x 
Empty Product
Monday, 25 November 2019 07:45

কাটিমন আম ( katimon mango )

Written by 
Rate this item
(0 votes)

জীবননগরে ‘বারোমাসি’ থাই ‘আম’ চাষে রীতিমতো নীরব বিপ্লব ঘটিয়েছেন তেঁতুলিয়া গ্রামের নার্সারি মালিক আবুল কাশেম। প্রবল মনোবল ও কঠোর পরিশ্রম কাশেমকে সাফল্য এনে দিয়েছে। অসময়ে ‘আম’ উৎপাদন ভালো হওয়ায় তার দেখাদেখি ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে এলাকার কৃষকরা এখন ‘আম’ চাষে ঝুঁকছেন। ‘বারোমাসি’ ‘আম’ চাষ করে কাশেম কৃষকদের চাষাবাদ সম্পর্কে চিরায়ত চিন্তাধারাও বদলে দিয়েছেন। গাছে বারোমাস ধরে বলে এ আমের নাম রাখা হয়েছে ‘বারোমাসি’। ‘আবুল কাশেম ’এ বছর তার ২০ বিঘা বাগান থেকে প্রায় ১৬ লাখ টাকার ‘আম’ বিক্রি করেছেন। আগামীতে ‘আম’ বিক্রি করে আরও লাভের আশা করছেন তিনি। আমের পাশাপাশি শুধু এ বছরই তিনি নার্সারি থেকে আড়াই লাখ ‘বারোমাসি’ আমের চারা ৫ কোটি টাকায় বিক্রি করবেন বলে জানিয়েছেন। প্রায় ৩২ বছর আগে অন্যের কাছ থেকে ১১ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে তাতে নার্সারি তৈরি করেন আবুল কাশেম। নার্সারি থেকে ফলজ, বনজ এবং ওষুধি গাছের চারা বিক্রি করে যা আয় হতো তা দিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে কোনো রকমে তার সংসার চলত। জীবন সংগ্রামে জয়ী হওয়ার জন্য তিনি ৮ বছর আগে ‘আম’ চাষের পরিকল্পনা করেন। ঠিক ওই সময় তার এক নিকট আত্মীয় নূর ইসলাম থাইল্যান্ডে যান ব্যবসায়িক সফরে।

সেখানে তাদের একটি ‘আম’ বাগান পরিদর্শন করান হয় এবং ওই বাগান থেকে পাকা ‘আম’ পেড়ে খেতে দেয়া হয়। সুমিষ্ট ওই ‘আম’ খেয়ে ভালো লেগে যায়। তিনি বাগান থেকে ‘আম’ গাছের একটি ডগা ভেঙে ব্যাগে নেন। দেশে ফিরে ওই ডগাটি নার্সারি মালিক আবুল কাশেমকে দেন চারা তৈরি করার জন্য। সেই ডগা থেকে চারা তৈরি করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন কাশেম। পরের বছরই ওই গাছে ৮-১০টি ‘আম’ ধরে। একে একে তিনবার ‘আম’ ধরে গাছটিতে। পাকা ‘আম’ খেতে অত্যন্ত সুমিষ্ট হওয়ায় কাশেম উদ্বুদ্ধ হয়ে ওই চারা থেকে আবার কলম চারা তৈরি শুরু করেন। নিজেদের ভাগ্য বদলের পাশাপাশি এলাকার কৃষকদের জন্য কিছু করার মানসিকতা নিয়ে ‘আবুল কাশেম ’২০১৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে ওই ‘থাই জাতের ‘বারোমাসি’কলম চারা দিয়ে উপজেলার বাঁকা গ্রামের মাঠে ৬ বিঘা এবং তেঁতুলিয়া গ্রামের মাঠে ১৪ বিঘা ‘আম’বাগান গড়ে তুলেছেন। ২ হাজার গাছ রয়েছে তার বাগানে। এছাড়া তার নার্সারিতে বিক্রির জন্য রয়েছে প্রায় আড়াই লাখ ‘বারোমাসি’ আমের চারা। ‘কাটিমন’" ‘আমের বাগান ’কেন করবেন:- ‘কাটিমন’"একটি থাই ভ্যারাইটির উন্নতমানের ১২ মাসি ‘আম’। যেটা যে কোন ‘বারোমাসি’ আমের জাতের মধ্যে সেরা(স্বাদের দিক থেকে) দারুন মিষ্টি এবং আশ নেই বললেই চলে। এটি থাইল্যান্ড,ইন্দোনেশিয়া,মালায়েশিয়ায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়।

কাটিমন’ ‘আম’ এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:-

✔️ আমাদের দেশের আবহাওয়া উপযোগী।

✔️ আম্রপালির মত ছোট গাছে ‘আম’হয়।

✔️ এই জাতে প্রচুর ‘আম’ ধরে।

✔️ একই গাছে একসাথে মুকুল,ছোট,মাঝারি,বড়,পাকা ‘আম’ থাকে বা যে কোন পর্যায়ের মুকুল /’আম’ থাকে।

✔️ এই গাছে নতুন কুশি ছাড়লেই মুকুল আসে।

✔️ এর কোন সিজন আর অফ সিজন নেই।

✔️ এইজাতের ‘আম’ কাঁচাখেতে মিষ্টি(টক না) এর মত এবং পাঁকা খুবই মিষ্টি।

✔️ আমের আটি তুলনামূলক ছোট।

✔️ প্রতিটি আমের গড় ওজন ৩০০-৩৫০ গ্রাম।

বাণিজ্যিক ভাবে আমাদের দেশে যদিএই জাতের ‘আম’ বাগান করা যায় তাহলে অফ সিজনেউচ্চমূল্যে এই ‘আম’ বিক্রি করে অনেক লাভবান হওয়া সম্ভব।নিচে "‘কাটিমন’" আমেগাছ,মুকুল,’আম’(ছোট,মাঝারি,বড়),পাকা ‘আম’,কাটার পর অংশ দেয়া হল। “‘কাটিমন’”একটি থাই ভ্যারাইটির উন্নতমানের ১২ মাসি ‘আম’। যেটা যে কোন ‘বারোমাসি’ আমের জাতের মধ্যে সেরা(স্বাদের দিক থেকে) দারুন মিষ্টি এবং আশ নেই বললেই চলে।এটি থাইল্যান্ড,ইন্দোনেশিয়া,মালায়েশিয়ায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়।”‘কাটিমন’” ‘আম’ এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:আমাদের দেশের আবহাওয়া উপযোগী।আম্রপালির মত ছোট গাছে ‘আম’হয়।এই জাতে প্রচুর ‘আম’ ধরে।একই গাছে একসাথে মুকুল,ছোট,মাঝারি,বড়,পাকা ‘আম’থাকে বা যে কোন পর্যায়ের মুকুল /’আম’ থাকে।

এই গাছে নতুন কুশি ছাড়লেই মুকুল আসে।এর কোন সিজন আর অফ সিজন নেই।এইজাতের ‘আম’ কাঁচাখেতে মিষ্টি(টক না) এর মত এবংপাঁকা খুবই মিষ্টি।আমের আটি তুলনামূলক ছোট।প্রতিটি আমের গড় ওজন ৩০০-৩৫০ গ্রাম।আমি মনে করি বাণিজ্যিক ভাবে আমাদের দেশে যদিএই জাতের ‘আম’ বাগান করা যায় তাহলে অফ সিজনেউচ্চমূল্যে এই ‘আম’ বিক্রি করে অনেক লাভবান হওয়া সম্ভব।

Read 2206 times

Leave a comment

Make sure you enter the (*) required information where indicated. HTML code is not allowed.