x 
Empty Product
Saturday, 15 January 2022 20:58

বাংলাদেশের একমাত্র আঁশবিহীন বিখ্যাত হাড়িভাঙ্গা আম

Written by 
Rate this item
(0 votes)

বিঃদ্রঃ এই আর্টিকেলটি আমাদের নিজস্ব না। অনলাইনে আম সেক্টরকে আরও বেশি প্রসারিত করার জন্য বিভিন্ন সোর্স থেকে গুরুত্বপুর্ন কন্টেন্টগুলো আমরা কপি করে প্রকাশ করে থাকি। যেহেতু এই নিউজটি একাধিক সাইটে প্রকাশ পেয়েছে, তাই এখানে আমরা সোর্স লিংক প্রকাশ করছি না।

হাড়িভাঙ্গা আমের ইতিহাস শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বে সমাদৃত রংপুরের হাঁড়িভাঙ্গা আম।। বাংলাদেশের একমাত্র আশ বিহীন আমের বাম হচ্ছে রংপুরের হারিভাঙ্গা আম। বিখ্যাত, স্বাদে গন্ধে অতুলনীয় হাঁড়িভাঙ্গা আম বদলে দিয়েছে রংপুরের (Rangpur) অর্থনৈতিক ভাগ্য ।

হাঁড়িভাঙ্গা আমের ইতিহাসের গোড়াপওন করেছিলেন নফল উদ্দিন পাইকার নামে এক বৃক্ষবিলাসি মানুষ। ৪৫ বছর আগে মারা যান তিনি। তিনিই প্রথম জনসম্মুখে এনেছিলেন এই আম।শুরুতে এর নাম ছিল মালদিয়া (Maldia)নফল উদ্দিন পাইকারের ইতিহাস সৃষ্টিকারী হাঁড়িভাঙ্গা আমের মাতৃগাছটি আজ ও ইতিহাসের অংশ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে রংপুরের মিঠাপুকুরের খোড়াগাছের তেকানী গ্রামে। তার পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারি ভাবে গাছটি সংরক্ষণের দাবি তোলা হয়েছে ।একটি মাএ মা – গাছ থেকে হাজার হাজার কলম তৈরি করে হাড়িভাঙ্গার বীজ ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে ।

বিশ্বসেরা আম হাড়িভাঙ্গা তার নাম। রংপুরের শতশত মানুষ এই হাড়িভাঙ্গা আম চাষে করে স্বাবলম্বী হয়েছেন ।হাড়িভাঙ্গা আম দেখতে সাধারণত কিছুটা লম্বাটেসহ গোলাকৃতির এবং কালচে সবুজ রংয়ের ।পাকলে কিছুটা লালচে রং ধারণ করে। হাড়িভাঙ্গা আম এক একটা ২০০-৫০০ গ্রাম হয়ে থাকে ।

হাড়িভাঙ্গা আম ২০ জুনের পর বাজারে পাওয়া যায়। সুগন্ধী, অতি সুমিষ্ট আঁশহীন এই জাতটি মুখে নিলেই মনে হয় অমৃত। পুষ্ট আম বেশি দিন অটুট থাকে। চামড়া কুচকে যায় তবুও পঁচে না। হাড়িভাঙ্গা আমের নামকরণঃতেকানী ও এর আশেপাশের এলাকা খিয়ারী মাটির ।তা ছাড়া বরেন্দ্রপ্রবণ অঞ্চল হওয়ার কারণে লাগানো গাছে পানি দিতে হতো সব সময়।পাইকার নফল উদ্দিন ও সারা দিন বিভিন্ন ভাবে ব্যবসায় বাণিজ্য ও কাজে কামে থাকতেন ।সে কারণে এই আম গাছটির নিচে তিনি মাটির হাঁড়ি দিয়ে ফিল্টার বানিয়ে তাতে সারা দিন পানি দিতেন। এরই মধ্যে একদিন রাতে কে বা কারা এই মাটির হাঁড়িটি ভেঙে ফেলেন ।

এই গাছে বিপুল পরিমাণ আম ধরে ।এগুলো ছিল খুবই সুস্বাদু। সেগুলো বিক্রির জন্য বাজারে নিয়ে গেলে লোকজন এই আম সম্পর্কে জানতে চায়। তখন নফল উদ্দিন মানুষকে বলেন ‘যে গাছের নিচের হাড়িটা মানুষ ভাঙছিল সেই গাছেরই আম এগুলো’তখন থেকেই এই গাছটির আম “হাড়িভাঙ্গা আম” নামে পরিচিত পায়।এটি কাঁচায় ছালসহ খেলে ও মিষ্টি লাগে। এখনো ইতিহাস ও কালের সাক্ষী হয়ে আমগাছটি আছে তেকানী গ্রামে ।দ্রুত গাছটি বেড়ে উঠে এবং বছর তিনেকের মাথায় সেই গাছে আম ধরে ।সুস্বাদু ও মিষ্টি হওয়ায় বিক্রি ও হয় প্রচুর।

Read 587 times

Leave a comment

Make sure you enter the (*) required information where indicated. HTML code is not allowed.