x 
Empty Product

বর্তমানে সব কিছুতেই ভেজাল আর ফল মানেই হচ্ছে কেমিক্যাল। তাহলে এখন উপায় ? কিভাবে চেনার উপায় : কেমিক্যাল মুক্ত আম ? কেনার সময় আপনি যদি একটু সচেতন থাকেন, তাহলেই কিন্তু চেনা সম্ভব কেমিক্যাল মুক্ত আম। আসুন এর মাঝে কয়েকটি জেনে নেই।

► প্রথমেই লক্ষ্য করুন যে আমের গায়ে মাছি বসছে কিনা। কেননা ফরমালিন যুক্ত আমে মাছি বসে না।

► আম গাছে থাকা অবস্থায়, বা গাছ পাকা আম হলে লক্ষ্য করে দেখবেন যে আমের শরীরে এক রকম সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ফরমালিন বা অন্য কেমিক্যালে চুবানো আম হবে ঝকঝকে সুন্দর।

► কার্বাইড বা অন্য কিছু দিয়ে পাকানো আমের শরীর হয় মোলায়েম ও দাগহীন। কেননা আম গুলো কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে ফেলে ওষুধ দিয়ে পাকানো হয়। গাছ পাকা আমের ত্বকে দাগ পড়বেই।

► গাছপাকা আমের ত্বকের রঙে ভিন্নতা থাকবে। গোঁড়ার দিকে গাঢ় রঙ হবে, সেটাই স্বাভাবিক। কার্বাইড দেওয়া আমের আগাগোড়া হলদে হয়ে যায়, কখনো কখনো বেশি দেয়া হলে সাদাটেও হয়ে যায়।

► হিমসাগর ছাড়াও আরও নানান জাতের আম আছে যারা পাকলেও সবুজ থাকে, কিন্তু অত্যন্ত মিষ্টি হয়। ওষুধ দিয়ে পাকানো হলে আমের শরীর হয় মসৃণ ও সুন্দর।

► আম নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুঁকে কিনুন। গাছ পাকা আম হলে অবশ্যই বোটার কাছে ঘ্রাণ থাকবে। ওষুধ দেয়া আম হলে কোনও গন্ধ থাকবে না, কিংবা বাজে গন্ধ থাকবে।

► আম মুখে দেয়ার পর যদি দেখেন যে কোনও সৌরভ নেই, কিংবা আমে টক বা মিষ্টি কোনও স্বাদই নেই, বুঝবেন যে আমে ওষুধ দেওয়া।

► আম কেনা হলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছ পাকা আম হলে গন্ধে মৌ মৌ করে চারপাশ। ওষুধ দেয়া আমে এই মিষ্টি ঘ্রান হবে না।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://sohibazar.com

তথ্যসূত্র : আবু জাফর মুহাম্মদ শামসুদ্দিন।

প্রতিবছর গ্রীষ্মকাল এলেই আমাদের অফিসের খোরশেদ ভাইয়ের মুখ চোখ শুকিয়ে যায়। কারণ তার বাচ্চারা আম-কাঁঠাল-লিচুর মতো গ্রীষ্মকালীন ফলো মূল খেতে খুব পছন্দ করে। কিন্তু খোরশেদ ভাই ভেজালের ভয়ে এসব কিনতে অনিচ্ছুক। তার ভয় হয় যে- বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে তাজা রাখা এই সব ফল খেলে ছেলে মেয়েরা অসুস্থ হয়ে যাবে। তবে এই বছর খোরশেদ সাহেবের মুখে হাসি দেখা যাচ্ছে! কারণ কিছুদিন তিনি জানতে পেরেছেন যে ক্ষতিকর কেমিক্যালমুক্ত আম চেনার উপায় রয়েছে!

ঘটনাটি জেনে নেই চলুন…

খোরশেদ সাহেবের চোয়াল শক্ত হয়ে আছে। বোঝাই যাচ্ছে মেজাজ-মর্জি খারাপ তাঁর অনেক। পাশের টেবিলের হাশেম সাহেব বিষয়টা লক্ষ্য করলেন।

– কি অবস্থা খোরশেদ ভাই? মনমেজাজ খারাপ মনে হচ্ছে?
– দুঃখের কথা আর কি বলব ভাই!
– কি হয়েছে ভাই? বলেন!
– এতোগুলা টাকা গচ্চা খেলাম কালকে!
– ওমা কেন?
– সারাটা বছর এই গ্রীষ্মকালের জন্য অপেক্ষা করি একটা কারণেই। পাকা আম খেতে পারবো বলে! কালকে অনেক সাধ করে একশ’ দশ টাকা কেজি করে ১০ কেজি হিমসাগর কিনলাম, কিন্তু হিমসাগরের নাম করে সেই ব্যাটা আমাকে যা দিল! বাসায় এনে সেই আম মুখে নিতেও পারিনা, এতটাই টক আর বিস্বাদ! কে জানত সুন্দর রঙিন আমগুলো খেতে এতটা বিস্বাদ হবে! পুরো টাকাটাই পানিতে!
– আহারে! একটু দেখবেন না!
– কিভাবে চিনব বলেন? বোঝাই তো যায়না কোনটা আসল গাছপাকা আম আর কোনটা ফরমালিন দেওয়া আম!
– খোরশেদ ভাই, খুব সহজ কিছু পদ্ধতিতে চিনতে পারবেন কোন আম ক্যামিকেল দেওয়া আর কোনটা না!
– আচ্ছা তাই নাকি? কিভাবে ভাই?
– শুনুন তাহলে…

