x 
Empty Product
Thursday, 16 April 2020 06:58

মাথায় হাত চাষিদের

Written by 
Rate this item
(0 votes)

নতুন বছরের শুরুতেই কালবৈশাখী ঝড়। ঝড়ের দাপটে বিপর্যস্ত গোটা জেলা। অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি আম চাষে ও ব্যাপক ক্ষতি। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য লকডাউন চলছে। ফলের বাগান পরিচর্যা করতে শ্রমিকের অভাব। স্প্রে সহ অন্যান্য অনুখাদ্য আম বাগানে দেওয়া যাচ্ছে না। ফলে এমনিতেই আমের উৎপাদন অনেকটাই কম হবে বলে মনে করছেন জেলা উদ্যানপালন দফতর। এর পাশাপাশি এই কালবৈশাখীর ঝড়ে আরও ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বর্তমান সময়ে আম ছোট থাকলেও বুধবারের ঝড়ে আম বাগানগুলোতে দেখা গেল স্থানীয় লোকেরা আম কুড়োচ্ছেন। এমনিতেই মুকুল থাকার সময় অকাল বর্ষণে প্রথম দফায় ক্ষতি হয় অনেকটাই। অকাল বর্ষণ. করোনাভাইরাস, কালবৈশাখী ঝড় সব মিলিয়ে মালদা জেলার মূল অর্থনীতি এবার বড়সড় ধাক্কা খাবে বলে মনে করছেন চাষিরা। মালদা জেলায় এ বছর ৩১ হাজার হেক্টর জমিতে আম চাষ হচ্ছে। মূলত ল্যাংড়া, ফজলি, হিমসাগর,আশ্বিনা, গোপাল ভোগ সহ ৩০ টিরও বেশি প্রজাতির আম মালদায় চাষ হয়। মালদা জেলার মূল জনসংখ্যার ৭০ভাগ লোক প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে আম চাষের সঙ্গে যুক্ত। জেলার অর্থনীতির মূল ভিত্তি হচ্ছে আম। মালদা জেলার পাশাপাশি রাজ্যের অন্য জেলাতেও আম ব্যবসায়ীরা আম পাঠিয়ে থাকেন। গত বছরও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আম রফতানি করা হয়েছিল। কিন্তু এ বছর বাজারে মালদার আম যখন উঠবে জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে। করোনা ভাইরাসের কারনে অন্য দেশে আম রফতানি করা যাবে না বলে মনে করছেন আম চাষিরা। মালদহ ম্যাঙ্গো মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি উজ্জ্বল সাহা বলেন, ‘আম চাষিদের বিরাট ক্ষতি হয়ে গেল। সংশ্লিষ্ট দফতরকে আম চাষিদের পাশে থাকা দরকার।’

Read 1224 times

Leave a comment

Make sure you enter the (*) required information where indicated. HTML code is not allowed.