x 
Empty Product
Tuesday, 20 April 2021 15:58

ক্ষিরসাপাত আম বা হিমসাহগর আম

Written by 
Rate this item
(0 votes)

স্বাদে ও গন্ধে অতুলনীয় এই ক্ষিরসাপাত। আমটির
আকৃতি মাঝারি, গোলাকার দেখতে। আমটির গড় ওজন ২৬৩.৯ গ্রাম। আমটির বোটা মোটা এবং শক্ত। গা মসৃণ, পাকার পর নিন্মাংশ সবুজ থেকে যায়। বোটার আশেপাশে হলুদ
রাং ধারণ করে। আশবিহীন এই আমটির শাসের রং হলুদ। আমটির খোসা সামান্য মোটা।
খোসা ছাড়ালে এমনিতেই শাস
আটি থেকে বেড়িয়ে আসে।
ফলটি সুগন্ধযুক্ত ও রসালো, বেশ মিষ্টি। গড় মিষ্টতা ১৮.৪ %। এর আহারোপযোগী অংশ শতকরা ৬৭.২ ।

 

ষিরসাপাত/হীমসাগর আম পরিচিতি
----------------------------------------------
হিমসাগর/খিরসাপাত হল ব্যাপক জনপ্রিয় আম। রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও তার আশে পাশের মানুষ এটাকে খিরসাপাত নামেই ডাকে তবে ঢাকার লোকেরা এটাকে হিমসাগোর নামেই বেশি চেনে।অভিজাত শ্রেনীর এ আমের অসাধারন রং,অতুলনীয় মিষ্টি স্বাদ ও গন্ধ। এই আমের মিষ্টি সুগন্ধ ও স্বাদ পৃথিবীর অন্যান্য আমের থেকে ভিন্ন । তাই আম চাষের ক্ষেত্রে হিমসাগর আম চাষের কথা প্রথমে বিবেচনা করা হয় । হিমসাগর আম এতোই জনপ্রিয় যে , এই আমকে আমের রাজা বলা হয় । এই আমের ভিতরের রং হলুদ ও কমলা(রং) এবং কোন আঁশ নেই । একটি স্বাভাবিক আমের ওজন ২৫০ থেকে ৩৫০ গ্রাম হয়ে থাকে যার ৭৭ শতাংশই হল আম বাকি ৩৩ শতাংশ আমের আটি ।আমটির গড় মিষ্টতার পরিমান১৮.৪ ভাগ।এর আহরনযোগ্য অংশ ৬৭.২ অংশ। এটি আমের একটি ভাল বিশিষ্ট । হিমসাগর আমের স্বাদ অন্যান্য জনপ্রিয় আম আল্পফন্স ও ল্যাংড়া আমের থেকে ভাল । এই আমকে ভালবেসে ১০০+ লেখক কবিতা লিখেছেন । ভারত ও বাঙলায় এই আম ছাড়া গ্রীষ্মকাল ভাবাই যায় না ।
হিমসাগর আম জুন মাসে গাছে পাকতে শুরু করে এবং জুনের শেষের দিকে পূর্ণ বাজারজাত করা হয় ।দেশের বিভিন্ন জেলাতে এ আমটি জন্মে তবে চাঁপাইয়ে হিমসাগোর আকারে বড় ও স্বাদে গন্ধে অতুলনীয়।এ আমটি আমাদের নিজেস্ব ও লিজ নেওয়া বাগানগুলো থেকে সংগ্রহ করে ১০০% ফরমালিন, কার্বাইড ও সকল প্রকার কেমিক্যাল মুক্ত আম আপনাদের কাছে পোঁছে দিতে আমরা বদ্ধপরিকর।
আমাদের আমের বৈশিষ্টসমূহঃ-
১। রাসায়নিক ব্যাবহার করে কৃত্রিমভাবে রং করা হয়না
২। ফরমালিন, ক্যালসিয়াম বা কোন ধরনের কেমিক্যাল নাই ।
৩। সরাসরি বাছাইকৃত নিজ বাগান থেকে সংগ্রহ করা আম।
৪। প্রতিটি আম সাস্থসম্মত ও পরিপক্ব।
৫। প্রাকৃতিক স্বাদ,গন্ধে অটুট,এবং মিষ্টতায় ভরপুর।
৬। গাছে আম পাকা শুরু হবার সময় সংগ্রহ করা হয়।
৭। ১০০% ক্ষতিকর কেমিক্যাল মুক্ত আম।
 