কার্বাইড ও অন্যান্য কেমিক্যাল যুক্ত আমের ক্ষতিকর দিক

ছোটবেলা থেকেই আমরা জেনে এসেছি যে ফলের রাজা আম। পাকা আমের মত সুস্বাদু ফল খুব কমই আছে। গ্রীষ্মকালের প্রচণ্ড দাবদাহে একটা গাছপাকা আম আপনাকে সুমিষ্ট প্রশান্তির স্বাদ এনে দিতে পারে। গ্রীষ্মের মৌসুমী ফলগুলোর মধ্যে আমের আবেদন সার্বজনীন। আমের যেমন ঘ্রাণ, তেমনি মজাদারও বটে। কিন্তু যুগটা যেহেতু ভেজালের, তাই বাজারের সব আমই যে গাছপাকা, তা কিন্তু নয়। বরং রাসায়নিক পদার্থ দিয়েও পাকানো হচ্ছে আম। ফলে আম যেখানে শরীরের জন্য উপকারী হওয়ার কথা সেখান কার্বাইড মিশ্রিত হওয়ায় তা হয়ে উঠছে শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আমের এই মৌসুমে রমরমা ব্যবসা করতে অসাধু ব্যবসায়ীরা রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে দ্রুত আম পাকান। তাই বাজারে আম কিনতে গেলে বিপাকে পড়ে যান সাধারণ মানুষ। তারা বুঝে উঠতে পারেন না কোন আমে রাসায়নিক পদার্থ আছে, আর কোন আমে রাসায়নিক পদার্থ নেই। আম কেনার সময় আপনাকে সচেতন থাকতে হবে যে, তা রাসায়নিকমুক্ত কিনা। কেননা এর উপরেই নির্ভর করছে আপনার আর আপনার পরিবারের সুস্বাস্থ্য।

রাসায়নিকমুক্ত আম চেনার উপায়

এক নজরে দেখে নিন রাসায়নিকমুক্তমুক্ত আম চেনার উপায় এবং কিভাবে চিনবেন গাছপাকা আম!

– গাছপাকা আমের উপর অবশ্যই মাছি বসবে

আম কিনতে গেলে একটি বিষয় অবশ্যই খেয়াল করবেন তা হল- আমের ওপর মাছি বসে কিনা। আমে রাসায়নিক বা কার্বাইড দেওয়া থাকলে সে আমের উপরে কখনই মাছি বসবে না।

– গাছপাকা আমের গায়ে সাদাটে ভাব থাকবে

গাছপাকা আম হলে দেখবেন, আমের গায়ে এক ধরণের সাদাটে ভাব থাকে, সেরকম রঙিন ভাব থাকেনা। কিন্তু কার্বাইড বা অন্য রাসায়নিকে দেওয়া আম হয় সুন্দর, দাগহীন ও পরিষ্কার।

– গাছপাকা আমের গায়ে অনেক দাগ থাকে

গাছপাকা আমের ত্বকে দাগ থাকে। রাসায়নিকে পাকানো আমের গা হয় দাগহীন। কারণ কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে কার্বাইড দিয়ে পাকানো হয়।

– কেমিক্যাল যুক্ত আমের কোন সুস্বাদ বা টক-মিষ্টি গন্ধ নেই

আম কেনার পর সেই আম মুখে দেয়ার পর যদি দেখেন যে আমে কোন সৌরভ নেই কিংবা আমে টক-মিষ্টি কোনো স্বাদই নেই- বুঝবেন যে সে আমে কার্বাইড জাতীয় কোন রাসায়নিক দ্রব্য দেওয়া হয়েছে।

– বদ্ধ জায়গায় আম কিছুক্ষণ রাখুন

আম কেনা হলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছপাকা আম হলে কিছুক্ষণ পর গন্ধে মৌ মৌ করবে চারপাশ। ওষুধ দেয়া আমে এই সুমিষ্ট গন্ধ পাওয়াই যাবে না।

– খোসার রঙের ভিন্নতা

গাছপাকা আমের গায়ের রঙও আলাদা। গোড়ার দিকে একটু গাঢ় রঙ থাকে গাছপাকা আমে। রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে পাকানো আমের আগাগোড়া হলদে রঙ হয়ে যায়। হিমসাগর সহ আরও বেশ কিছু জাতের আম পাকলেও সবুজ থাকে। গাছপাকা হলে এসব আমের ত্বকে কালো কালো দাগ পড়ে। রাসায়নিক দিয়ে পাকানো হলে আমের ত্বক হয় মসৃণ ও সুন্দর।

– আমের সুমিষ্ট গন্ধ পাওয়া যাবে

ক্যামিকেলমুক্ত আম চেনার উপায় একটি উপায় হচ্ছে গন্ধ শুকে দেখা। আম কেনার আগে নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুকুন। গাছপাকা আম হলে অবশ্যই বোঁটার কাছে চেনা গন্ধ পাবেন। ওষুধ দেওয়া আমে গন্ধ খুব বেশি থাকে না কিংবা বাজে বা ঝাঁজালো গন্ধ থাকে। ফলে বোঝা যায় যে আমটা আসলে গাছপাকা না।

ক্ষতিকর কেমিক্যাল মুক্ত গাছপাকা আম খেতে চান?

আপনারা জানেন যে বাংলাদেশের আমের সিংহভাগ উৎপাদিত হয় উত্তর বঙ্গে। ফলে ঐ অঞ্চল ব্যতিত দেশের অন্যান্য যায়গার মানুষের পক্ষে গাছপাকা কেমিক্যাল মুক্ত আম পাওয়া বেশ কষ্টকর ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। এক্ষেত্রে খাসফুড অনলাইন শপ প্রতিবছর সারাদেশে সুস্বাদু ও নিরাপদ আম সরবরাহের ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। আমরা সরাসরি রাজশাহী থেকে গাছ পাকা আম এনে গ্রাহকদের মাঝে সুলভ মূল্যে সরবরাহ করে থাকি। আপনি যদি ক্যামিকেলমুক্ত আম কিনতে ইচ্ছুক হন, তাহলে আজই অগ্রিম অর্ডার করুন। নির্দিষ্ট সময়ে আমরা আম পৌঁছে দেবো আপনার ঠিকানায়।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.khaasfood.com

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলকে আমের রাজ্য বললেও ভুল বলা হবে না। প্রতি বছর সেখানে শত শত মণ আম উৎপাদন হয়। কিন্তু অসৎ ব্যবসায়ীদের কারসাজীতে সুস্বাদু সেই আম মানুষ আজ খেতেও ভয় পায়। কারন আম উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোক্তা পর্যায়ে আসা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে আমে প্রয়োগ করা হয় ক্ষতিকর কেমিক্যাল । তাই এখন আমরা জানার চেষ্টা করবো কিভাবে আমরা কেমিক্যাল মুক্ত আম চিনবো সেই উপায় নিয়ে।

 

