x 
Empty Product

উত্তরের জেলা নওগাঁর আম বাগানগুলোর বাতাসে বিভিন্ন জাতের আম মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে ভরে উঠেছে। সবুজের সমারোহের মাঝে এই মুকুলগুলোই সুঘ্রাণ জানান দেয় আম মৌসুমের আগমনী বার্তার। জেলার ছোট-বড় বাগানগুলোতে গেলে দেখা মিলে আমের মুকুলের মনোরম দৃশ্য। মুকুলে মুকুলে ছেয়ে গেছে নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চলের আম বাগানগুলো। আর আমের মুকুলের ঘ্রানে মৌ মৌ করছে প্রকৃতি। মুকুলের ঘ্রাণে বিমোহিত সকলের মন।

এবার জেলায় শীতের প্রকোপ কিছুটা কম থাকায় বেশ আগে থেকেই মুকুলে মুকুলে শোভা পাচ্ছে পুরো জেলার আম বাগানগুলো। মৌমাছির গুনগুন শব্দে ফুলের রেণু থেকে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত এছাড়াও প্রজাপতিরা এক ফুল থেকে আরেক ফুলে পদার্পন এ যেন সত্যিই এক মনোমুগ্ধকর ও অপরুপ প্রাকৃতিক দৃশ্য। ছয় ঋতুর এই বাংলাদেশে পাতাঝড়া ষড়ঋতুর রাজা বসন্ত। আবহমান বাংলার সৌন্দর্যের রাজা বলে পরিচিত গ্রীষ্মকাল। ফাগুনের ছোঁয়ায় পলাশ-শিমুলের বনে লেগেছে আগুন রাঙা ফুলের মেলা। শীতের জড়তা কাটিয়ে কোকিলের সেই সু-মধুর কুহুতানে মাতাল করতে আবারও ফিরে এলো বাংলার বুক মাতাল করতে ঋতুরাজ বসন্ত। রঙিন-বন ফুলের সমারোহে প্রকৃতি যেমন সেজেছে বর্ণিল সাজে। তেমনি নতুন সাজে যেন সেজেছে নওগাঁর ১১টি উপজেলার আম বাগানগুলো। আমের মুকুলে ভরপুর আর ঘ্রাণে নওগাঁর সকল উপজেলায় সর্বত্র জানান দিচ্ছে বসন্তের আগমনী বার্তা। শোভা ছড়াচ্ছে নিজস্ব মহিমায়। মুকুলে মুকুলে ভরে গেছে বাগানগুলো। প্রায় ৮০ শতাংশ গাছেই এসেছে মুকুল। তাই ব্যাস্ত সময় পার করছেন বাগান মালিকরা।

বাগান মালিকরা বলেন, এবার আবহাওয়া কিছুটা অনুকুলে থাকায় আমের মুকুলে রোগবালাই আর পোকার আক্রমণ কম থাকায় গাছে মুকুলও এসেছে বেশ। আর এই মুকুল গাছ থেকে ঝড়ে না যাওয়ার জন্য চলছে নিয়মিত পরিচর্যা। তবে শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া ভালো থাকলে আমের বাম্পার ফলন হবে এমনটি আশা করছেন তারা। এছাড়াও এই জেলার আমের গুনগত মান ভালো হওয়ার কারণে আম অত্যন্ত সুস্বাদু এবং এই জেলার আম বিদেশসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানি হয়ে থাকে। এছাড়া এবার চাঁপাইনবাবগঞ্জকে ছাড়িয়ে যাবে এই জেলার আম বলে আশা করছেন বাগান মালিকরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানান, নওগাঁ একটি বরন্দ্রে অঞ্চল। এই অঞ্চল ধান চাষের জন্য বিখ্যাত। কিন্তু এখন কৃষকরা পানির স্বল্পতা এবং আম চাষের জন্য মাটি উপযোগী ও আম চাষ লাভজনক হওয়ার কারণে ধান চাষ ছেড়ে আম চাষের দিকে ঝুঁকছেন। যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এ বছর আবহাওয়া অনুকুলে থাকলেও আম চাষের লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলেও মনে করেন
তিনি।

এছাড়াও কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে আম চাষিদের যথাযথ পরামর্শ ও পরিচর্ষার বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। এ বছর জেলায় প্রায় ২০ হাজার হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমিতে বেমি। সবচেয়ে পোরশা, সাপাহার, নিয়ামতপুর, পত্নীতলা ও ধামইরহাটে আম চাষ বেশি হয় বলেও জানান তিনি।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.breakingnews.com.bd

 

‘আয় ছেলেরা, আয় মেয়েরা ফুল তুলিতে যাই, ফুলের মালা গলায় দিয়ে মামার বাড়ি যাই। ঝড়ের দিনে মামার দেশে আম কুড়াতে সুখ। পল্লীকবি জসীম উদ্দিনের ‘মামার বাড়ি’ কবিতার পংক্তিগুলো বাস্তবরূপ পেতে বাকি রয়েছে আর মাত্র কয়েক মাস। তবে সুখের ঘ্রাণ বইতে শুরু করেছে।

