x 
Empty Product

সাতক্ষীরায় রোববার (২ মে) থেকে আম ভাঙা উৎসব শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তত্বাবধানে প্রথমে ভাঙা হচ্ছে গোপালভোগ ও গোবিন্দভোগ আম।

পর্যায়ক্রমে ভাঙা হবে হিমসাগর, আম্রপালি ও ল্যাংড়া আম। আমের উৎপাদন গতবার থেকে ভাল হলেও দাম নিয়ে চিন্তিত চাষীরা। আর আমের মান বজায় রাখতে তৎপর প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

জেলা কৃষি অফিস গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, জেলায় এবার ৫ হাজারেরও বেশি বাগানে আম চাষ হয়েছে। প্রায় ১৩ হাজার চাষী আম চাষ করেছেন। গতবছর ঘূর্ণিঝড় আম্পানে আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিলো। এবার সে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবে চাষীরা।

এবার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪০ হাজার মেট্রিকটন। প্রায় পাঁচশ হেক্টর জমিতে গোপালভোগ ও গোবিন্দভোগ আম চাষ করা হয়েছে। যা এবছরের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করবে বলে আশা করছেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।

এদিকে, প্রশাসনিক কর্মকর্তারা আগে থেকেই আম ভাঙার তারিখ নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন। নির্ধারণ করে দেয়া তারিখ অনুযায়ী রোববার থেকে গোপালভোগ ও গোবিন্দভোগ আম ভাঙা হচ্ছে।

তবে জানা গেছে, প্রথম দিনে আমের দামে সন্তুষ্ট নন চাষীরা। সুলতানপুর বড়বাজারে গোপালভোগ ও গোবিন্দভোগ আমের দাম মণপ্রতি ১৮০০-২২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে চাষীরা বলছেন ন্যুনতম মণপ্রতি দাম ২৮০০ টাকা বিক্রি না হলে তাদের লোকসান হবে।

বড়বাজারের আম ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, যেহেতু প্রথম আম আনুষ্ঠানিকভাবে বিক্রি হচ্ছে তাই বাজার দর একটু কম। কয়েকদিনের মধ্যে বাজার চড়া হবে।

সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ নূরুল ইসলাম বলেন, বাইরে থেকে যারা আম কিনতে আসবেন তাদেরকে কমপক্ষে তিন দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। এছাড়া আম চাষীদের সুবিধার্থে ২১ মে হিমসাগর, ৪ জুন অম্রপালি ভাঙার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, এবছর এখনো সাতক্ষীরায় ঝড়-বর্ষা হয়নি। তাপদাহে আম কিছুদিন আগে থেকে পরিপক্ক হয়েছে। তাই ভাঙার তারিখও এগিয়ে আনা হয়েছে।

অন্যদিকে, সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল জানান, সুলতানপুর বড়বাজারসহ বিভিন্ন আমের মোকামে প্রশাসনিক নজরদারি রাখা হয়েছে। রাসায়নিক দ্রব্য দিয়ে আম পাকালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া আম সিন্ডিকেট যাতে গড়ে উঠতে না পারে সে বিষয়েও কড়া নজরদারি রয়েছে।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://banijjoprotidin.com

Published in ব্লগ

গ্রীষ্মকাল মানেই কাঠফাটা রোদ আর প্রচণ্ড গরম। তবে এ সময় প্রাণে স্বস্তি জাগায় পাকা আমের স্বাদ। বাংলাদেশের বাজারে এখনো পাকা আম না পাওয়া গেলেও এরই মধ্যে খোঁজ মিলেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আমের। সেটি পাওয়া গিয়েছে কলম্বিয়ায়। শুধু খুঁজে পাওয়াই নয়, ইতিমধ্যে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নামও উঠে গিয়েছে ওই আমটির।

কলম্বিয়ার বোয়াক্কা এলাকার গুয়াতার সান মার্টিনের এক ফার্মে দুই কলম্বিয়ান জার্মান অরল্যান্ডো নোভোয়া বারেরা এবং রেইনা মারিয়া মারোকুইন এই কীর্তি অর্জন করেছেন। কিন্তু কত ওজন ওই আমটির? জানা গিয়েছে, কলম্বিয়ার এই আমটির ওজন ৪.২৫ কেজি। হ্যাঁ, শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। আর প্রায় সাড়ে চার কেজির আমটিই বিশ্বের সবচেয়ে ভারী আম।

এর আগে এই রেকর্ডের মালিক ছিল ফিলিপিন্স। সেখানকার আমটির ওজন ছিল ৩.৪৩৫ কেজি। তবে জার্মান এবং রেইনারের এই আমটি সেই রেকর্ডই এবার ভেঙে দিল।

এক সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে জার্মান এবং রেইনা জানান, প্রাথমিকভাবে আমটি বড় হওয়ার সময়ই সেটি যে অন্যান্য ফলের থেকে আলাদা তা বুঝতে পারেন তারা। এরপর জার্মানের মেয়ে নেট ঘেঁটে জানতে পারেন, তাদের ফার্মের আমটিই বিশ্বের সবচেয়ে ভারী আম। অর্থাৎ সেটির ওজনের সমান আম বিশ্বে আর একটিও নেই। এরপরই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম উঠে যায় জার্মান এবং রেইনা ও তাদের আমটির।

এই প্রসঙ্গে জার্মান বলেন, এর মাধ্যমে আমরা গোটা বিশ্বকে জানাতে পেরেছি কলম্বিয়ার মানুষও কর্মঠ। যারা ভালবেসেই চাষবাস করেন এবং এত সুন্দর ফলও উৎপাদন করতে পারেন। আশা করি, করোনা আবহে এই সাফল্য এলাকার অনন্যাদের মুখেও হাসি ফোটাবে।

তিনি এই সাফল্য আবার গুয়াতার লোকজনকেই উৎসর্গ করেন। তবে আমটি কিন্তু আর গাছে নেই। ইতিমধ্যে জার্মানরা সেটি খেয়েও ফেলেছেন। আর আমটি যে মিষ্টি ছিল, সেটিও জানিয়েছেন তারা। তবে ইতিমধ্যে আমটির একটি রেপ্লিকা তৈরি করে স্মৃতি হিসেবে স্থানীয় প্রশাসনের হাতে তুলেও দিয়েছেন জার্মান এবং রেইনা।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.arthosuchak.com

Published in ব্লগ
  •  Start 
  •  Prev 
  •  1 
  •  2 
  •  3 
  •  Next 
  •  End 
Page 1 of 3