» কেমিক্যাল মুক্ত আম চেনার উপায় একটি উপায় হচ্ছে গন্ধ শুকে দেখা। আম কেনার আগে নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুকুন। গাছপাকা আম হলে অবশ্যই বোঁটার কাছে চেনা গন্ধ পাবেন। ঔষুধ দেওয়া আমে গন্ধ খুব বেশি থাকে না কিংবা বাজে বা ঝাঁজালো গন্ধ থাকে। ফলে বোঝা যায় যে আমটা আসলে গাছপাকা না।

 

» গাছপাকা আমের গায়ের রঙও আলাদা। গোড়ার দিকে একটু গাঢ় রঙ থাকে গাছপাকা আমে। রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে পাকানো আমের আগাগোড়া হলদে রঙ হয়ে যায়। হিমসাগর সহ আরও বেশ কিছু জাতের আম পাকলেও সবুজ থাকে। গাছপাকা হলে এসব আমের ত্বকে কালো কালো দাগ পড়ে। রাসায়নিক দিয়ে পাকানো হলে আমের ত্বক হয় মসৃণ ও সুন্দর।

 

» আম কেনা হলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছপাকা আম হলে কিছুক্ষণ পর গন্ধে মৌ মৌ করবে চারপাশ। ওষুধ দেয়া আমে এই সুমিষ্ট গন্ধ পাওয়াই যাবে না।

 

» আম কেনার পর সেই আম মুখে দেয়ার পর যদি দেখেন যে আমে কোন সৌরভ নেই কিংবা আমে টক-মিষ্টি কোনো স্বাদই নেই- বুঝবেন যে সে আমে কার্বাইড জাতীয় কোন রাসায়নিক দ্রব্য দেওয়া হয়েছে।

 

» কার্বাইড বা অন্য কিছু দিয়ে পাকানো আমের শরীর হয় মোলায়েম ও দাগহীন। কেননা আম গুলো কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে ওষুধ দিয়ে পাকানো হয়। গাছ পাকা আমের ত্বকে দাগ পড়বেই।

 

» আম কেনা হলে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমন কোথাও রাখুন যেখানে বাতাস চলাচল করে না। গাছ পাকা আম হলে গন্ধে মৌ মৌ করবে চারপাশ। ওষুধ দেয়া আমে এই মিষ্টি গন্ধ হবেই না।

 

» আম কিনতে গেলে একটি বিষয় অবশ্যই খেয়াল করবেন আমের ওপর মাছি বসে কিনা। আমে রাসায়নিক বা কার্বাইড দেওয়া থাকলে সে আমের উপরে কখনই মাছি বসবে না।

» আম গাছে থাকা অবস্থায় বা গাছ পাকা আম হলে লক্ষ্য করে দেখবেন যে আমের শরীরে এক রকম সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ক্যামিক্যাল বা অন্য রাসায়নিকে চুবানো আম হবে ঝকঝকে সুন্দর।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://agrobangla.com/health-pellet

গ্রীষ্মের হাত ধরেই বাজারে আগমন ঘটে ফলের রাজা আমের। গ্রীষ্মকালের অত্যন্ত  সুস্বাদু ফল হলো আম। এই ফলটি এমন একটি ফল যা সকলেই খেতে পছন্দ করে। অনেক ব্যবসায়ীই বাড়তি লাভের জন্য প্রাকৃতিক উপায়ে গাছ পাকা আমের তুলনায় রাসায়নিক পদ্ধতিতে আম পাকিয়ে বেশি বিক্রি করেন। 

এই রাসায়নিক দিয়ে পাকানো আমে প্রাকৃতিকভাবে পাকা আমের স্বাদ থাকে না। একইসঙ্গে রাসায়নিকের পাকা আম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর।তাই চেষ্টা করুন গাছ পাকা আম খাওয়ার, পাশাপাশি অন্যান্যদেরও সচেতন করুন। রাসায়নিক দেওয়া পাকা আম খাওয়া থেকে দূরে থাকুন। 

চলুন দেখে নিন রাসায়নিকভাবে পাকানো আম চেনার উপায় কী এবং তা স্বাস্থ্যের কী ক্ষতি করে।

ক্যালসিয়াম কার্বাইড, অ্যাসিটিলিন গ্যাস, কার্বন-মনোক্সাইডের মতো রাসায়নিকগুলি ব্যবহার করে কাঁচা আম ও অন্যান্য কাঁচা ফল পাকানো হয়। রাসায়নিকগুলি এতটাই ক্ষতিকারক যে, ফলের মাধ্যমে তা শরীরে গেলে ত্বকের ক্যানসার, কোলন ক্যান্সার, জরায়ুর ক্যান্সার, লিভার ও কিডনির সমস্যা, মস্তিষ্কের ক্ষতির মতো মারাত্মক রোগ হওয়ার ঝুঁকি দেখা যায়।

আসুন জেনে নিই কীভাবে রাসায়নিক দিয়ে পাকা আম চিহ্নিত করবেন...

১) ফলের চেহারা হবে উজ্জ্বল ও আকর্ষণীয়।

২) কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো আমের সবদিকটাই সমানভাবে পাকবে কিন্তু গাছ পাকা ফলের সবদিক কখনোই সমানভাবে পাকে না।

৩) রাসায়নিক দিয়ে পাকানো ফলে স্বাভাবিক পাকা ফলের মতো মিষ্টি গন্ধ থাকবে না।

৪) প্রাকৃতিকভাবে পাকা ফলের চামড়ার ওপর এক ফোঁটা আয়োডিন দিলে তা গাঢ় নীল অথবা কালো বর্ণের হয়ে যাবে। কিন্তু ক্যামিকেল দ্বারা পাকানো ফলে আয়োডিনের রং অপরিবর্তিত থাকে।

খাওয়ার জন্য যা করণীয় :

১) ফলের মরসুমের আগে ফল কিনবেন না। কারণ, সময়ের আগে প্রাপ্ত ফলগুলি ক্যামিকেল দিয়ে পাকানো হয়ে থাকে।

২) খাওয়ার আগে জলে দুই মিনিট ভিজিয়ে রাখবেন।

৩) তারপর ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে খাবেন।

৪) গোটা ফল সরাসরি খাবেন না।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.kalerkantho.com

শরীরে লবণের ঘাটতি দূর করে

 