 

কুড়িগ্রামের উলিপুরে গাছে গাছে ফুটছে আমের মুকুল। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে এই মুকুলের ঘ্রাণ। বাতাসে মিশে সৃষ্টি করছে মৌ মৌ গন্ধ। যে গন্ধ মানুষের মনকে বিমোহিত করে। পাশাপাশি মধুমাসের আগমনী বার্তা শোনাচ্ছে আমের মুকুল।

সরেজমিনে দেখা যায়, উলিপুরের বিভিন্ন এলাকায় আমের সারি সারি গাছে শোভা পাচ্ছে কেবলই মুকুল। এ যেন হলুদ আর সবুজের মহামিলন। মুকুলে ছেয়ে আছে গাছের প্রতিটি ডালপালা। চারদিকে ছড়াচ্ছে সেই মুকুলের সুবাসিত পাগল করা ঘ্রাণ। তবে আমের ফলন নির্ভর করছে আবহাওয়ার উপর। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন স্থানীয়রা।

 

এদিকে মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মুকুলে ভরে গেছে বাগানসহ ব্যক্তি উদ্যোগে লাগানো আম গাছগুলোতে। তবে বড় আকারের চেয়ে ছোট ও মাঝারি আকারের গাছে বেশি মুকুল ফুটেছে।

 

উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকে জানা যায়, মুকুলের যথাযথ পরিচর্যা না করলে মুকুল ঝরে গিয়ে আমের ফলন ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.ppbd.news

 

বসন্ত আর আমের মুকুল যেন একই সুতোয় গাঁথা। আমের মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণে এখনই মৌ মৌ করতে শুরু করেছে চারিদিক। শহর, গ্রাম সব জায়গাতেই সমানতালে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে স্বর্ণালি মুকুল। ঋতুবৈচিত্রে আমের শহর সাতক্ষীরার সবুজ প্রকৃতিও সেজেছে একইভাবে। বছরের নির্দিষ্ট এই সময়জুড়ে তাই চাষি তো বটেই, কমবেশী সব শ্রেণির মানুষেরও দৃষ্টি থাকে সবুজ পাতায় ঢাকা আমগাছের শাখা-প্রশাখায়।

 

সদ্য মুকুল ফোটার এমন দৃশ্য এখন ইট-পাথরের শহর থেকে শুরু করে বিস্তৃত সাতক্ষীরা দেবহাটার গ্রামীণ জনপদেও। জেলার প্রায় সব এলাকাতেই এখন প্রচুর আমবাগান রয়েছে। সাতক্ষীরার এসব বাগানে আম গাছ ভরে গেছে মুকুলে। মাঘ মাসের প্রথম থেকেই আম গাছের মুকুল পরিচর্যায় কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।

 

সাতক্ষীরা সদরের ইটাগাছা গ্রামের কৃষক অজিত আলী বলেন, ১১ বিঘা জমিতে শতাধিক আম গাছ রয়েছে। এবার মাঘ মাসের প্রথম থেকেই আম গাছে মুকুল ধরা শুরু করে। ফাল্গুন মাসের কয়েকদিন কেটে গেলেও অনেক গাছে এখনো ভালভাবে মুকুল আসেনি। তবে কিছুদিনের মধ্যেই অধিকাংশ গাছে মুকুল ভরে যাবে বলে তিনি আশাবাদী।

 

তিনি জানান, এবার কুয়াশা না হওয়ায় মুকুল নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে কাঙ্খিত আমের ফলনের লক্ষ্যে শুরু থেকেই গাছ ও মুকুলের পরিচর্যা করছেন তিনি। তার বাগানে ল্যাংড়া, হিমসাগর ও আম্রপালি জাতের আম গাছ রয়েছে।

 

তালা উপজেলার গোপালপুরের সুমন রায় গণেশ বলেন, এখন আর কপোতাক্ষের দু’তীর ছাপিয়ে পড়া পানিতে এলাকা প্লাবিত হয় না। ফলে সবজি চাষের পাশাপাশি আম গাছের ফলনও ভাল হয়। এবার তাদের ১৩টি আমগাছে ভাল মুকুল ধরেছে। মুকুল যাতে ঝরে না যায় সেজন্য ইতোমধ্যেই তিন থেকে চার বার গাছে স্প্রে করেছেন।

 

তিনি আরো বলেন, গাছে যে পরিমান মুকুল ধরেছে তাতে মৌমাছি বসায় তাড়াতাড়ি গুটি ধরবে। গুটি যাতে ঝরে না যায় সে জন্য গাছের গোড়ায় পানি দেয়ার পাশপাশি স্প্রে করা হচ্ছে হর্মন ও ডিডিটি। তার বাগানে হিম সাগর, ল্যাংড়া, গোপালভোগ আম গাছ রয়েছে। প্রাকৃতিক বিপর্যয় না হলে গত বারের তুলনায় ফলন বেশী হবে।

 

গাছে ভাল মুকুল ধরার কথা বললেও কলারোয়া, দেবহাটা, কালিগঞ্জ ও সাতক্ষীরা সদরের প্রত্যন্ত অঞ্চলের আম চাষীরা জানালেন ভিন্ন কথা।