আমের রাজা ল্যাংড়ার পরের স্থানটি দখল করে আছে যে আম টি তার নাম খিরসাপাত/হীমসাগর। গোলাকৃতি মাঝারি সাইজ এর এই আমটি ওজনে ১৫০ গ্রাম থেকে ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে। রাজশাহী ও তার আশেপাশের মানুষ এটাকে খিরসাপাত নামেই ডাকে তবে ঢাকার লোকেরা এটাকে হীমসাগর নামেই বেশি চেনে। অসাধারণ রং, অতুলনিয় মিষ্টি স্বাদ ও গন্ধ, খোসা কিছুটা মোটা, আঁঠি পাতলা, কম আঁশযুক্ত, ১০০% রং ও ক্ষতিকর কেমিক্যাল মুক্ত রাজশাহীর আম।

বাংলাদেশে জনপ্রিয়তা ও উৎকৃষ্টতা দুই দিক থেকেই হিমসাগর আম অনেক এগিয়ে। ক্ষিরসাপাত আমের সাথে এর অনেক মিল রয়েছে। দেখতে প্রায় একই রকমের। তবে স্বাদে কিছুটা ভিন্নতা আছে। জুনে মাসের প্রথম সপ্তহ থেকে জুলাই মাসের প্রথম সপ্তহ পর্যন্ত এ আম পাওয়া যায়। কাঁচা অবস্থাতে হাল্কা সবুজ ও পাকলে সবুজাভ হলুদ রং ধারণ করে। এর ত্বক মসৃণ খোসা মাঝারি ধরনের পুরু হয়। এটি আঁশবিহীন, সুগন্ধযুক্ত, সুস্বাদু ও অত্যন্ত রসালো একটি ফল।

স্বাদে অপূর্ব আমটি খেতে খুবই মিষ্টি। অন্যান্য আমের তুলনায় আকারে বেশ বড়। বিন্দু পরিমান আঁশ নেই । রসে টইটম্বুর । আম পরিপক্ক হলে হলুদ বর্ন ধারন করে । নিশ্চিন্ত মনে চোখ বন্ধ করে খাওয়া যায় । একবার খেলে বার বার খেতে ইচ্ছা করে। হিমসাগর ও ক্ষিরসাপাত উভয় জাতের আম রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সাতক্ষিরা অঞ্চলে বেশি উৎপাদিত হয়। এ আমটি গাছে প্রচুর ধরে। এর চাহিদা বাংলাদেশের সর্বত্র এবং আমটি ব্যাপক বাণিজ্যিক সফলতা লাভ করেছে।
 

এ মাসের প্রথম সপ্তাহে বাজারে এসেছে মধুমাসের মধুফল ক্ষীরশাপাতি ও হিমসাগর আম। এই আম দুটির মধ্যে ক্ষীরশাপাতি মোটামুটি জুলাই মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাজারে পাওয়া যাবে। হিমসাগর আম পাওয়া যাবে জুন মাসের শেষ নাগাদ।

এরপর ক্ষীরশাপাতি বা হিমসাগর নামে যেসব আম পাওয়া যাবে, সেগুলোর স্বাদ স্বাভাবিক আমের মতো হবে না। মনে রাখবেন, ফল হিসেবে আম খুবই শৃঙ্খলা মেনে চলে। যখন যে আমের পরিপক্ব হওয়ার কথা, তার এক সপ্তাহ আগে বা পরে ছাড়া সেই আম পাওয়া যায় না।

 


ক্ষীরশাপাতি
বাংলাদেশে উৎপন্ন অল্পসংখ্যক অতি উৎকৃষ্ট জাতের আমের মধ্যে ক্ষীরশাপাতির স্থান শীর্ষে। ল্যাংড়া, ক্ষীরশাপাতি ও গোপালভোগ—এই তিনটি আমের জাতকে আমভক্ত বাঙালি গুণ-মানের বিচারে শীর্ষে রেখেছেন। কোন আমটি সর্বশ্রেষ্ঠ, এর বিচার হয়নি, হবেও না কোনো দিন। কারণ, এই তিনটি আমের ভক্তের দল প্রায় সমান তিন শিবিরে বিভক্ত। কাজেই অনন্তকালব্যাপী চলতে থাকবে সর্বশ্রেষ্ঠ আম নির্বাচনের প্রতিযোগিতা, কিন্তু ফলাফল আসবে না কোনো দিনও।

ক্ষীরশাপাতি আম আশু জাতের। জুন মাসের শুরু থেকেই পরিপক্বতা লাভ করে বাজারে আসতে থাকে। জুলাই মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত ক্ষীরশাপাতি বাজারে পাওয়া যায়। তবে জুন মাসের ৭ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত ক্ষীরশাপাতি আমের আসল সময়। আমটির আকৃতি মাঝারি। দেখতে অনেকটা গোলাকার। একেকটির ওজন গড়ে ২৬৩ গ্রাম। ক্ষীরশাপাতি আমের বোঁটা বেশ মোটা এবং শক্ত। ত্বক মসৃণ, পাকলে ঊর্ধ্বাংশ অর্থাৎ বোঁটার আশপাশে হলুদ রং ধারণ করে। আমের মধ্যাংশ থেকে নিম্নাংশ হালকা সবুজ।