গরমে অতিরিক্ত ঘামে শরীর থেকে সোডিয়াম ক্লোরাইড ও লৌহ বের হয়ে যায়। কাঁচা আমের জুস শরীরের এই ঘাটতি দূর করে। যারা ওজন কমাতে বা শরীরের বাড়তি ক্যালরি খরচ করতে চান, তাদের জন্য আদর্শ ফল কাঁচা আম।

হৃদ্যন্ত্রের জন্য ভালো

কাঁচা আমকে হৃদ্যন্ত্রবান্ধব বলা যেতে পারে। কারণ এতে আছে নিয়াসিন নামের বিশেষ উপাদান। এটি হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমায় এবং বাজে কোলস্টেরলের স্তরকে কমাতে সাহায্য করে। যকৃতের রোগ নিরাময়ের প্রাকৃতিক বন্ধু হতে পারে কাঁচা আম।

পেট ভালো রাখে

গরমে পেটের গোলমাল হলে এক গ্লাস আমের জুস দারুণ কাজে লাগতে পারে। খাদ্য হজমে সহায়তা করে কাঁচা আম। অন্ত্রকে পরিষ্কার করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দেয় কাঁচা আম।

শরীর ঠান্ডা থাকে

কাঁচা আমে পটাশিয়াম থাকার কারণে তা শরীরকে ঠা-া রাখতে সাহায্য করে। এ কারণে শরীরে ঘাম কম হয়। গরমে ক্লান্তিও দূর হয়। দুপুরে খাওয়ার পর ঝিমুনি ভাব দেখা গেলে কয়েক টুকরা কাঁচা আম খেলে ঝিমুনি দূর হয়।

স্কার্ভি ও মাড়ির রক্ত পড়া রোধ করে

কাঁচা আম শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন-সি জোগাতে পারে। স্কার্ভি ও মাড়ির রক্ত পড়া কমায় কাঁচা আম। আমচুর স্কার্ভি নিরাময়ে অত্যন্ত কার্যকর। নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ ও দাঁতের ক্ষয়রোধেও সহায়তা করে কাঁচা আম।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://bnewsbulletin.com/69741/

ভারতের জাতীয় ফল আম। আমকে ফলের রাজা বলা হয়। সবার কাছেই সব ফলের মধ্যে আম খুব বেশী প্রিয় এবং লোভনীয়। কাচা বা পাকা আম দুটোই সবার কাছে খুব প্রিয়। ভাতের সাথে আমের টক বা রাতে রুটি দিয়ে পাকা আম না হলে বাঙালিদের একবারেই চলে না। কিন্তু গবেষশদের মতে বেশি আম খাওয়া নাকি শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর।

ডাক্তারি সুত্রে জানা গেছে, পাকা আম খাওয়া শরীরের পক্ষে খুবই উপকার। কারন পাকা আম অনেক ভিটামিনে সমৃদ্ধ। রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি, থায়ামিন, রিবফ্লাভিন, ভিটামিন এ বা বিটা ক্যারোটিন। এছাড়া আছে উচ্চমাত্রার চিনি, কার্বহাইড্রেড ও গ্লাইসেমিক। আম অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উৎস, কারন পাকা আমে আছে ফিনলিকস জাতীয় উপাদান।

কিন্তু আমের মধ্যে সব থেকে বেশী পরিমাণে থাকে চিনি, যার ফলে শরীর খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেড়ে যায়। ডাক্তারদের মতে আম খেলে তাদের বেশি ক্ষতি হয় যাদের ব্লাড সুগার আছে, কারন আম রক্তের মধ্যে শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে তোলে। যার ফলে শরীরের অনেক ক্ষতি হয়। এছাড়াও আম থেকে অনেক ক্ষতি হতে পারে, যেমন –

ত্বক জ্বালা – নানান সমস্যা হয় এই আমের আঠা থেকে। আম খাওয়ার সময় সবসময় খেয়াল রাখতে হবে আমের আঠা যেন কোনোভাবেই মুখে না লেগে যায়।

অ্যালার্জি – অ্যালার্জি থাকলে আম খাওয়া একবারেই উচিত নয়। ব্রন, রাশ, চুলকানির সমস্যা দেখা দিতে পারে আম খেলে। তাই এক্ষেত্রে আম থেকে দূরে থাকাই ভালো।

ব্লাড সুগার – যাদের ব্লাড সুগার আছে তাদের আম খাওয়া কখনোই উচিত নয়, কারন আমের মধ্যে চিনির পরিমাণ খুব বেশী থাকে। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাই আম খান মেপে মেপে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

হজমের সমস্যা – খুব বেশী পরিমাণে আম খেলে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বদহজম, পেট ফোলা, গ্যাসের মত বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে আম খেলে।

বাতের ব্যথা – অনেক সময় দেখা যায় আম খেলে বাতের ব্যাথা খুব বেশী বেড়ে যায়। কারন আমের মধ্যে শর্করা, চিনি খুব বেশী পরিমানে থাকে। তাই যাদের বাতের ব্যাথা আছে তারা আম কম খান, আম বেশী খেলে নিজেদেরই ক্ষতি।

যদি আম খেতেই হয় তাহলে আম চিবিয়ে না খেয়ে জুস করে খান। এর ফলে আমের মধ্যে থাকা ফাইবার গুলো নষ্ট হয়ে যায়। ফলে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় আমের ফাইবারের গুণাগুণ পাওয়া যায় না।



এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.oddbangla.com

Saturday, 17 April 2021 07:13

মৌসুমি রাজশাহীর আম

Written by

গেল বছরে অতিরিক্ত বৃষ্টি এবং আম পরিপক্ব হওয়ার আগমুহূর্তে আম্ফান ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। ঝরে গিয়েছিল প্রায় এক তৃতীয়াংশ আম। ঝড়ের কারণে পড়ে যাওয়া আম অবিক্রীত থাকায় সব মিলিয়ে বিরাট ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন আমচাষিরা। অতিরিক্ত বৃষ্টিতে আমের স্বাদ-গন্ধেও বিরূপ প্রভাব পড়েছিল।

তবে এবার এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় রাজশাহীর আমগাছগুলোতে অনেক মুকুল ধরেছে। সেই মুকুল এখন গুটিতে রূপ নিয়েছে। চাষিরা এবার আমের বাম্পার ফলন হওয়ার আশা করছেন।