 

তারা বলেন, অন্য বছরে এই সময়ে সারা গাছ মুকুলে মুকুলে ছেয়ে যায়। জলবায়ুপরিবর্তনের কারণে ঠিক সময়ে বৃষ্টি না হওয়া ও শীত না পড়ায় এবার আমের ফলন কম হবে। তাছাড়া বিদেশে আম পাঠানোর নামে তারা যে প্রস্তুতি নেন বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটে না। ফলে কৃষি বিভাগের সুপারিশক্রমে অধিক খরচ করে বিদেশে আম পাঠাতে না পেরে ক্ষতিগ্রস্ত হন কৃষকরা।

 

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামার বাড়ি) উপ-পরিচালক অরবিন্দ কুমার বিশ্বাস বলেন, গত বছর জেলায় চার হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে আম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে পাঁচ হাজার ২৯৯ টি আম বাগানে উৎপাদন হয় ৪০ হাজার মেট্রিক টন আম।আম চাষী ছিল ১৩ হাজার ১০০ জন। গত বছর ২৫০ মেট্রিক টন আম বিদেশে রপ্তানি করা হয়। এবার চার হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে আম চাষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

তিনি আরো বলেন, বিদেশে আম পাঠানোর লক্ষ্যে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। পোকা মাকড়ের আক্রমণ ও মুকুল ঝরা প্রতিরোধে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আম চাষে উৎসাহী করতে কৃষকদের বিভিন্ন সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হচ্ছে। যেসব গাছে এখনো আমের মুকুল আসেনি সেসব গাছে খুব শীঘ্রই মুকুল এসে যাবে।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: http://www.bbarta24.net

আখের পাতায় আগুন দিতে গিয়ে পুড়ে সাফ হয়ে গেল প্রায় ৫ শতাধিক আম গাছ। ঘটনাটি শুক্রবার দুপুরে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার বলাবাড়িয়া গ্রামের মাঠে। এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার বলাবাড়িয়া গ্রামের হাসানের ছেলে আয়ুব হোসেন নিজের জমিতে আখ কেটে নেয়ার পর আখের শুকনা পাতা পরিস্কারের জন্য বেলা ১টার সময় আখের পাতায় আগুন লাগিয়ে দেয়। এ সময় মাঠের বাতাসে সেই আগুন পার্শ্ববর্তী শান্তি কাজী, সোহরাব কাজী, সিদ্দিক কাজী, মধু শেখ, আলম শেখ, সাইফুল শেখের আম বাগানে ছড়িয়ে পড়ে। ভূক্তভোগী শান্তি কাজীর ভাই অমেদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, দুপুরের রোদে আম বাগানের নিচের শুকনা পাতায় আগুন ধরে যায়। আগুনে সর্বমোট ৮ বিঘা জমির প্রায় ৫০০ আম গাছ মুকুলসহ ঝলসে নষ্ট হয়ে গেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ায় ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। সেই সাথে গ্রামের শত শত লোকজন আগুন নেভাতে মাঠে নেমে পড়ে। তারা পার্শ্ববর্তী পুকুর থেকে পানি ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে আম বাগানগুলি ঝলসিয়ে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা এসে উপস্থিত হন। তিনি আরো বলেন, ২/৩ বছরের চারা গাছ হলেও আম গাছে মুকুল আসা শুরু হয়েছে। যে কারণে কম করে হলেও ভুক্তভোগীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১০ লক্ষাধিক টাকা। স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের সাব অফিসার প্রদীপ ম-ল বলেন, আমরা পৌঁছানোর আগেই আগুন নিভিয়ে ফেলে গ্রামবাসী। তবে আম বাগান মালিকরা বেশ ক্ষতি হয়েছে। এ ব্যাপারে ওই এলাকার চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান খান বলেন, অসতর্কতার কারণে এমনটি ঘটেছে। যে ছেলেটা এটা করেছে সেও খুবই গরিব। তার দ্বারা ক্ষতিগ্রস্তদের সামান্যতম ক্ষতি পূরণ দেওয়া সম্ভব নয়। তবে গ্রামবাসী সকলে আগুন নেভাতে মাঠে নেমে না পড়লে ওই মাঠের আরও ফলদ বাগান পুড়ে সাফ হয়ে যেত।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: http://deshjanata.com

আমের অঞ্চল হিসেবে সারা বিশ্বে পরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ। অর্থকারি ফসল আম। মূলত এখানকার মানুষের প্রধান আয় হয় আম থেকে। গত কয়েক বছর টানা আমে লোকশানের পর গেল মৌসুম হতে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে চাষীরা। তবে চলতি মৌসুমে প্রাকৃতিক বিপদ যেন পিছু ছাড়ছেনা।

একদিকে কুয়াশা অন্য দিকে ফাগুনের বৃষ্টি। এছাড়াও বিপর্যয় হতে পারে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে।

 

