x 
Empty Product
Friday, 23 August 2013 14:22

রাজশাহী শহরের বড়কুঠি এক ঐতিহাসিক নিদর্শন

Written by 
Rate this item
(1 Vote)

রাজশাহী শহরের একেবারে পাশ দিয়ে বয়ে যাচ্ছে পদ্মা নদী।আর এই পদ্মা নদীকে ঘিরে গড়ে উঠেছে রাজশাহী শহর।রাজশাহী শহরের আর,ডি,এ মার্কেটের দক্ষিনে পদ্মার তীর ঘেঁসে রয়েছে বিশাল এক বহু পুরাতন ভবন।এই বিশাল ভবনের নাম বড়কুঠি।এই বড়কুঠি আজ থেকে কত বছর আগে তৈরী হয়েছিল,তা কেউ ঠিক মত বলতে পারে না।কেউ বলেন ৩০০ বছর,আবার কেউ বলেন ৪৫০ বছর আগে তৈরী।এই ভবনকে ঘিরে একটা মহল্লা গড়ে উঠেছে।নাম বড়কুঠিপাড়া।ইতিহাস বলে এটা নাকি পর্তুগিজরা তৈরী করেছিল।শেষের দিকে নীলকর ইংরেজরা থাকত।এই বড়কুঠিতেই বাংলার কৃষকদের ওপর নীলকর ইংরেজরা চালাত অমানুষিক নির্যাতন।এখানকার মুরুব্বীরা বলেন,আজও নাকি গভীর রাতে সেই অমানুষিক নির্যাতনের করুণ আর্তনাদ শোনা যায়।ছোটবেলায় এই বড়কুঠির সামনে দেখেছি নীলকর ইংরেজ সাহেবদের চিকন টালি ইটের তৈরী ঘোড়ার আস্তাবল।এখন অবশ্য সেই ঐতিহাসিক ঘোড়ার আস্তাবলটা নাই।এখন ওখানে রাজশাহী ল কলেজ হয়েছে।যাইহোক,আসল কথাই আসি।এই দোতলা ভবনটার পূর্ব ও পশ্চিম দিকে রয়েছে দুটো ঘোরানো সিঁড়িঁ।এই সিঁড়িঁ দুটো ভবনটার মাটির নীচে চলে গেছে।আর মাটির নীচে রয়েছে এক বিশাল বড় রুম।এই মাটির নীচের রুমের ভিতর দিয়ে পদ্মা নদীর তলা দিয়ে ছিল এক বিশাল বড় একটা রাস্তা।এই রাস্তা দিয়ে নাকি একসাথে ১০টা ঘোড়া দৌড়াতে পারতো।আর এ পথটার শেষ মাথা ছিল বাংলার শেষ নবাব সিরাজদ্দৌলার রাজবাড়ী পর্যন্ত।এখন অবশ্য কতৃপক্ষ সিঁড়িঁ দুটোর নীচের দিকে অর্ধেক প্রাচীর দিয়ে যাতায়াত বন্ধ করে রেখেছে।আমার জানা মতে এরকমের ঐতিহাসিক রাস্তা এ অঙ্চলে আর নাই।আমার মতে এই বড়কুঠির সঠিকভাবে প্রচার করলে অনেক পর্যটক আসবে।দেশে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হবে।

Read 3950 times Last modified on Tuesday, 03 September 2013 04:31

Leave a comment

Make sure you enter the (*) required information where indicated. HTML code is not allowed.