ক্ষীরশাপাতি সাধারণত গড়ে ৮ দশমিক ৬ সেন্টিমিটার দীর্ঘ হয়ে থাকে। ফলটির প্রস্থ ৭ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার এবং উচ্চতা ৬ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়। ক্ষীরশাপাতির খোসা সামান্য মোটা। আঁশবিহীন আমটির শাঁস হলুদাভ। ফলটি সুগন্ধযুক্ত, রসাল ও অত্যন্ত মিষ্টি স্বাদের। এর খাবার উপযোগী অংশ শতকরা ৬৭ দশমিক ২ ভাগ। খোসা ছাড়িয়ে নিলে এমনিতেই শাঁস আঁটি থেকে বেরিয়ে আসে। অনেক জাতের উচ্চমানের আম রয়েছে, যেগুলো গাছপাকা অবস্থায় খেলে টকের পরিমাণ প্রায় ৫০ শতাংশ রয়ে যায়। এগুলো গাছপাকা অবস্থায় গাছ থেকে নামিয়ে অন্তত তিন থেকে চার দিন ঘরে রাখার পর মিষ্টতা আসে। এ-জাতীয় আম হচ্ছে মল্লিকা, মোহনভোগ, আশ্বিনা, বৃন্দাবনি ইত্যাদি। ক্ষীরশাপাতি পাকা অবস্থায় গাছ থেকে নামিয়ে কেটে ফালি করে খেতেও অত্যন্ত সুস্বাদু। ক্ষীরশাপাতির মিষ্টতার পরিমাণ ১৯ শতাংশ। গাছ থেকে সংগ্রহের পর আমটি ছয় থেকে আট দিন পর্যন্ত ঘরে রাখা যায়। এই ফলের আঁটি পাতলা।

ক্ষীরশাপাতির ফলন খুব ভালো। তবে জাতটি অনিয়মিত। প্রতিবছরেই ফল আসবে না। যে বছর গাছে ফল আসবে, পরিমাণে অল্প আসবে না। গাছে ফল দিয়ে ভরে যাবে। আমটি অত্যন্ত বাণিজ্যসফল। নবাবগঞ্জ জেলার সর্বত্র, বিশেষ করে শিবগঞ্জ উপজেলায় সর্বাধিক ক্ষীরশাপাতি আমের চাষ হয়ে থাকে। এখানকার বাগানে উৎপাদিত ক্ষীরশাপাতি গুণে ও মানে সর্বোৎকৃষ্ট। নবাবগঞ্জ ব্যতীত রাজশাহী, নাটোর, দিনাজপুর, বগুড়া, নওগাঁ, পাবনা ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে ক্ষীরশাপাতি আমের আবাদ হয়ে থাকে। তবে নবাবগঞ্জের পরেই ক্ষীরশাপাতি উৎপাদনে রাজশাহীর স্থান অগ্রগণ্য। ক্ষীরশাপাতির আরেকটি জাত রয়েছে ক্ষুদিক্ষীরশা নামের। এই আম আসল ক্ষীরশাপাতির চেয়ে ওজনে সামান্য কম। স্বাদ একই রকমের। ক্ষুদিক্ষীরশার রং কালচে সবুজ। আসল ক্ষীরশাপাতি হালকা সবুজ রঙের হয়ে থাকে। উভয় জাতের মূল্য ও মান একই পর্যায়ের। ক্ষুদিক্ষীরশা নবাবগঞ্জ ও রাজশাহী জেলার সীমানা পেরিয়ে বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলে এখনো প্রবেশ করতে পারেনি।

ঢাকা, কুমিল্লা, সিলেট, চট্টগ্রাম, বরিশাল—এসব জেলায় হিমসাগর নামের জাতটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। হিমসাগর ও ক্ষীরশাপাতির স্বাদ প্রায় একই রকমের। দেখতেও ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয় না। তবে হিমসাগরের উৎপাদন অত্যন্ত কম হওয়ায় খুচরা বিক্রেতারা ক্ষীরশাপাতি আমকে হিমসাগর বলেই বিক্রি করছেন উল্লিখিত জেলাগুলোর শহর ও বাজারে। ক্রেতাসাধারণ সানন্দে ক্ষীরশাপাতি আম কিনছেন হিমসাগর মনে করে। এতে ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