শুক্রবার বিকেল থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় এক রকম মুসুলধারেই হয়ে যাচ্ছে বৃষ্টি। এতে আমের ফলন নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন এখানকার আম চাষীরা। তারা ফাগুনের বৃষ্টিকে ক্ষতির মূল কারন হিসেবে দেখছেনন চাষিরা।

 

আম বাগানী রবিউল আওয়াল জানান, গত কয়েক বছরের টানা লোকসানের পর এবার অনেক আশা নিয়ে গাছের পরির্চযা করেছেন। আবহাওয়া বিরুপ হওয়ার পরেও কিছু গাছে ইত মধ্যে গুটি এসেছে। এছাড়াও বর্তমানে প্রায় ৭ শতাংশ গাছে এখন ফুল রয়েছে। এসব মুকুল পচে নষ্ঠ হয়ে যাবে। আশানুরুপ ফল না হলেও একেবারে পথে বসতে হবে।

 

গোমস্তাপুর আম চাষী শরিফুল ইসলাম জানান, গেল সপ্তাহে হঠাৎ বৃষ্টিতে মুকুলের কিছুটা ক্ষতি হলেও আবহাওয়া ভাল থাকায় তা পুসিয়ে নিতে পেরেছিলাম। কিন্তু বর্তমানে দুই দিন যাবৎ একাধারে বৃষ্টি হওয়ায় গাছের সব ফুল নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

 

এ ছাড়া গাছে হপার পোকা, ছত্রাক ও পাউডারি মিলভিউ নামে আরো একটি রোগ বালাই বাসা বাঁধবে। যা কোন ভাবেই স্প্রে করে দমন করা যাবেনা।

 

এবিষয়ে জানতে চাইলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক উদ্যানতত্ব গবেষনা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড.জমির উদ্দীন জানান, টানা বৃষ্টিতে আমের কিছুটা ক্ষতি হবে। তবে নিষেধ থাকার পরেও ক্ষতি মেটাতে মুকুলে স্প্রে করা যেতে পারে।

 

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় চলতি বছর ৩৩ হাজার হেক্টর জমিতে ২ লাখ ৩৯ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে ৪০ হাজার মেট্রিক টনের কম।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.shadhinalo.com

 

হে কবি নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়/ বসন্তে বরিয়া তুমি লবে না কি তব বন্দনায়/ কহিল সে সিগ্ধ আঁখি তুলি/ দখিণ দুয়ার গেছি খুলি?/বাতাবী লেবুর ফুল ফুটেছি কি? ফুটেছে কি আমের মুকুল?/ দখিণা সমীর তার গন্ধে গন্ধে হয়েছে কি অধীর আকুল? কবি বেগম সুফিয়া কামাল তাহারেই পড়ে মনে বিখ্যাত গীতি কবিতায় এভাবেই বস্তকে স্মরণ করেছেন।

‘আম গাছে ধরল মুকুল নতুন শাখে শাখে/ ফাগুন তাকে সাজিয়েছে নতুন কনের সাঝে/ কত মাছি আসে ছুটে/ কত মধু নেয় যে চুষে/ কত পাখি গাইলো গান/ মুকুলের মন সজীব চঞ্চল’ কবি আবদুর রহমান আকনের ভাষায় আমের মুকুলের মন যেন সজীব চঞ্চল। বাংলা সাহিত্যের অনেক কবি-সাহিত্যিকের হাতে বসন্ত আর আমের মুকুলের সৌন্দর্য রচিত হয়েছে।

 

সময়ের ভেলায় চড়ে নিয়মের নৌকা বেয়ে এ জনপদে প্রতিটি দুয়ারে বেশ আগেই নোঙর করেছে ঋতুরাজ বসন্ত। প্রকৃতিতে বইছে হিমেল পরশ আর মৃদু গরমের বসন্তের আবহাওয়া। বসন্ত মানেই ধরণীতে শিমুল-পলাশসহ হরেক রঙের ফুলের মেলা। এসময়ে গাছে গাছে দেখা যায় আমের মুকুল। ঝিম ধরা দুপুরে মুকুলের গন্ধ আর ফুলে ফুলে ভ্রমর-মৌমাছির ওড়াওড়ির দৃশ্য সত্যিই মনোহর। এমন দৃশ্য বাংলার গ্রাম-গঞ্জের পথে পথে হয়তো হরহামেশাই চোখে পড়ে। ইট-পাথরে গড়া ঢাকা শহরেও সত্তর-আশির দশকে এমন দৃশ্যের হয়তো দেখা মিলত। তবে এখন এ নগরীতে বসন্ত আসে শুধু ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টিয়ে। বসন্তের কোনো আগুন রাঙা ফুল বা আমের মুকুলের মৌ মৌ গন্ধ দেখা যায় না বললেই চলে। তবে ব্যতিক্রম রাজধানীর ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাস।

