x 
Empty Product

বিঃদ্রঃ এই আর্টিকেলটি আমাদের নিজস্ব না। অনলাইনে আম সেক্টরকে আরও বেশি প্রসারিত করার জন্য বিভিন্ন সোর্স থেকে গুরুত্বপুর্ন কন্টেন্টগুলো আমরা কপি করে প্রকাশ করে থাকি। যেহেতু এই নিউজটি একাধিক সাইটে প্রকাশ পেয়েছে, তাই এখানে আমরা সোর্স লিংক প্রকাশ করছি না।

বাজারে এখন পাকা আমের সন্ধান মিলছে। তবে অনেক সময় কাঁচা আম ফরমালিন দিয়ে পাকিয়ে তা বিক্রি করা হয়ে থাকে। যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। আবার দাম দিয়ে পাকা দেখে কাঁচা আম কিনে এতে অনেকেই প্রতারিত হন।

তাই আম কেনার আগে সেটি, গাছ পাকা কি-না তা পরীক্ষা করে দেখে নেওয়া উচিত। জেনে নিন আম কেনার সময় যেসব বিষয় মাথায় রাখলে ঠকবেন না-

আমের ঘ্রাণ: শুধু আম নয়, যেকোনো ফল টাটকা কি-না বুঝতে নিজের ঘ্রাণশক্তির উপর ভরসা রাখুন। যদিও আমের একেক জাত অনুযায়ী বদলে যায় সুগন্ধ।

আমের বোঁটার কাছ থেকে যদি ফলের মিষ্টি গন্ধ বের হয়; তাহলে সেই আম কিনুন। খুব কড়া, টক বা বাজে গন্ধ গন্ধ বের হলে সেই আম কিনবেন না।

নরম আম: কেনার সময় আমের গায়ে আঙুলের মাথা দিয়ে টিপে দেখুন। পাকা আম স্বভাবতই নরম হয়ে থাকে। তবে আঙুল দিয়ে টিপে দেখার সময় যদি ওই স্থানটি গর্ত হয়ে যায়; তাহলে সেই আম কিনবেন না।

সপ্তাহখানেক যদি বাড়িতে আম রেখে খেতে চান; তাহলে একটু শক্ত দেখেই আম কিনুন। বেশি পাকা আম কিনলে বেশিদিন ঘরে রেখে খেতে পারবেন না।

আমের চেহারা: আম দেখে পছন্দ না হলে, কেউই দাম দিয়ে তা কেনে না। তাই আম কেনার সময় দাগহীন রও সুন্দর গড়নের আম দেখে কিনুন।

খোসা কুঁচকে গিয়েছে এমন আম কিনবেন না। লাল, সোনালি হলুদ, সবুজ, গেরুয়া, কমলা যেকোনো রঙের আম যদি দেখতে সুন্দর লাগবে তা কিনতে পারেন।

পাকা আম: বেশিরভাগ আমবিক্রেতাই কাঁচা আম কিনে কার্বাইড দিয়ে পাকিয়ে বিক্রি করেন। তাই আম কেনার সময় একটু বুঝে শুনে কেনা উচিত।

বিভিন্ন সুপারমার্কেটে টাটকা আম পাবেন। এ ছাড়াও অনেক বিক্রেতা একদম গাছ পাকা আম বিক্রি করেন। তবে যেখান থেকেই আম কিনুন না কেন, অবশ্যই এর ঘ্রাণ নিয়ে তবেই কিনুন।

বিঃদ্রঃ এই আর্টিকেলটি আমাদের নিজস্ব না। অনলাইনে আম সেক্টরকে আরও বেশি প্রসারিত করার জন্য বিভিন্ন সোর্স থেকে গুরুত্বপুর্ন কন্টেন্টগুলো আমরা কপি করে প্রকাশ করে থাকি। যেহেতু এই নিউজটি একাধিক সাইটে প্রকাশ পেয়েছে, তাই এখানে আমরা সোর্স লিংক প্রকাশ করছি না।

ফলের বাজারে গেলে আমের ঘ্রানে অনেকেই স্তম্ভিত হয়ে যান কোন আম কিনবেন? বাজারে থরে থরে সাজানো পাকা আম। কিন্তু, কোনটা বেশি স্বাদযুক্ত বা কোনটা বেশি মিষ্টি সে দ্বিধাবোধ সকলেরই থাকে |

তাই এই নিবন্ধে আমের কয়েকটি উন্নত জাত সম্পর্কে আলোচনা করা হলো;
আমের জাত (Mango varieties):

