x 
Empty Product
Thursday, 22 April 2021 23:26

গরম তাড়াতে কাঁচা আমের জুস, বেড়েছে চাহিদা

Written by 
Rate this item
(0 votes)

রাজশাহীতে মাঝারি থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। চলতি মৌসুমে এখনও কালবৈশাখী না হলেও খরতাপেই ঝরে পড়ছে কাঁচা আম।

আমচাষিরা বাগানের ঝরে পড়া আম কুড়িয়ে বাজারে বিক্রি করছেন। গরমের তীব্রতায় কাঁচা আমের উপকারিতা ও ওষুধি গুণ থাকায় বাজারে এখন ঝরে পড়া কাঁচা আমের চাহিদা বেড়েছে।

এমনিতেই বাজারে নতুন আসা মৌসুমি ফলের প্রতি ক্রেতাদের বাড়তি আকর্ষণ থাকে। এর ফলে দামও কিছুটা বেশি। অন্য সময় ২০/২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয় ঝরে পড়া কাঁচা আম। কিন্তু এখন মানভেদে কেজি প্রতি কাঁচা আম বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, রাজশাহীর বাজারগুলোতে সাধারণত এপ্রিল মাসের শুরু থেকে কাঁচা আম আসতে শুরু করে। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। তবে ঝড় না হওয়ায় এখন সেভাবে আমের সরবরাহ নেই। ঝড় হলে প্রচুর পরিমাণে আম বাজারে আসবে। তখন দাম আগের মতোই হয়ে যাবে।

রাজশাহী মহানগরের শালবাগান বাজারে কাঁচা আম নিয়ে আসা হাসান আলী বাংলানিউজকে জানান, বাজারে যে জিনিসই নতুন আসুক তার প্রতি ক্রেতাদের চাহিদা একটু বেশি থাকে। কাঁচা আমের প্রতি এখন ক্রেতাদের বেশ চাহিদা রয়েছে। আর গরমের তীব্রতায় অনেকেই ইফতারে কাঁচা আমে জুস পছন্দ করেন। অনেকে আবার ডালের সাথে আম দিয়ে টক করে রান্না করেন। তাই সরবরাহের তুলনায় চাহিদা একটু বেশি। ঝড় হলে কাঁচা আমের সরবরাহ দ্বিগুণ হবে।

মহানগরের সাহেব বাজার মাস্টারপাড়া এলাকার আম বিক্রেতা আমিনুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, বর্তমানে বাজারে কাঁচা আমের কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা। বড় সাইজের আমগুলো ৫০ টাকা কেজি এবং ছোট আমগুলো ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে জুসের জন্য কাঁচা ফজলি আমের চাহিদাই বেশি। কারণ ফজলি আম কাঁচা অবস্থাতেও অনেক মিষ্টি। টক-মিষ্টি স্বাদের এই কাঁচা আমের জুস রাজশাহীর মানুষের অনেক বেশি প্রিয়। এছাড়া ল্যাংড়া, আশ্বিনা, আঁটি, গোপালভোগসহ অন্যান্য জাতের কাঁচা আমও ঝরে পড়ছে। বাজারে বিক্রিও হচ্ছে।

কাঁচা আমে জুসের গুণ
প্রচণ্ড গরমে কাঁচা আম এবং এর জুস দুটোই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ এবং ‘সি’, ক্যালশিয়াম ও আয়রন। কাঁচা আম ম্যাগনেসিয়ামেরও ভালো উৎস, যা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। কাঁচা আম হজম এবং ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে। গরমে কাঁচা আমের এক গ্লাস জুস সারা শরীরে এনে দিতে পারে প্রশান্তি। কাঁচা আমের জুস শরীরের জন্য ভালো। কাঁচা আম বা আমের রসে পটাশিয়াম থাকায় প্রচণ্ড গরমে তা শরীর ঠাণ্ডা রাখতে সহায়তা করে। গরমে অতিরিক্ত ঘামে শরীর থেকে সোডিয়াম ক্লোরাইড ও লৌহ বের হয়ে যায়। কাঁচা আমের জুস শরীরের এই ঘাটতি দূর করে। যারা ওজন কমাতে বা শরীরের বাড়তি ক্যালরি খরচ করতে চান, তাদের জন্য এখন আদর্শ ফল কাঁচা আম।

গরমে পেটের গোলমাল? এক গ্লাস আমের জুস দারুণ কাজে লাগতে পারে। খাদ্য হজমে সহায়তা করে কাঁচা আম। অন্ত্রকে পরিষ্কার করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দেয় কাঁচা আম।

কাঁচা আমে আছে প্রচুর শক্তি। সারাদিন রোজা থাকার পর ইফতারে কাঁচা আম খেলে বা আমের জুস পান করলে ঝিমুনি ও শরীরের সারাদিনের ক্লান্তি দূর হয়। এছাড়া কাঁচা আমের জুস হৃৎযন্ত্রের জন্য ভালো। কাঁচা আমকে হৃৎযন্ত্রবান্ধব বলা যেতে পারে। এতে আছে নিয়াসিন নামের বিশেষ উপাদান। এটি হৃৎরোগের ঝুঁকি কমায় এবং বাজে কোলস্টেরল স্তরকে কমাতে সাহায্য করে।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.banglanews24.com

Read 318 times

Leave a comment

Make sure you enter the (*) required information where indicated. HTML code is not allowed.