ঢাকা কলেজে এখনো বসন্তে ফুল ফোটে, কোকিল গান গায় আর প্রেমিক হৃদয়ে লাগে দোলা। এবারও বসন্তে নতুন সাঁজে সেঁজেছে ঢাকা কলেজ। ক্যাম্পাসের একাডেমিক ভবনের পাশে, পুকুর পাড়ে, উত্তর ও দক্ষিণ হল, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস হল এবং ইন্টারন্যাশনাল হলের সামনের আমগাছগুলো মুকুলে ছেয়ে গেছে। পাখির কিচিরমিচির শব্দ আর আমের মুকুলে ভ্রমর-মৌমাছির ওড়াওড়ির দৃশ্য গ্রাম বাংলার ছবি হলেও ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে এখন এমন মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের দেখা মিলবে।

 

ঢাকা শহরের খুব কম স্থানই আছে যেখানে গ্রাম্য পরিবেশের স্বাদ পাওয়া যায়। আর তাইতো শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অবিভাবক এমনকি পথচারীরাও মুগ্ধ এমন দৃশ্যে।

 

রাজধানীর আজিমপুর এলাকায় স্ত্রী, সন্তান, নাতি নাতনী নিয়ে দীর্ঘ পঁচিশ বছর ধরে বসবাস করেন ষাটোর্ধ্ব রেজাউল করিম। ঢাকা কলেজের টেনিস গ্রাউন্ডের আম গাছের মুকুলের দিকে তাকিয়ে রেজাউল করিম যেন হারিয়ে গেছেন তার ছোট্ট বেলায়। এই প্রতিবেদককে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় বসবাস। শৈশবে যখন গ্রামে থাকতাম তখন আম গাছে মুকুলের দেখা মিললে আনন্দের শেষ ছিল না। গাছে আম ধরবে, কাঁচা-পাঁকা আম খেতে পারব। পাশ দিয়েই যাচ্ছিলাম হঠাৎ আমের মুকুল চোখে পড়ায় শৈশবের অনেক স্মৃতি মনে পড়ে গেল। তাই কাছ থেকে দেখতেই এখানে আসলাম।’

স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শাকিল আহমেদ বলেন, ক্যাম্পাস ছুটি না হওয়ায় দীর্ঘদিন গ্রামের বাড়ি যাওয়া হয় না। তাই বসন্তে গ্রামের সেই সৌন্দর্য এবার দেখা হলো না । তবে ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে আম্র মুকুলসহ বিভিন্ন ফুলের সমাহার সেই দুঃখ কমিয়েছে অনকেটা। এই শহুরে এই জীবনে মনে একটু হলেও প্রশান্তি এনে দিয়েছে।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.jagonews24.com

খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে মুকুলে মুকুলে ছেয়ে গেছে হ্লাশিং মং চৌধুরীর দেশি বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির আম গাছে। মহালছড়ি উপজেলাধীন কাটামুড়া নামক ধুমুনিঘাট এলাকায় সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ১৫০০ শত ফুট সু-উচ্চ পাহাড়ে প্রায় ২০ হেক্টর পাহাড়ি জায়গায় তিনি গড়ে তুলেছেন মিশ্র ফলের বাগান। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন প্রকার বনজ ও বিলুপ্ত প্রজাতির গাছ সৃজন করেছেন। তার বাগানে প্রায় ২০ হাজার এর উপরে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রয়েছে ।

এই বাগানে রয়েছে বিচিত্র ফলজ গাছের সমারহ। বিভিন্ন প্রজাতির ফলের মধ্যে আম একটি। এই বারে তার বাগানে ৭০ প্রজাতির আম গাছের মধ্যে গুটি কয়েক বাদে প্রায় সব প্রজাতির আম গাছেই মুকুল এসেছে। গত বছরের তুলনায় এবারে বেশি ফলনে আশাবাদী তিনি। বিভিন্ন প্রজাতির আম গাছের মধ্যে তার সংগ্রহে রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কতৃক উদ্ভাবিত বারি-১ থেকে বারি- ১১ পর্যন্ত জাতের আম, এছাড়াও দেশি বিদেশি বিভিন্ন জাতের মধ্য রয়েছে কিউজাই(থাই), পালমার(ফ্লোরিডা), জাম্বুরা আম(থাই), দোকমাই(থাই), রানী পছন্দ, রেড লেডী(ফ্লোরিডা), সূর্যো ডিম(থাই), ত্রিফলা, চৌফলা(BAU-9), শ্রাবণী-১(BAU-1), শ্রাবণী-২(BAU-2), মাহেলেসা(BAU-14), গৌরমতী, ম্যট্রোস তোতা, আলফানসো, চোষা, পূণা হাইব্রিড ও কেন্ট সহ প্রায় ৭০ প্রজাতির আম গাছ রয়েছে তার বাগানে। বিভিন্ন ফলের মধ্য রয়েছে মালতা বারি-১, সূর্যমুখী কলা সহ বিভিন্ন জাতের কলা, ড্রাগন ফল, আনার ও ডালিম সহ বিভিন্ন রকমের ফলের গাছ।