প্রতিটি জাতের আমের চেহারা, রং, রূপ, ঘ্রাণ, স্বাদ একে অন্যের থেকে আলাদা। ক্ষীরভোগ, মোহনভোগ, ফজলি, চিনি ফজলি, বোম্বাই, গোলাপখাস, কাকাতুয়া, দাদভোগ, চম্পা, সূর্যপুরি, কাঁচামিঠা, কলামোচা, শীতলপাটি, লক্ষ্মণভোগ, গোলাপবাস, আম্রপালি, মল্লিকা, বেগমবাহার, হিমসাগর ইত্যাদি জাতের আম এখনো দেখা যায়।
হিমসাগর (Himsagar):

হিমসাগর আম খুবই জনপ্রিয় | এই জাতের আম পাকলে হলুদ সবুজ রঙের হয়ে যায় | এই আমগুলি সাধারণত মাঝারি আকারের হয়ে থাকে | এগুলি খুব মিষ্টি, খুব সুস্বাদু ও সুঘ্রাণযুক্ত হয়ে থাকে | এই আমের জাত হলো সবচেয়ে সেরা জাত|
গোপালভোগ:

এই জাতের আম মৌসুমে সবার আগে দেখা যায় | গোপালভোগ আম মাঝারি আকারের হয়ে থাকে |এই আম পাকলে হলুদাভ সবুজ রঙের হয়ে থাকে | এই আমে কোনো আঁশ থাকেনা, এটি খেতে খুবই মিষ্টি হয় এবং আঁটি পাতলা হয় |
ল্যাংড়া আম:

এই আম দেখতে অনেকটা আয়তাকার গোল হয়ে থাকে | এই আমের খোসা হালকা সবুজ রঙের হয় | এই আম পাকলে পুরো হলুদ রঙের হয়না | খোসা খুবই পাতলা হয় এবং শাঁস হালকা হলুদ রঙের হয় | এই জাতের আম ঠিক করে না পাকলে খেলে মুখ চুলকায় | এই আম সুঘ্রানের জন্য খুবই বিখ্যাত |

ফজলি আম:

এটি টক গন্ধযুক্ত বড় আকারের মিষ্টি স্বাদের আম | এটি কালচে সবুজ রঙের আম |
আমের মান বৃদ্ধিতে টিপ প্রুনিং (Tip pruning):

আমকে সাধারণত ফলের রাজা বলা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় উদ্ভাবিত হল আমের ফলন ও গুণগতমান বৃদ্ধির নতুন প্রযুক্তি- আমগাছের টিপ প্রুনিং। বর্তমানে আম চাষাবাদের এলাকা দিন দিন বাড়ছে। বাড়ির ছাদ থেকে শুরু করে বড় বড় বাগান পর্যন্ত গড়ে উঠেছে। বাড়ির আশেপাশে কিংবা ছাদে যে আমের জাতটি সবচেয়ে বেশি চাষ হয় সেটি হল বারি আম-৩ বা আম্রপালি। জাতটি আবার কেউ কেউ চাষ করেছেন টবে এবং ড্রামে। এর কারণ গাছে প্রচুর আম ধরলে আকারে ছোট হয়, গাছকে পর্যাপ্ত খাবার না দিলে আকার ছোট হয় এবং গাছের বয়স বাড়ার সাথে সাথেও আকার ছোট হয়। ফলে জাতটির বাজারমূল্যে দিন দিন কমছে।

আরও পড়ুন - Tuberose Cultivation: রজনীগন্ধা চাষের খরচ কমাতে ও ফলন বৃদ্ধিতে পলিথিন ব্যবহার করুন

আম বিজ্ঞানীরা এই নিয়ে গবেষণা শুরু করেছিলেন কয়েক বছর আগে। বর্তমানে সমস্যাটির সমাধান এসেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, আম সংগ্রহ করার পর অর্থাৎ জুলাই মাসে আমগাছের প্রত্যেকটি ডগার শীর্ষ প্রান্ত হতে ৩০ সে.মি. বা ১ ফুট পর্যন্ত কেটে দিলে পরবর্তী বছরে ওই গাছ থেকে বেশি ফলন ও গুণগতমানসম্পন্ন আম পাওয়া যায়। তবে জুলাই মাসে প্রুনিং করা ভাল। ফলন বাড়ার কারণ হিসেবে দেখা গেছে, ওই অংশ হতে ৩-৪টি নতুন ডগা বের হয় এবং নতুন শাখার বয়স ৫-৬ মাস হওয়ায় প্রায় প্রত্যেকটি শাখায় মুকুল আসে। বর্তমানে এই জাতটির ওজন ৬০-১৮০ গ্রাম থেকে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ২৫ থেকে ৪০০ গ্রাম পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব হয়েছে।

