ থাকে। ফলে বোঝা যায় যে আমটা আসলে গাছপাকা না।

ক্ষতিকর কেমিক্যাল মুক্ত গাছপাকা আম খেতে চান?

আপনারা জানেন যে বাংলাদেশের আমের সিংহভাগ উৎপাদিত হয় উত্তর বঙ্গে। ফলে ঐ অঞ্চল ব্যতিত দেশের অন্যান্য যায়গার মানুষের পক্ষে গাছপাকা কেমিক্যাল মুক্ত আম পাওয়া বেশ কষ্টকর ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। এক্ষেত্রে খাসফুড অনলাইন শপ প্রতিবছর সারাদেশে সুস্বাদু ও নিরাপদ আম সরবরাহের ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। আমরা সরাসরি রাজশাহী থেকে গাছ পাকা আম এনে গ্রাহকদের মাঝে সুলভ মূল্যে সরবরাহ করে থাকি। আপনি যদি ক্যামিকেলমুক্ত আম কিনতে ইচ্ছুক হন, তাহলে আজই অগ্রিম অর্ডার করুন। নির্দিষ্ট সময়ে আমরা আম পৌঁছে দেবো আপনার ঠিকানায়।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.khaasfood.com

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলকে আমের রাজ্য বললেও ভুল বলা হবে না। প্রতি বছর সেখানে শত শত মণ আম উৎপাদন হয়। কিন্তু অসৎ ব্যবসায়ীদের কারসাজীতে সুস্বাদু সেই আম মানুষ আজ খেতেও ভয় পায়। কারন আম উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোক্তা পর্যায়ে আসা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে আমে প্রয়োগ করা হয় ক্ষতিকর কেমিক্যাল । তাই এখন আমরা জানার চেষ্টা করবো কিভাবে আমরা কেমিক্যাল মুক্ত আম চিনবো সেই উপায় নিয়ে।

 

» কেমিক্যাল মুক্ত আম চেনার উপায় একটি উপায় হচ্ছে গন্ধ শুকে দেখা। আম কেনার আগে নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুকুন। গাছপাকা আম হলে অবশ্যই বোঁটার কাছে চেনা গন্ধ পাবেন। ঔষুধ দেওয়া আমে গন্ধ খুব বেশি থাকে না কিংবা বাজে বা ঝাঁজালো গন্ধ থাকে। ফলে বোঝা যায় যে আমটা আসলে গাছপাকা না।

 

» গাছপাকা আমের গায়ের রঙও আলাদা। গোড়ার দিকে একটু গাঢ় রঙ থাকে গাছপাকা আমে। রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে পাকানো আমের আগাগোড়া হলদে রঙ হয়ে যায়। হিমসাগর সহ আরও বেশ কিছু জাতের আম পাকলেও সবুজ থাকে। গাছপাকা হলে এসব আমের ত্বকে কালো কালো দাগ পড়ে। রাসায়নিক দিয়ে পাকানো হলে আমের ত্বক হয় মসৃণ ও সুন্দর।

 

» আম কেনা হলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছপাকা আম হলে কিছুক্ষণ পর গন্ধে মৌ মৌ করবে চারপাশ। ওষুধ দেয়া আমে এই সুমিষ্ট গন্ধ পাওয়াই যাবে না।

 

» আম কেনার পর সেই আম মুখে দেয়ার পর যদি দেখেন যে আমে কোন সৌরভ নেই কিংবা আমে টক-মিষ্টি কোনো স্বাদই নেই- বুঝবেন যে সে আমে কার্বাইড জাতীয় কোন রাসায়নিক দ্রব্য দেওয়া হয়েছে।

 

» কার্বাইড বা অন্য কিছু দিয়ে পাকানো আমের শরীর হয় মোলায়েম ও দাগহীন। কেননা আম গুলো কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে ওষুধ দিয়ে পাকানো হয়। গাছ পাকা আমের ত্বকে দাগ পড়বেই।

 