মুকুল আসার সময় থেকেই গাছের প্রচুর যত্ন নিতে হয়। এ সময় গাছের প্রচুর পানি দরকার। রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকার পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যাওয়ায় আমবাগানে সেচ দিতে হচ্ছে আমচাষিদের। আম উৎপাদনের ক্ষেত্রে মাটির চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো জলবায়ুর প্রভাব।

সূর্যকিরণ এবং বৃষ্টি আম উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। আমচাষি এবং উদ্যোক্তা নাজমুল হক বলেন, বৃষ্টির অভাবে কিছু কিছু গাছে আমের গুটি ঝরে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে বৃষ্টি হলে আমের ভালো ফলন হবে।

গত বছর করোনা পরিস্থিতিতে আমের ভালো দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কা ছিল আমচাষিদের মধ্যে। শেষ পর্যন্ত ই-কমার্সের আশীর্বাদে আমের ভালো দাম পেয়েছিলেন তাঁরা। এ বছর তাঁরা কিছুটা নির্ভার, আমের দাম নিয়ে দুশ্চিন্তা নেই। তবে আম বাজারজাতকরণে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির জন্য সরকারের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.ittefaq.com.bd

রুক্ষ প্রকৃতি। দীর্ঘ দিন দেখা নেই বৃষ্টির। তীব্র তাপদাহে পুড়ছে রাজশাহী। ২০ দিন ধরে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি। এ সময়ে আম ও লিচুর গুটি বড় হয়। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে রাজশাহীতে আম ও লিচুর গুটি ঝরে পড়ছে। জেলার ৯ উপজেলাতেই একই অবস্থা। এর পাশাপাশি ৪ এপ্রিল ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কারণে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ফলে চলতি মৌসুমে আম ও লিচুর ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন আমবাগান মালিক ও চাষিরা। লোকসান ঠেকাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন তারা। গাছের পরিচর্যা করছেন, স্প্রে করছেন ছত্রাকনাশক। গাছের গোড়ায় পানি দিচ্ছেন।

 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্ততর সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীতে গত বছর ১৭ হাজার ৫৭৩ হেক্টর জমিতে আম চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। চলতি বছর ৩৭৩ হেক্টর বেড়ে ১৭ হাজার ৯৪৩ হেক্টর জমিতে আম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে হেক্টর প্রতি ১১ দশমিক ৯ মেট্রিক টন। মোট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা দুই লাখ ১৯ হাজার মেট্রিক টন। অপর দিকে জেলায় ৫১৯ হেক্টর জমিতে লিচু চাষ হয়েছে। এ থেকে মোট লিচু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে দুই হাজার ৯৬৬ মেট্রিকটন।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক লতিফা হেলেন জানান, ১৪ এপ্রিল রাজশাহীতে তাপমাত্রা ছিল ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি চলতি মৌসুমে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। এর আগের দিনও রাজশাহীতে ৩৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এতে স্বাভাবিকভাবেই রাজশাহী তাপদাহে পুড়ছে। এ ছাড়া আপাতত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই বলেও জানান এ আবহাওয়া পর্যবেক্ষক।

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় সবচেয়ে বেশি আমবাগান রয়েছে। এ উপজেলার মনিগ্রাম এলাকার আম ব্যবসায়ী এবং চাষি আবদুল গাফ্ফার বলেন, আমার প্রায় ৮০ বিঘা জমিতে আমবাগান রয়েছে। প্রতি বছরই আমচাষ করি। কিন্তু এ বছরের মতো প্রতিকূলতার মধ্যে পড়িনি। মৌসুমের শুরুতে গাছে গাছে মুকুল ছিল ভরা। গুটিও এসছিল ভালো। কিন্তু তাপমাত্রা বেশির হওয়ায় গুটি ঝরে পড়ছে। গাছের শতকরা প্রায় ৪০ ভাগ গুটি নেই। সামনে আছে কালবৈশাখীর থাবা। ফলে এ বছর আমের ফলন বিপর্যয় ঘটবে।

দুর্গাপুর উপজেলার কানপাড়া গ্রামের আমচাষি আবদুর রহিম বলেন, গত পাঁচ মাস ধরে বৃষ্টি নেই। পাশাপাশি তাপমাত্রা বেশি। চার দিকে পানির জন্য হাহাকার। আমবাগান শুকিয়ে চৌচির। গাছের গোড়া শুষ্ক থাকলে গুটি টিকবে না। তার পরেও সেচ দিয়ে পানির ব্যবস্থা করছি। কিন্তু কিছুতেই গুটি টিকছে না। ইতোমধ্যে বাগানের সব গাছের অর্ধেক গুটি পড়ে গেছে। বাকি গুটি টেকানোর জন্য কীটনাশক ও বিভিন্ন ধরনের বালাইনাশক দিয়ে গাছ ধুয়ে দিচ্ছি। কিন্তু বৃষ্টি না হলে এবার আমের ফলন বিপর্যয় ঘটবে। রাজশাহীর আমচাষিরা উৎপাদন ব্যয়ও তুলতে পারবেন না।

বাগমারা উপজেলার তাহেরপুর পৌর সদরের লিচুচাষি আবদুল আলিম বলেন, আমি নয় বিঘা বাগান ইজারা নিয়েছি। গাছ আছে ৮১টি। সব গাছেই কমবেশি লিচুর গুটি ছিল। কিন্তু বৃষ্টি নেই, তাপমাত্রা বেশি। এ কারণে প্রতিটি গাছের শতকরা ৬০ ভাগ গুটি ঝরে গেছে। সব মিলিয়ে এবার প্রায় তিন লাখ টাকা লোকসান হবে।

মহানগরী বড় বনগ্রাম এলাকার লিচুচাষি আফজাল ইসলাম বলেন, আমার ২০ বিঘা জমিতে দেশি এবং বোম্বাই জাতের লিচুগাছ রয়েছে। কিন্তু গুটি ঝরে গেছে। ইতোমধ্যে ইজারার টাকাসহ গাছের পরিচর্যায় প্রায় পনেরো লাখ টাকা খরচ করে ফেলেছি। কিন্তু লিচু বিক্রি করে ইজারার টাকাই উঠবে না। কয়েক লাখ টাকা লোকসান হবে। আমার মতো রাজশাহীর অন্য লিচুচাষিরও একই অবস্থা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কেজেএম আবদুল আউয়াল বলেন, রাজশাহীতে পাঁচ মাস ধরে বৃষ্টি নেই। ফলে পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। তাপমাত্রাও বেশি। অতিরিক্ত ক্ষরার কারণে আম-লিচুর গুটি ঝরে যাচ্ছে। বাগানের মাটি শুকিয়ে গেলে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য জেলার আম ও লিচুচাষিদের সব ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আশা করছি আমাদের পরামর্শ নিয়ে চাষিরা লাভবান হবেন।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.jugantor.com