বিঃদ্রঃ এই আর্টিকেলটি আমাদের নিজস্ব না। অনলাইনে আম সেক্টরকে আরও বেশি প্রসারিত করার জন্য বিভিন্ন সোর্স থেকে গুরুত্বপুর্ন কন্টেন্টগুলো আমরা কপি করে প্রকাশ করে থাকি। যেহেতু এই নিউজটি একাধিক সাইটে প্রকাশ পেয়েছে, তাই এখানে আমরা সোর্স লিংক প্রকাশ করছি না।

হাড়িভাঙ্গা আমের ইতিহাস শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বে সমাদৃত রংপুরের হাঁড়িভাঙ্গা আম।। বাংলাদেশের একমাত্র আশ বিহীন আমের বাম হচ্ছে রংপুরের হারিভাঙ্গা আম। বিখ্যাত, স্বাদে গন্ধে অতুলনীয় হাঁড়িভাঙ্গা আম বদলে দিয়েছে রংপুরের (Rangpur) অর্থনৈতিক ভাগ্য ।

হাঁড়িভাঙ্গা আমের ইতিহাসের গোড়াপওন করেছিলেন নফল উদ্দিন পাইকার নামে এক বৃক্ষবিলাসি মানুষ। ৪৫ বছর আগে মারা যান তিনি। তিনিই প্রথম জনসম্মুখে এনেছিলেন এই আম।শুরুতে এর নাম ছিল মালদিয়া (Maldia)নফল উদ্দিন পাইকারের ইতিহাস সৃষ্টিকারী হাঁড়িভাঙ্গা আমের মাতৃগাছটি আজ ও ইতিহাসের অংশ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে রংপুরের মিঠাপুকুরের খোড়াগাছের তেকানী গ্রামে। তার পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারি ভাবে গাছটি সংরক্ষণের দাবি তোলা হয়েছে ।একটি মাএ মা – গাছ থেকে হাজার হাজার কলম তৈরি করে হাড়িভাঙ্গার বীজ ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে ।

বিশ্বসেরা আম হাড়িভাঙ্গা তার নাম। রংপুরের শতশত মানুষ এই হাড়িভাঙ্গা আম চাষে করে স্বাবলম্বী হয়েছেন ।হাড়িভাঙ্গা আম দেখতে সাধারণত কিছুটা লম্বাটেসহ গোলাকৃতির এবং কালচে সবুজ রংয়ের ।পাকলে কিছুটা লালচে রং ধারণ করে। হাড়িভাঙ্গা আম এক একটা ২০০-৫০০ গ্রাম হয়ে থাকে ।

হাড়িভাঙ্গা আম ২০ জুনের পর বাজারে পাওয়া যায়। সুগন্ধী, অতি সুমিষ্ট আঁশহীন এই জাতটি মুখে নিলেই মনে হয় অমৃত। পুষ্ট আম বেশি দিন অটুট থাকে। চামড়া কুচকে যায় তবুও পঁচে না। হাড়িভাঙ্গা আমের নামকরণঃতেকানী ও এর আশেপাশের এলাকা খিয়ারী মাটির ।তা ছাড়া বরেন্দ্রপ্রবণ অঞ্চল হওয়ার কারণে লাগানো গাছে পানি দিতে হতো সব সময়।পাইকার নফল উদ্দিন ও সারা দিন বিভিন্ন ভাবে ব্যবসায় বাণিজ্য ও কাজে কামে থাকতেন ।সে কারণে এই আম গাছটির নিচে তিনি মাটির হাঁড়ি দিয়ে ফিল্টার বানিয়ে তাতে সারা দিন পানি দিতেন। এরই মধ্যে একদিন রাতে কে বা কারা এই মাটির হাঁড়িটি ভেঙে ফেলেন ।

এই গাছে বিপুল পরিমাণ আম ধরে ।এগুলো ছিল খুবই সুস্বাদু। সেগুলো বিক্রির জন্য বাজারে নিয়ে গেলে লোকজন এই আম সম্পর্কে জানতে চায়। তখন নফল উদ্দিন মানুষকে বলেন ‘যে গাছের নিচের হাড়িটা মানুষ ভাঙছিল সেই গাছেরই আম এগুলো’তখন থেকেই এই গাছটির আম “হাড়িভাঙ্গা আম” নামে পরিচিত পায়।এটি কাঁচায় ছালসহ খেলে ও মিষ্টি লাগে। এখনো ইতিহাস ও কালের সাক্ষী হয়ে আমগাছটি আছে তেকানী গ্রামে ।দ্রুত গাছটি বেড়ে উঠে এবং বছর তিনেকের মাথায় সেই গাছে আম ধরে ।সুস্বাদু ও মিষ্টি হওয়ায় বিক্রি ও হয় প্রচুর।