» আম কেনা হলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছ পাকা আম হলে গন্ধে মৌ মৌ করবে চারপাশ। ওষুধ দেয়া আমে এই মিষ্টি গন্ধ হবেই না।

 

» আম কিনতে গেলে একটি বিষয় অবশ্যই খেয়াল করবেন আমের ওপর মাছি বসে কিনা। আমে রাসায়নিক বা কার্বাইড দেওয়া থাকলে সে আমের উপরে কখনই মাছি বসবে না।

» আম গাছে থাকা অবস্থায় বা গাছ পাকা আম হলে লক্ষ্য করে দেখবেন যে আমের শরীরে এক রকম সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ক্যামিক্যাল বা অন্য রাসায়নিকে চুবানো আম হবে ঝকঝকে সুন্দর।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://agrobangla.com/health-pellet

গ্রীষ্মের হাত ধরেই বাজারে আগমন ঘটে ফলের রাজা আমের। গ্রীষ্মকালের অত্যন্ত  সুস্বাদু ফল হলো আম। এই ফলটি এমন একটি ফল যা সকলেই খেতে পছন্দ করে। অনেক ব্যবসায়ীই বাড়তি লাভের জন্য প্রাকৃতিক উপায়ে গাছ পাকা আমের তুলনায় রাসায়নিক পদ্ধতিতে আম পাকিয়ে বেশি বিক্রি করেন। 

এই রাসায়নিক দিয়ে পাকানো আমে প্রাকৃতিকভাবে পাকা আমের স্বাদ থাকে না। একইসঙ্গে রাসায়নিকের পাকা আম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর।তাই চেষ্টা করুন গাছ পাকা আম খাওয়ার, পাশাপাশি অন্যান্যদেরও সচেতন করুন। রাসায়নিক দেওয়া পাকা আম খাওয়া থেকে দূরে থাকুন। 

চলুন দেখে নিন রাসায়নিকভাবে পাকানো আম চেনার উপায় কী এবং তা স্বাস্থ্যের কী ক্ষতি করে।

ক্যালসিয়াম কার্বাইড, অ্যাসিটিলিন গ্যাস, কার্বন-মনোক্সাইডের মতো রাসায়নিকগুলি ব্যবহার করে কাঁচা আম ও অন্যান্য কাঁচা ফল পাকানো হয়। রাসায়নিকগুলি এতটাই ক্ষতিকারক যে, ফলের মাধ্যমে তা শরীরে গেলে ত্বকের ক্যানসার, কোলন ক্যান্সার, জরায়ুর ক্যান্সার, লিভার ও কিডনির সমস্যা, মস্তিষ্কের ক্ষতির মতো মারাত্মক রোগ হওয়ার ঝুঁকি দেখা যায়।

আসুন জেনে নিই কীভাবে রাসায়নিক দিয়ে পাকা আম চিহ্নিত করবেন...

১) ফলের চেহারা হবে উজ্জ্বল ও আকর্ষণীয়।

২) কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো আমের সবদিকটাই সমানভাবে পাকবে কিন্তু গাছ পাকা ফলের সবদিক কখনোই সমানভাবে পাকে না।

৩) রাসায়নিক দিয়ে পাকানো ফলে স্বাভাবিক পাকা ফলের মতো মিষ্টি গন্ধ থাকবে না।

৪) প্রাকৃতিকভাবে পাকা ফলের চামড়ার ওপর এক ফোঁটা আয়োডিন দিলে তা গাঢ় নীল অথবা কালো বর্ণের হয়ে যাবে। কিন্তু ক্যামিকেল দ্বারা পাকানো ফলে আয়োডিনের রং অপরিবর্তিত থাকে।

খাওয়ার জন্য যা করণীয় :

১) ফলের মরসুমের আগে ফল কিনবেন না। কারণ, সময়ের আগে প্রাপ্ত ফলগুলি ক্যামিকেল দিয়ে পাকানো হয়ে থাকে।