ক্ষীরশাপাতি একান্তই বাংলাদেশের আম। ধারণা করা হয়, মুর্শিদাবাদের নবাবদের বাগান থেকে প্রথম উদ্ভাবিত হয়েছিল ক্ষীরশাপাতি। মুকুল আসার পর মোট চার মাস সময় নেয় আমটি পোক্ত হতে। আমটি চেনার সহজ উপায় হচ্ছে এটি দেখতে অনেকটা গোলাকার, বোঁটা বেশ মোটা। পৃষ্ঠদেশের কাঁধের চেয়ে সম্মুখে কাঁধ অপেক্ষাকৃত স্ফীত। ফলটির অবতল বা সাইনাস এবং ঠোঁট নেই বললেই চলে। শীর্ষদেশ গোলাকৃতির।


হিমসাগর
বাংলাদেশে অতি উৎকৃষ্ট জাতের মধ্যে হিমসাগরের অবস্থান প্রায় শীর্ষে। হিমসাগর আম জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে পাকতে শুরু করে এবং পুরো জুন মাস বাজারে পাওয়া যায়। হিমসাগর জাতটি আশু বলা যেতে পারে; পাশাপাশি মধ্য মৌসুমি জাতের আম হিসেবেও গণ্য করা যায় একে।

হিমসাগর আমের গাছের আকৃতি মাঝারি। একটি হিমসাগর আমের গাছ ১২ বছর বয়সী হলে পূর্ণাঙ্গভাবে ফল দিতে সক্ষম হয়। ফলন মাঝারি এবং অনিয়মিত। হিমসাগর আম পূর্ণতাপ্রাপ্ত হলে এর গড়ন বুকের দিকটা গোলাকার এবং অবতল বা সাইনাস থেকে সামান্য লম্বাটে আকার নিয়ে শীর্ষদেশ গোলাকৃতির হয়ে থাকে। পরিপক্ব হিমসাগর আমের রং হালকা সবুজ। পাকার পরেও সবুজ থেকে যায়। ত্বক মসৃণ, খোসা পাতলা। আমটির ঠোঁট নেই। হিমসাগর অত্যন্ত উৎকৃষ্ট স্বাদের সুগন্ধযুক্ত আম। শাঁস নরম এবং আঁশবিহীন। শাঁস কমলা রঙের। আমটির খাবারের উপযোগী অংশ ৬৭ দশমিক ৫ ভাগ। হিমসাগর আম সুমিষ্ট। টিএসএস বা মিষ্টতার পরিমাণ শতকরা ২২ দশমিক ৮৪ ভাগ। পরিপক্ব আম সংগ্রহ করার পর আট দিন পর্যন্ত ঘরে রাখা যায়। ফলটির গড় ওজন ২১৯ গ্রাম। লম্বায় ৮ দশমিক ৬৯ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। ফলের বোঁটা বেশ শক্ত বলে ঝোড়ো হাওয়া সহ্য করার ক্ষমতা রাখে। ক্ষীরশাপাতি আমের সঙ্গে হিমসাগর আমের বেশ কিছুটা সাদৃশ্য থাকার কারণে এই আমকে অনেকেই ক্ষীরশাপাতি মনে করে ভুল করে থাকেন। আবার ক্ষীরশাপাতি আমকে হিমসাগর নামে বিক্রি করা হয়। ক্ষীরশাপাতি ও হিমসাগর আমকে আলাদা করা সহজ হবে রঙের পার্থক্য দেখে। পাকার পর ক্ষীরশাপাতি আমের ওপরের অংশ হলুদ রং ধারণ করবে। এ ক্ষেত্রে হিমসাগর আম পাকার পরেও সবুজাভ হালকা হলুদ রঙের হবে।

আমটির চাহিদা বাংলাদেশের সর্বত্রই। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অনেক কম। বৃহত্তর রাজশাহী জেলায় হিমসাগর আমের চাষ খুব কম। এই জাতের চাষ ব্যাপকভাবে হয়ে থাকে চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলায়, মেহেরপুর জেলার সদর উপজেলায়, সাতক্ষীরা জেলার সদর, দেবহাটা, কলারোয়া ও তালা উপজেলা এলাকায়। উল্লিখিত এলাকার আমবাগান থেকে ভরা মৌসুমে ট্রাকবোঝাই হিমসাগর আম ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল জেলার বাজারগুলোয় চলে আসে। ঢাকার বাজারে এ সময় হিমসাগর আমের চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি।

চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, সাতক্ষীরা এবং ভারতের নদীয়া জেলায় উৎপাদিত হিমসাগর আমের সঙ্গে ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলায় উৎপাদিত শাদওয়ালা বা শাদৌলা নামের অতি উৎকৃষ্ট জাতের আমের অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। একই কথা ক্ষীরশাপাতির ক্ষেত্রেও বলা যায়। মুর্শিদাবাদের নবাব শাদৌলা আমের সবচেয়ে বড় সমঝদার ছিলেন বলে জানা যায়।

বিদ্রঃ এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে।

Read 1560 times

Leave a comment

Make sure you enter the (*) required information where indicated. HTML code is not allowed.