x 
Empty Product
Wednesday, 14 June 2017 09:36

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ‘ব্যানানা আম’ চাষ

Written by 
Rate this item
(2 votes)

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ‘ব্যানানা আম’ চাষ আমের রাজধানী খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে নতুন জাতের ‘ব্যানানা আম’ চাষ। থাইল্যান্ড থেকে আসা এই আমটি স্বাদে, গন্ধে যেমন অনন্য, তেমনি এর চাষ পদ্ধতি সহজ। বাজারে ব্যাপক চাহিদা ও লাভজনক হওয়ায় দিন দিন বাড়ছে এই আমের বাগানের সংখ্যা। বিদেশে রপ্তানিযোগ্য নাবী জাতের এই আমের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন গবেষকরা।


আমটি দেখতে একেবারে কলার মতো। দূর থেকে দেখে মনে হয় আমগাছে সাগর কলা ঝুলছে! তবে ব্যানানা ম্যাঙ্গো গায়ে-গতরে মোটা। পাকলে সাগর কলার রূপ নেয়। কলার রঙে নিজেকে রাঙিয়ে অনেকের দৃষ্টি কাড়ে।

জানা গেছে, এবার চাঁপাইনবাবগঞ্জে শত শত জাতের আমের মাঝে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে একটি আম। থাইল্যান্ড থেকে আসা নাবী জাতের এই আমের নাম ‘ব্যানানা’। দেখতে আর্কষনীয়, স্বাদে ও গন্ধে অনন্য। সাড়ে ৩’শ থেকে সাড়ে ৪’শ গ্রাম ওজনের এই আমটি, ব্যাতিক্রমি বৈশিষ্ট্যের কারণে ইতোমধ্যেই চাষিদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। চাষ পদ্ধতি সহজ হওয়ায়, এই আম চাষ করে আর্থিক স্বচ্ছলতার মুখ দেখতে শুরু করেছেন চাষিরা। বাজারে প্রচুর চাহিদা থাকায় দিন দিন বাড়ছে বাগানের সংখ্যা। 

কৃষক দুরুল হোদা বলেন, আমটি দেখতে খুব সুন্দর ও সুস্বাদু। নতুন জাতের আমের চারা হর্টিকালচার সেন্টার থেকে সংগ্রহ করে ৫ বিঘা জমিতে লাগানো শুরু করি। ফজলি আম শেষ হওয়ার সময় ভাল জাতের আম না থাকায় এ নতুন জাতের ব্যানানা আম দেশের চাহিদা মিটিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব। 

এদিকে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচার সেন্টারের উদ্যান প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ জহুরুল ইসলাম বলেন, ২০১০ সালে থাইল্যান্ড থেকে এই জাতের ডগা নিয়ে এসে প্রথমে গ্রাফটিং করা হয়। পরে, হর্টিকালচার সেন্টারের গবেষকরা দেশের আবহাওয়ার সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য শুরু করেন গবেষণা। ৩ বছর গবেষণা করার পর আসে সফলতা। এরপর প্রতিবছর নিয়মিত আম আসায়, ২০১৫ সালে বাণিজ্যিকভাবে কৃষকের মাঝে এই আমের সম্প্রসারণ কাজ শুরু হয় । এ জাতের আমের চারা দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ছড়িয়ে দেয়া হবে। 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক ড. সাইফুর রহমান বলেন, সাধারণত জুন মাসের পর থেকে দেশের বাজারে ভালো জাতের আমের প্রাপ্যতা যখন কমে আসে, তখন বাজারে আসে এই জাতের আম। স্বাদে গন্ধে অতুলনীয় ও বিদেশে রপ্তানিযোগ্য এই আম চাষ করে বাণিজ্যিকভাবে সফল হবেন চাষিরা। এ বছর ৫০ বিঘা জমিতে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষাবাদ করা হয়েছে।
 
তিনি আরো বলেন, বিদেশে রপ্তানিযোগ্য নাবী জাতের এই আমের চাহিদা ও বাজার মূল্য পাবার আশায় বাণিজ্যিকভাবে এই আমের চাষ নিয়েও অত্যন্ত আশাবাদী।
Read 3167 times

Leave a comment

Make sure you enter the (*) required information where indicated. HTML code is not allowed.