২) খাওয়ার আগে জলে দুই মিনিট ভিজিয়ে রাখবেন।

৩) তারপর ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে খাবেন।

৪) গোটা ফল সরাসরি খাবেন না।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.kalerkantho.com

শরীরে লবণের ঘাটতি দূর করে

 

গরমে অতিরিক্ত ঘামে শরীর থেকে সোডিয়াম ক্লোরাইড ও লৌহ বের হয়ে যায়। কাঁচা আমের জুস শরীরের এই ঘাটতি দূর করে। যারা ওজন কমাতে বা শরীরের বাড়তি ক্যালরি খরচ করতে চান, তাদের জন্য আদর্শ ফল কাঁচা আম।

হৃদ্যন্ত্রের জন্য ভালো

কাঁচা আমকে হৃদ্যন্ত্রবান্ধব বলা যেতে পারে। কারণ এতে আছে নিয়াসিন নামের বিশেষ উপাদান। এটি হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমায় এবং বাজে কোলস্টেরলের স্তরকে কমাতে সাহায্য করে। যকৃতের রোগ নিরাময়ের প্রাকৃতিক বন্ধু হতে পারে কাঁচা আম।

পেট ভালো রাখে

গরমে পেটের গোলমাল হলে এক গ্লাস আমের জুস দারুণ কাজে লাগতে পারে। খাদ্য হজমে সহায়তা করে কাঁচা আম। অন্ত্রকে পরিষ্কার করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দেয় কাঁচা আম।

শরীর ঠান্ডা থাকে

কাঁচা আমে পটাশিয়াম থাকার কারণে তা শরীরকে ঠা-া রাখতে সাহায্য করে। এ কারণে শরীরে ঘাম কম হয়। গরমে ক্লান্তিও দূর হয়। দুপুরে খাওয়ার পর ঝিমুনি ভাব দেখা গেলে কয়েক টুকরা কাঁচা আম খেলে ঝিমুনি দূর হয়।

স্কার্ভি ও মাড়ির রক্ত পড়া রোধ করে

কাঁচা আম শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন-সি জোগাতে পারে। স্কার্ভি ও মাড়ির রক্ত পড়া কমায় কাঁচা আম। আমচুর স্কার্ভি নিরাময়ে অত্যন্ত কার্যকর। নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ ও দাঁতের ক্ষয়রোধেও সহায়তা করে কাঁচা আম।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://bnewsbulletin.com/69741/

ভারতের জাতীয় ফল আম। আমকে ফলের রাজা বলা হয়। সবার কাছেই সব ফলের মধ্যে আম খুব বেশী প্রিয় এবং লোভনীয়। কাচা বা পাকা আম দুটোই সবার কাছে খুব প্রিয়। ভাতের সাথে আমের টক বা রাতে রুটি দিয়ে পাকা আম না হলে বাঙালিদের একবারেই চলে না। কিন্তু গবেষশদের মতে বেশি আম খাওয়া নাকি শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর।

ডাক্তারি সুত্রে জানা গেছে, পাকা আম খাওয়া শরীরের পক্ষে খুবই উপকার। কারন পাকা আম অনেক ভিটামিনে সমৃদ্ধ। রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি, থায়ামিন, রিবফ্লাভিন, ভিটামিন এ বা বিটা ক্যারোটিন। এছাড়া আছে উচ্চমাত্রার চিনি, কার্বহাইড্রেড ও গ্লাইসেমিক। আম অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উৎস, কারন পাকা আমে আছে ফিনলিকস জাতীয় উপাদান।

কিন্তু আমের মধ্যে সব থেকে বেশী পরিমাণে থাকে চিনি, যার ফলে শরীর খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেড়ে যায়। ডাক্তারদের মতে আম খেলে তাদের বেশি ক্ষতি হয় যাদের ব্লাড সুগার আছে, কারন আম রক্তের মধ্যে শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে তোলে। যার ফলে শরীরের অনেক ক্ষতি হয়। এছাড়াও আম থেকে অনেক ক্ষতি হতে পারে, যেমন –