তার সাথে কথা বলে জানা যায় এই বাগান গড়ে তোলার পিছনের গল্প, শিক্ষিত বেকার যুবকরা যখন চাকরির পিছনে ছুটতে ব্যস্ত, তখন তার একটা স্বপ্ন ছিলো নিজে কিছু করার, তখনি তার মাথায় বুদ্ধি এলো বিজ্ঞানসম্মত ভাবে মিশ্র ফলের বাগান করলে কেমন হয়। যেই ভাবা সেই কাজ, পুরোদমে নিজ ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় শুরু করলেন বাগান গড়ার কাজ, তাও সুমদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৫ শত সু-উচ্চ পাহাড়ে ঝুঁকি নিয়ে ড্রাগন ফলের চাষ করে সাফল্য পাওয়ায় পুরো খাগড়াছড়ি জেলা তথা পার্বত্য চট্টগ্রামে হইচই ফেলে দেন। তার বাগানে প্রায় চার হাজার ড্রাগন ফলের গাছ রয়েছে।

এর পর তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি, একে একে সাফল্য আসতে থাকলো তার। বাগানে বিভিন্ন প্রজাতির ফলের গাছ সংগ্রহ করে চাষ করতে লাগলেন। গত বছর ড্রাগন ফল সহ বিভিন্ন জাতের বিদেশি আম বিক্রি করে যে টাকা পেয়েছেন তাতে বাগানের খরচ বাদ দিয়ে তিনি বেশ স্বচ্ছল ভাবেই চলতে পারতেছেন। উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার।

তার এই উদ্যোগের ফলে তার বাগানে মহালছড়ির প্রায় ২০/৩০ জন শ্রমিকের কর্মসংস্থান হচ্ছে। এই ছাড়াও তিনি যুব সমাজকে বিভিন্ন ভাবে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করতেছেন, বেকার যুবকদের আইডল এখন তিনি। ভবিষ্যত পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন ভবিষ্যতে তার জামপ্লাজম সেন্টার করার পরিকল্পনা আছে। যাহাতে প্রকৃতি প্রেমিকরা তার বাগানে এসে নতুন নতুন গাছের সাথে পরিচিত হতে পারেন। বেকার যুবক তথা যারা বাগান করতে আগ্রহী তারা বিজ্ঞানসম্মত ভাবে কি ভাবে চাষ করে লাভবান হতে পারবেন সেই বিষয়ে জানার সুযোগ পাবেন এই সেন্টারের মাধ্যমে। এছাড়াও ভবিষ্যতে এগ্রো ইন্ড্রাস্ট্রি করার পরিকল্পনা আছে তার। তাছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে যুব সমাজকে উজ্জীবিত করতেছেন যাহাতে কেউ বেকার বসে না থেকে নিজের প্রচেষ্টায় কিছু করতে পারে। তিনি আরো বলেন সরকারের কাছ থেকে যদি প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সর্বাত্মক সহযোগিতা পান তা হলে তার স্বপ্ন দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট:https://www.doinikbarta.com/

চাঁপাইনবাবগঞ্জে কাঁচা আম সংগ্রহোত্তর পরিচর্যা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শীর্ষক কৃষক কৃষানী প্রশিক্ষণ অনুষ্টিত হয়েছে। সোমবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষনা কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক এজেডএম নূরুল হক এই কর্মসুচির উদ্বোধন করেন।

আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষনা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. জমির উদ্দিনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তররের উপ-পরিচালক মঞ্জুরুল হুদা, বাংলাদেশ কৃষি গবেষনা ইনষ্টিটিউট জয়দেবপুরের উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. গোলাম ফেরদৌস চৌধুরী, জেলা কৃষি বিপনন কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

কৃষি মন্ত্রনালয়ের অর্থায়নে পোষ্টহারভেস্ট টেকনোলজি বিভাগ, বিএআরআই, গাজিপুর এই প্রশিক্ষণ কর্মসুচির আয়োজন করে। প্রশিক্ষনে ৩০জন কৃষক কৃষানী অংশ নেন।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://greenbangla.news

গুড়িগুড়িবৃষ্টির কারণে দিনাজপুরের জলায় হাজার হাজার বিঘা জমিতে থাকা উন্নত মানের বিভিন্ন প্রজাতির আমবাগানে শুরুতেই দেখা দিয়েছে প্রচুর পরিমান মুকুল। ছোট বড় গাছে ভরে গেছে আমের মুকুল। উপজেলার বিভিন্ন বাগানের মালিক ও আম লিচু উৎপাদনের সাথে জড়িত থাকা কৃষকেরা জানায় এ বছর বাগান গুলোতে প্রচুর আম-লিচুর উৎপাদন প্রচুর পরিমাণ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল।

এর কারণে বাগান মালিকেরা পরিচর্যা সহ গাছগুলোতে বিভিন্ন ভাবে স্প্রে করেছিল। শুক্রবারে অল্প পরিমাণ আর শনিবারে সমস্ত দিন গুড়িগুড়ি বৃষ্টি হওয়ার কারণে আমের মুকুল আর লিচুর মুকুলে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন কৃষকেরা।উপজেলার আম উৎপাদনের ব্যাপক সম্ভাবনার স্থান মাহমুদপুর ইউনিয়ন।

ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় কৃষি জমিতে ধানের সাথে আম গমের সাথে আম,লিচু সাথী ফসল হিসেবে আবাদ করছে কৃষকেরা ।এ বিষয়ে মাহমুদপুর ইউনিয়নে আম বাগান মালিক ও দিনাজপুর জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ ইকরামূল হক জানান গুড়িগুড়ি বৃষ্টির কারণে বাগান গুলোতে প্রচুর ক্ষতি হবে।
গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের ১০০ বিঘা আম,লিচু চাষী মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান অনেক গাছে মুকুল থেকে আমের গুটি এসেছে হঠাৎ বৃষ্টি হওয়ায় বের হওয়া আমের গুটি গুলোর ক্ষতি হবে।

তবে লিচুর খুব একটা ক্ষতি হবেনা।চক নওদা গ্রামের বাগান মালিক সাজেদুর রহমান জানান তার প্রায় ১০ বিঘা জমিতে থাকা উন্নত মানের আম বাগানে মুকুলের ক্ষতি হবে।এবিষয়ে বাববগঞ্জ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তার দপ্তরের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মুক্তাদির হোসেন জানান বৃষ্টির কারণে বাগানের মুকুলের ক্ষতি হবে।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: http://https://dinajpurnews.com

রাজশাহীকে বলা হয় ফলের রাজা আম আর সেই গাছ গুলোতে আসতে শুরু করছে থোকে থোকে আমের মুকুল আবার কোন কোন গাছে আসছে আমের গুটি  আমের মুকুল আর গুটি টিকিয়ে রাখতে চাষিরাও ব্যস্ত পরিচর্যায়। তৎপর জেলা প্রশাসনও। লক্ষ্য, মুকুল থেকে বাজারজাতকরণ সবই হবে ক্ষতিকর রাসায়নিক মুক্ত। সেটি নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন গঠন করে করে করেছে বিশেষ তদারকি কমিটি।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলার ১৯ হাজার হেক্টর জমির আমবাগানে গত বছর ২ লাখ সাড়ে ১৩ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদন হয়েছিল। তবে এবার এখনো লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করেনি কৃষি বিভাগ। তবে গেলবারের চেয়ে এবার বাগানে বেশি মুকুলের সমারোহ। রাজশাহীর বাগানগুলোতে ল্যাংড়া, গোপালভোগ, খিরসাপাতসহ আড়াইশো জাতের গাছে মুকুল এসেছে শতভাগ। সেসব মুকুল এখন গুটিতে পরিণত হতে শুরু করেছে। বিষমুক্ত আম উৎপাদনে মৌসুমের শুরুতেই তৎপরতা বাড়িয়েছে প্রশাসন।

বাগান মালিকদের জানানো হয়েছে মুকুল কিংবা গুটির পরিচর্যায় ব্যবহার করা যাবে না হরমন বা ফলবর্ধক রাসায়নিক ও ক্ষতিকর কীটনাশক। রাজশাহীর বিনোদপুর এলাকার আমচাষি আরশাদ আলী বলেন, আমের মুকুল এখন গুটিতে পরিণত হচ্ছে। তবে কোনো প্রকার রাসায়নিক প্রয়োগ করা হচ্ছে না। গাছের গোড়ায় শুধু জৈব সার ব্যবহার করা হচ্ছে। যেহেতু এ বছরে কীটনাশক ছাড়া আম উৎপাদন হবে, আশা করি ফলন ও স্বাদ বৃদ্ধি পাবে।

এদিকে ফল গবেষণা কেন্দ্র নিরাপদ আম উৎপাদনে বাগান মালিকদের করণীয় সর্ম্পকে অবহিত করছে নিয়মিত। গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আলিম উদ্দিন বলেন, কীটনাশক মুক্ত আম উৎপাদন করার জন্য কৃষকদের উৎসাহ দেয়া হচ্ছে। সে সাথে কৃষকদের ফলন বৃদ্ধির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে এবার মুজিবর্ষে রাজশাহীতে শতভাগ রাসায়নিকমুক্ত আম উৎপাদনের ঘোষণা দিয়েছে জেলা প্রশাসন। ঘোষণা দেয়া হয়েছে বিষমুক্ত আম হবে দেশবাসীর জন্য রাজশাহীর মানুষের মুজিববর্ষের উপহার। নিরাপদ ও বিষমুক্ত আম বাগান মালিকরা যাতে ন্যায্যমূল্যে ও ভোগান্তি ছাড়া বাজারজাত করতে পারেন তার জন্য সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক হামিদুল হক। তিনি বলেন, কৃষকরা যাতে আমের ন্যায্যমূল্য সঠিকভাবে পায় সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: http://www.banglarchokh.com.bd

 

