x 
Empty Product
Monday, 16 December 2019 08:06

যে গাছের পাতার গরমে আম পাকে: গাছটি চিনে রাখুন

Written by 
Rate this item
(0 votes)

গাছটির বিভিন্ন নাম: আশশেওড়া / দাতন / দাঁতমাজন / মটকিলা / বনজামির / কওয়াটুটি / মইল্টা

বৈজ্ঞানিক নাম: Glycosmis pentaphylla.
সমনাম: Glycosmis arborea (Roxb.) A. DC. Glycosmis cochinchinensis Pierre ex Engler

বাংলা নাম: দাতমাজন, মটকিলা; কওয়াটুটি, মটমটি, আশশেওড়া, Aidali, Fatik, Ban Jamir.

ইংরেজি নাম: Toothbrush Plant, Motar tree.

উপজাতি নাম: তাতিয়াং (মারমা), হতিজ্ঞিরা (চাকমা), সি মা সেরে (তঞ্চগা), মোয়াতন (গারো).

জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae - Plants
উপরাজ্য: Tracheobionta - Vascular plants
অধিবিভাগ: Spermatophyta - Seed plants
বিভাগ: Magnoliophyta - Flowering plants
শ্রেণী: Magnoliopsida - Dicotyledons
উপশ্রেণি: Rosidae
বর্গ: Sapindales.
পরিবার: Rutaceae - Rue family.
গণ: Glycosmis Correa – glycosmis.
প্রজাতি: Glycosmis pentaphylla (Retz.) A. DC.

পরিচিতি: আশশেওড়া গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। ৩-৪ ফুট উঁচু হতে পারে। কিছু কিছু গাছ ৬ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয় পাতায় এক থেকে পাঁচটি পত্রাংশ। পাতা ডিম্বাকৃতি, মসৃণ পাতলা। পাতার রং সবুজ। পাতার দৈঘ্য ৩-৪ ইঞ্চি। মাঝ বরাবর প্রস্থ ২-২.৫ ইঞ্চি। পাতা কাণ্ড থেকে একান্তরভাবে বের হয়। ফুল গাঢ় সবুজ। মঞ্জরি বহুপুষ্পক। ফুলের ব্যাস ৫-৭ মিলিমিটার। পাপড়ি চার থেকে পাঁচটি। ফুল হালকা মিষ্টি গন্ধ যুক্ত। পুংকেশর সংখ্যা ১০টি। গর্ভদণ্ড ছোট। ফল ছোট। ১-৩টি লম্বা আকারের বীজ থাকে। নভেম্বর মাসে ফুল ও মার্চ মাসে ফল হয়। তবে ফল পাকলে গোলাপি রং ধারণ করে। ফল মটর দানার চেয়ে সামান্য বড়। প্রতি থোকায় ২০-৫০ পর্যন্ত ফল থাকে। কাণ্ডের রং ধুসর। কাণ্ড বেশ শক্ত। কাণ্ডের ১.৫-২ ফুট পর্যন্ত কোনো ডালপালা হয় না বললেই চলে। কাণ্ডের বেড় ১.৫-২.৫ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়। আশশেওড়া মূল, চারা বীজ থেকে জন্মায়।

ব্যবহার: আম বা ফল পাকাতে ব্যাবহার করা হয়। পাতার রস লিভারের সমস্যা, কাশি, ও বাত রোগের উপশম করে। রক্তশূন্যতা ও জণ্ডিসের চিকিৎসায় কার্যকরি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
ডাল মেসুয়াক করতে ব্যবহা করা হয়।

 

কোথায় পাওয়া যায় : সারেদেশের গ্রামীণ জঙ্গলে, রাস্তার দুই ধারে, জমির আইল, বাড়ির পেছনে, পুরনো দালানের ইটের খাঁজে, পুকুর পাড়ে, নদীর ধারে, ঘন ঝোপের আড়ালে। সর্বোপরি প্রায় সকল জায়গাতেই জন্মাতে, বেড়ে ওঠতে পারে এরা।

 

Read 1444 times

Leave a comment

Make sure you enter the (*) required information where indicated. HTML code is not allowed.