ত্বক জ্বালা – নানান সমস্যা হয় এই আমের আঠা থেকে। আম খাওয়ার সময় সবসময় খেয়াল রাখতে হবে আমের আঠা যেন কোনোভাবেই মুখে না লেগে যায়।

অ্যালার্জি – অ্যালার্জি থাকলে আম খাওয়া একবারেই উচিত নয়। ব্রন, রাশ, চুলকানির সমস্যা দেখা দিতে পারে আম খেলে। তাই এক্ষেত্রে আম থেকে দূরে থাকাই ভালো।

ব্লাড সুগার – যাদের ব্লাড সুগার আছে তাদের আম খাওয়া কখনোই উচিত নয়, কারন আমের মধ্যে চিনির পরিমাণ খুব বেশী থাকে। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাই আম খান মেপে মেপে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

হজমের সমস্যা – খুব বেশী পরিমাণে আম খেলে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বদহজম, পেট ফোলা, গ্যাসের মত বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে আম খেলে।

বাতের ব্যথা – অনেক সময় দেখা যায় আম খেলে বাতের ব্যাথা খুব বেশী বেড়ে যায়। কারন আমের মধ্যে শর্করা, চিনি খুব বেশী পরিমানে থাকে। তাই যাদের বাতের ব্যাথা আছে তারা আম কম খান, আম বেশী খেলে নিজেদেরই ক্ষতি।

যদি আম খেতেই হয় তাহলে আম চিবিয়ে না খেয়ে জুস করে খান। এর ফলে আমের মধ্যে থাকা ফাইবার গুলো নষ্ট হয়ে যায়। ফলে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় আমের ফাইবারের গুণাগুণ পাওয়া যায় না।



এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.oddbangla.com

Saturday, 17 April 2021 07:13

মৌসুমি রাজশাহীর আম

Written by

গেল বছরে অতিরিক্ত বৃষ্টি এবং আম পরিপক্ব হওয়ার আগমুহূর্তে আম্ফান ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। ঝরে গিয়েছিল প্রায় এক তৃতীয়াংশ আম। ঝড়ের কারণে পড়ে যাওয়া আম অবিক্রীত থাকায় সব মিলিয়ে বিরাট ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন আমচাষিরা। অতিরিক্ত বৃষ্টিতে আমের স্বাদ-গন্ধেও বিরূপ প্রভাব পড়েছিল।

তবে এবার এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় রাজশাহীর আমগাছগুলোতে অনেক মুকুল ধরেছে। সেই মুকুল এখন গুটিতে রূপ নিয়েছে। চাষিরা এবার আমের বাম্পার ফলন হওয়ার আশা করছেন।

মুকুল আসার সময় থেকেই গাছের প্রচুর যত্ন নিতে হয়। এ সময় গাছের প্রচুর পানি দরকার। রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকার পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যাওয়ায় আমবাগানে সেচ দিতে হচ্ছে আমচাষিদের। আম উৎপাদনের ক্ষেত্রে মাটির চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো জলবায়ুর প্রভাব।

সূর্যকিরণ এবং বৃষ্টি আম উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। আমচাষি এবং উদ্যোক্তা নাজমুল হক বলেন, বৃষ্টির অভাবে কিছু কিছু গাছে আমের গুটি ঝরে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে বৃষ্টি হলে আমের ভালো ফলন হবে।

গত বছর করোনা পরিস্থিতিতে আমের ভালো দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কা ছিল আমচাষিদের মধ্যে। শেষ পর্যন্ত ই-কমার্সের আশীর্বাদে আমের ভালো দাম পেয়েছিলেন তাঁরা। এ বছর তাঁরা কিছুটা নির্ভার, আমের দাম নিয়ে দুশ্চিন্তা নেই। তবে আম বাজারজাতকরণে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির জন্য সরকারের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.ittefaq.com.bd

Page 1 of 48