সেছে বসন্ত, বইছে ফাগুন হাওয়া। গাছে গাছে ফুটছে আমের মুকুল। মুকুলে মুকুলে ছেয়ে গেছে প্রতিটি আম গাছ। ফাগুন হাওয়ায় চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে মুকুলের পাগল করা ঘ্রাণ। বাতাসে মুকুলের মন মাতানো গন্ধে ভরে উঠেছে প্রকৃতি। বাগানজুড়ে মৌমাছির গুঞ্জন আর মুকুলের ঘ্রাণে মুগ্ধ করেছে প্রকৃতিপ্রেমীদের। এ যেন মধুমাসের আগমনী বার্তা শোনাচ্ছে।
চলতি বছর দেশের অন্যান্য স্থানের মত চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় শীতের প্রভাব কম থাকায় আগাম মুকুল ধরেছে আম গাছে। প্রতিটি আম গাছে শোভা পাচ্ছে থরে থরে মুকুল। উপজেলার প্রায় ৯০ শতাংশ গাছেই এবার এসেছে মুকুল বলে এমনটা জানিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিসে নিয়োজিত কর্মকর্তারা। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার প্রায় সব এলাকায় আমের মুকুলের সমারোহ চোখে পড়ার মত। পৌরসভা এলাকার বেশ কয়েকজন আম চাষিরা ধারণা করছে বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবং আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এবার আমের বাম্পার ফলন হবে। তারা এখন আম গাছের পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। পৌরসভা এলাকার মো. সোলায়মার নামে এক আম চাষি জানান, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে থেকে বাগানে আম গাছে মুকুল আসা শুরু হয়েছে। মুকুল আসার পর থেকেই গাছের প্রাথমিক পরিচর্যা শুরু করেছে। মুকুলে রোগবালাইয়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় বালাইনাশক স্প্রে করছেন। বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে এ আমের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন তিনি। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ আবদুল্লাহ ওয়াহেদ এ প্রতিবেদককে জানান, এ বছর উপজেলায় বাণিজ্যিক ও গৃহস্থালিতে মোট ৪৮ হেক্টর জমিতে আমের বাগান রয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ও বড় ধরণের কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয় না ঘটলে চলতি মৌসুমে উপজেলায় বাণিজ্যিক ও গৃহস্থালিন বাগান থেকে ১১০ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। তাছাড়া আম চাষিদের সর্বাত্মক সহযোগিতা জন্য প্রতিটি ইউনিয়নের তিনটি ব্লাকে ৩জন করে কর্মকর্তা প্রস্তুত রয়েছে।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: http://dailypurbodesh.com

আম্রপালি, ল্যাংড়া, ফজলিসহ বাহারি মিষ্ট স্বাদের আম উৎপাদনকারী অন্যতম জেলা ঝিনাইদহ। এখানকার বাগানগুলো ছেয়ে গেছে আমের মুকুলে। 

 

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে জেলায় আমের আবাদ হয়েছে ২ হাজার ৮৭৫ হেক্টর জমিতে। এ থেকে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৬ হাজার মেট্রিক টন। গেল মৌসুমে জেলায় ২ হাজার ৮৪৯ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ করে উৎপাদন হয়েছিল ৪৪ হাজার ৪১১ মেট্রিক টন আম।

 

সাধারণত বিঘায় এক মৌসুমে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়, আর ফলন ভালো হলে লক্ষাধিক টাকার আম বিক্রি করা যায়।

 

তাই তো এ বছরও ভালো ফলন পেতে বাগানগুলোতে চলছে মুকুল পরিচর্যার কাজ। কেউ হালকা কুয়াশার হাত থেকে মুকুল রক্ষার জন্য পানি স্প্রে করছেন, কেউ বা পানি সেচ ও গাছের গোড়ার মাটি কুপিয়ে আলগা করে দিচ্ছেন। চলছে পরিচর্যার কর্মযজ্ঞ। কেন না পরিচর্যা ভালো হলে আর প্রকৃতির নিষ্ঠুরতা না এলে মিলবে আমের ভালো ফলন, হবে অনেক আর্থিক লাভ। 

 

সদর উপজেলার গান্না এলাকার আম চাষি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‌‌‌‌‌তি‌ন বিঘা জমিতে আমের বাগান আছে। গেল বছরের তুলনায় এবার মুকুলের অবস্থা অনেক ভালো। প্রকৃতিরও বৈরিতা তেমন নেই। এমন থাকলে আশা করা যায় ফলন অনেক ভালো হবে।

 

অপর আম চাষি সুমন মিয়া জানান, বাগানের পরিবেশ খুবই ভালো। ফলন যদি ভালো হয় আর বাজার দাম ভালো পাওয়া যায় তাহলে খরচের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি লাভ আসবে। সেভাবেই পরিচর্যা চলছে। ওষুধ ছিটানোর কাজ প্রায় শেষ। আবার আমের গুটি তৈরি হলে স্প্রে করা হবে।  

 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃপাংশু শেখর বিশ্বাস দৈনিক অধিকারকে জানান, আম গাছগুলোতে প্রচুর মুকুল এসেছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, গেল মৌসুমের তুলনায় আমের ফলন অনেক বেশি হবে। মুকুল ঝরে পড়া ও পোকার আক্রমণ রোধে কীটনাশকের ব্যবহার কমাতে নানা ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বাগান মালিক ও চাষিদের। বাগানগুলোতে নিয়মিত যাচ্ছেন ও তাদের খোঁজখবর রাখছেন বলেও জানান তিনি।

সুত্র:https://www.odhikar.news

Page 8 of 47