গরমে নাজেহাল অবস্থা। হাঁসফাঁস করছে মানুষ। গরমকাল আসলেই অনেকেরই মনে হয় কেন এই কাল তৈরি হয়েছিল? আর এই গরম মানেই আমের মরশুম। কাঁচা হোক বা পাকা, আম সকলেরই প্রায় প্রিয়। হরেক রকম পদ তৈরি করা যায় এর থেকে। আমের চাটনি, আমের শরবত, আমপান্না, আমের মিল্কশেক থেকে আমের আচার।

জানেন কি অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টিরও কিন্তু আম খুব পছন্দের একটি ফল। অন্তত অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম পোস্ট কিন্তু সেকথাই বলছে। তাই তিনি অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন তাঁর পছন্দের ম্যাঙ্গো মুজের একটি সহজ রেসিপি।

পাশাপাশি তিনি এই ভিডিওর ক্যাপশনে লিখেছেন, ”ফলের রাজা আম আবার এই মরশুমে ফিরে এসেছে। আমি মরশুমের ফলের রেসিপি বানাতে ভালবাসি। প্রত্যেকের একটা উপকারিতা রয়েছে। আমের মধ্যে অনেক ফাইবার আছে, যা হজমশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে।”

 

 রেসিপি-  চিনি ছাড়াই ম্যাঙ্গো মুজ তৈরি করলেন তিনি। কারণ শিল্পা নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে খুব সচেতন। তাই চিনি বাদ। অভিনেত্রীর সহজ রেসিপিতে প্রথমে, দু’টো মাঝারি সাইজের আম টুকরো টুকরো করে কেটে নিয়েছেন তিনি। তাতে অল্প মধু মিশিয়ে আমগুলো প্রথমে চটকে একটা মণ্ড বানিয়েছেন।

 

একটা পাত্রে অর্ধেক কাপ লো-ফ্যাট ক্রিম ঢেলে হ্যান্ড ব্লেন্ডারের সাহায্যে ফেটিয়ে নিন। ক্রিম ফ্যাটানোর সময় পাত্রর নীচে বরফজল ভরা একটি পাত্র রেখে দিন। একটু ফুলে ওঠা পর্যন্ত এবং ক্রিম নরম তুলতুলে হয়ে ওঠা অবধি ফ্যাটাতে থাকুন। এরপর আমের মণ্ডটা মিশিয়ে ফেলুন। ফ্রিজে আধ ঘণ্টা থেকে ৪০ মিনিট রেখে দিন। এরপর পরিবেশন করুন ‘ম্যাঙ্গো মুজ’।

বাজারে এখন খুব সহজেই পাওয়া যায় কাচা আম। খেতে টক স্বাদের হলেও কাচা আম স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। অনেকেই হয়তো জানেন না, পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমের পুষ্টিগুণ বেশি। এই অস্বস্তিকর গরমে প্রাশান্তি পেতে এক ফালি কাঁচা আমই যথেষ্ট। অনেকেই কাচা আমের আচার, জুস, চাটনি, সস, জ্যাম এবং ফলি হিসেবে খেয়ে থাকেন। তবে সবচাইতে আকর্ষণীয় হচ্ছে কাঁচা আমের ভর্তা।

এই গরমে কাঁচা আমের স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা জানলে আপনি বুঝতে পারবেন কাঁচা আম খাওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা। কাঁচা আম প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন, মিনারেল ও পানিতে ভরপুর। চলুন এবার জেনে নেয়া যাক কাঁচা আমের কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে-

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

যেকোনো ভাইরাস ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়ক কাচা আম। কাঁচা আম বিভিন্নভাবে খাওয়া যায়। কেউ আঁচার বানিয়ে, ভর্তা বা জুস বানিয়েও খেয়ে থাকেন। তবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাঁচা আম খেতে হবে এই পদ্ধতিতে। জেনে নিন উপায়-

প্রথমে একটি কাঁচা আম কেটে ধুয়ে নিন। এবার এর সঙ্গে ২ কোয়া রসুন, এক ইঞ্চি আদা, ছোট একটি পেঁয়াজ, একটি টমেটো, এক টেবিল চামচ ডালিমের বীজ, ১০টি কারি পাতা, সামান্য আজওয়ান, ২ টি কাঁচা মরিচ, ৫ থেকে ৬ টা তুলসি পাতা এবং সামান্য বিট লবণ নিন। সবকিছু একসঙ্গে পেস্ট বানিয়ে নিন। প্রতিবেলায় খাওয়ার সময় এটি এক চামচ হলেও খান।

পানির ঘাটতি রোধ করে

গরমে আমাদের শরীর থেকে অনেক পানি বের হয়ে যায়। শরীরের তৃষ্ণা মেটানোর জন্য এবং পানির ঘাটতি পূরণের জন্য সামান্য লবণ দিয়ে কাঁচা আম খান।

পেটের সমস্যা দূর করে

গরমের সময় বেশিরভাগ মানুষের পেটে সমস্যা হতে দেখা যায়। ডায়রিয়া, আমাশয় ও বদহজমের মত সমস্যাগুলোর বিরুদ্ধে কাজ করে এবং খাদ্য হজমে সহায়ক কাঁচা আম। অন্ত্রকে পরিষ্কার করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য থেকেও মুক্তি দেয় কাঁচা আম।

ঘাম কমায়

গরমের ঘাম হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে অতিরিক্ত হলে তা খুবই অস্বস্তিকর। এসময় কাঁচা আমের জুস খেয়ে ঘামের মাত্রা কমানো যায়। অতিরিক্ত ঘামের ফলে সোডিয়াম ক্লোরাইড এবং আয়রন কমতে শুরু করে। এই প্রক্রিয়াকে প্রতিরোধ করে কাঁচা আম।

ঘামাচি প্রতিরোধ করে

গরমে সবচেয়ে বিরক্তিকর একটি সমস্যা হচ্ছে ঘামাচি। ঘামাচির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সবচেয়ে ভালো উপায় কাঁচা আম খাওয়া। কাঁচা আমে এমন কিছু উপাদান আছে যা সান স্ট্রোক হতে বাধা দেয়।

ওজন কমায়

আমাদের সমাজে মুটিয়ে যাওয়া মানুষের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। এই মানুষগুলোর জন্য ওজন কমাতে কাঁচা আম এক দারুণ ফর্মুলা। অন্যান্য ফল থেকে কাঁচা আম বেশি কার্যকর, এমনকি পাকা আম থেকেও। কেননা পাকা আমে চিনি বেশি থাকে যা ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে। আর মিষ্টি আমের চেয়ে কাঁচা আমে চিনি কম থাকে বলে এটি ক্যালরি খরচে সাহায্য করে।

অ্যাসিডিটির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে

খাদ্যাভ্যাসের জন্য বেশিরভাগ মানুষই এসিডিটির সমস্যায় ভুগে থাকেন। কাঁচা আম খেলে অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। বলা চলে, ওষুধ গ্রহণ ছাড়াই আপনার হজমে সাহায্য করবে কাঁচা আম।

স্কার্ভি ও মাড়ির রক্ত পড়া প্রতিরোধ করে

কাঁচা আম আপনার শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি সরবরাহ করে। স্কার্ভি, অ্যানেমিয়া ও মাড়ির রক্ত পড়া কমায় কাঁচা আম। কাঁচা আমের পাউডার বা আমচুর স্কার্ভি নিরাময়ে অত্যন্ত কার্যকরী।

মুখের স্বাস্থ্য রক্ষা করে

সবুজ কাঁচা আম খাওয়া মাড়ির জন্য উপকারী। এটি শুধু মাড়ির রক্ত পড়াই বন্ধ করেনা নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ এবং দাঁতের ক্ষয় রোধ করে।

মর্নিং সিকনেস এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে

বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের মর্নিং সিকনেস দূর করতে চমৎকারভাবে কাজ করে কাঁচা আম। সামান্য লবণ মাখিয়ে কাঁচা আম খেলে বমি বমি ভাব দূর হয়।

দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়

কাঁচা আম আলফা ক্যারোটিন ও বিটা ক্যারোটিনের মত ফ্লাভনয়েড সমৃদ্ধ। এই সব উপাদান দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে ও দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়।

লিভারের সবচেয়ে ভালো বন্ধু

লিভারের রোগ নিরাময়ের একটি প্রাকৃতিক উপায় হচ্ছে কাঁচা আম। যখন কাঁচা আম চিবানো হয় তখন পিত্ত থলির এসিড ও পিত্ত রস বৃদ্ধি পায়। এর ফলে যকৃতের স্বাস্থ্য ভালো হয় এবং অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার ইনফেকশন পরিষ্কার করে।

রক্তের সমস্যা দূর করে

শরীরের কোষকে উজ্জীবিত করে কাঁচা আম। এছাড়া রক্তনালীর স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি ও নতুন রক্ত কোষ গঠনে সহায়তা করে এটি। বিভিন্ন রকমের রক্তের সমস্যা যাদের থাকে যেমন- রক্তশূন্যতা, ব্লাড ক্যান্সার, রক্তক্ষরণের সমস্যা ও টিউবারকোলোসিসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে কাঁচা আম।

এনার্জি প্রদান করে

আপনি কি জানেন কাঁচা আম আপনাকে প্রচুর এনার্জি দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে দুপুরের খাওয়ার পরে কাঁচা আম খাওয়া আপনার তন্দ্রা কাটিয়ে উজ্জীবিত হতে সাহায্য করে।

ত্বক ভালো রাখে

এই গরমে আলাদা করে ত্বকের যত্ন নেয়া দরকার। নইলে ত্বকের জেল্লা হারিয়ে যাবে। তবে চিন্তার কিছু নেই, এই মৌসুমে আপনার সেই মুশকিল আসান করতে রয়েছে কাঁচা আম। ত্বক ভালো রাখতে কাঁচা আম খান।

ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য

ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য কাঁচা আম আশীর্বাদ স্বরূপ। ডায়াবেটিস কমাতে কত চিন্তা, কত চেষ্টা অথচ কাঁচা আম কিন্তু কাজটা একেবারে সহজ করে দেয়। শরীরের চিনি কমিয়ে দেয়। ডায়াবেটিক রোগীরা ভাতের সঙ্গে কাঁচা আম খেতে পারেন। এতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।

দাঁত ভালো রাখে

দাঁতের যত্নে কাচা আম খেতে পারেন। কাঁচা আম মাড়ির জন্য খুব ভালো। মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ ও দাঁতের ক্ষয়রোধ করতে কাঁচা আম উপকারী।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.dainikbogura.com/

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে বিষাক্ত কেমিক্যাল দিয়ে পাকানোর অভিযোগে ৪৯ ক্যারেট আম জব্দ করে নষ্ট করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কালীগঞ্জ উপজেলার ডাকবাংলো মোড়ে পিকআপের চাকায় পিষে এসব আম নষ্ট করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার রবিউল ইসলাম, কালীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক মিজানুর রহমান, কালীগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাইফুল বারী সফু প্রমুখ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খন্দকার রবিউল ইসলাম জানান, কাঁচা আম বিষাক্ত কেমিক্যাল দিয়ে পাকিয়ে বাজারজাতকরণের চেষ্টা করা হচ্ছে- এমন অভিযোগ পাওয়া যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় গত বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার নলতা ইউনিয়নের কাশিবাটি গ্রামের মৃত মনিরউদ্দিনের ছেলে মোস্তাক আহম্মেদের বাড়ি থেকে এসব আম জব্দ করে পুলিশ। তা খাওয়ার অনুপযোগী হওয়ায় নষ্ট করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, মোস্তাকসহ চারজন প্রতি বছর কেমিক্যাল দিয়ে আম পাকিয়ে বাজারজাত করে আসছিল।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://samakal.com

সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধা কোহিনুর বেগম। আদি বাড়ি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার রানাঘাট এলাকায়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি বাবা-মাসহ নদীয়া জেলার বগলুতে আসেন তার ফুফুর বাড়িতে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সেখান থেকে যোগাযোগের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তান সীমান্ত এলাকা যশোরের পুটখালীর ইছামতী নদীর পাড়ে গাতিপাড়া গ্রামে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে কোহিনুরের আর রানাঘাট এলাকায় যাওয়া হয়নি। তবে বেঁচে থাকা পর্যন্ত তার বাবা-মা মাঝেমধ্যে গাতিপাড়া গ্রামে এসে দেখা করে যেতেন। বিয়ের পর থেকে কোহিনুরের কাছে গাতিপাড়া গ্রাম অন্য দেশের গ্রাম বলে মনে হতো না। শ্বশুরবাড়ির পাশেই যে বাড়ি, সেটি ভারতের তেরঘর গ্রামে পড়েছে। তেরঘরের মোটামুটি সবার বাড়িতেই যাতায়াত ছিল কোহিনুরের। কিন্তু ২০০৮ সালে তেরঘর ও গাতিপাড়া গ্রামের মধ্যে বাঁশের বেড়া দিয়ে সীমানা তোলা হয়। দুই গ্রামের পুরাতন বাঁশঝাড়ও সীমানাপ্রাচীরের কারণে দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেছে। এদেশের আমবাগানের অনেক গাছের ফল পড়ছে এখন ভারতের তেরঘর গ্রামের মাটিতে! কেবল আম নয়, নারিকেল, বেল, কদবেল, বরইসহ পুরাতন গাছের গোড়া ঠিকই গাতিপাড়া গ্রামে। কিন্তু অন্য অংশ তেরঘর গ্রামে।

চৈত্রের দুপুরে বাড়ির হেঁসেলে বসে কোহিনুর এমন কথা জানালেন। সেখানে দাঁড়িয়ে ওপারে বাঁশের বেড়ার সীমানাপ্রাচীর দেখা যায়। ওটাই ভারতের তেরঘর গ্রাম। কোহিনুর বলেন, ‘আগে ভাইবোনেরা আসত দেখা করতে। সীমানাপ্রাচীর দেওয়ার পর সব বন্ধ হয়ে গেছে। কত দিন ধরে নিজের ভাইবোনদের দেখি না। দেখার সুযোগও নেই।’

ইছামতী নদীর বাংলাদেশ পাড়ে ভারতের গ্রামটিতে ১৩টি পরিবার থাকত বলে এটাকে তেরঘর গ্রাম বলা হয়। আগে এই গ্রামের সবারই যাতায়াত ছিল যশোর এলাকায়। নৌকা বেয়ে ইছামতী নদী পেরিয়ে নদীয়া জেলা শহর প্রায় ৬০ কিলোমিটার পথ। এর চেয়ে তারা পুটখালী বাজার ও বেনাপোল বাজারে দৈনিন্দন চাহিদা মেটাতেন। তেরঘর গ্রামের সঙ্গে আত্মীয়তার বন্ধন ছিল। সীমানাপ্রাচীর দেওয়ার পর তারা এখন ইছামতী নদী পাড়ি দিয়ে নদীয়া ও বনগাঁয়ে যাতায়াত করেন।

গাতিপাড়ার কামাল উদ্দিন নামে এক বাসিন্দা বলেন, আগে তেরঘর গ্রাম দিয়ে বাংলাদেশে অবাধে শাড়ি, মূল্যবান কাপড়, মসলা, ফেনসিডিল, লবণ, চিনি এমনকি বিস্ফোরক উপাদান পর্যন্ত পাচার হতো। বছর তেরো আগে বাঁশের বেড়া দিয়ে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা হয়। গাতিপাড়া গ্রামে বিজিবির একটি বিওপি স্থাপন করা হয়। এরপর থেকে চোরাচালান বন্ধ হয়ে গেছে।

গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে গাতিপাড়া গ্রামে এই প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় গ্রামের শান্তা বেগমের। তার বাড়ির গোসলখানার পাশ দিয়ে বাঁশের বেড়ার সীমানাপ্রাচীর। বাড়ির প্রবেশগেটের ঠিক চার-পাঁচ হাত সামনেই তেরঘর গ্রাম। বাড়ির উঠানের সামনে আরেকটি দেশের গ্রাম ও তাদের চলাচল, কেমন লাগে জানতে চাইলে শান্তা বলেন, ‘আমার শ্বশুর-শাশুড়ির অনেক আত্মীয়স্বজনের বাড়ি ইছামতী নদীর ওপারে ভারতের কালিয়ানী গ্রামে। এই বাড়ির বউ হয়ে আসার পর থেকে তাদের কখনোই আসতে দেখিনি। তবে শ্বশুর-শাশুড়ির মুখ থেকে তাদের গল্প শুনেছি।

গাতিপাড়া গ্রামের এক পাশ জুড়ে আমের বাগান। গাছে গাছে গুটি আম ঝুলে আছে। আরেক দিকে বাঁশঝাড়, যেটি সীমানাপ্রাচীর দিয়ে দুই ভাগ করা হয়েছে। এক অংশ পড়েছে বাংলাদেশে, অপরটি ভারতে। বাগানের আমগাছগুলো দেখিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা সয়ের আলী বলেন, বাগানের আম নামানোর সময় কোনো সমস্যা হয় না। ওপারে আম পড়লে আমরাই গিয়ে নিয়ে আসি। ওরা কোনো ঝামেলা করে না। তবে ইছামতী নদীর ওপারে ভারতের সীমান্ত ঘেঁষে আমার তিন বিঘা জমি আছে। ওই জমিতে চাষাবাদ করতে পারি না ঝামেলার কারণে।

 তেরঘর গ্রামে ১০-১২টি পাকা বাড়ি। এক বাড়ির খোলা গোসলখানায় কাপড় পরিষ্কার করছিলেন নারীরা। এক নারীকে ‘দিদি’ সম্বোধন করে বলা হলো, ‘আমরা বাংলাদেশ থেকে এসেছি। কেমন আছেন?’ তিনি উত্তরে বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে কথা বলছি এটা জানতে পারলে বিএসএফ এসে ঝামেলা করবে।’ বিজিবির বিওপিতে উপস্থিত জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম জানান, নোম্যান্স ল্যান্ড অতিক্রম করে বাংলাদেশের কেউ ওপারে যায় না। ওরাও কেউ আসে না।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.ittefaq.com.bd

Page 2 of 49