x 
Empty Product
Sunday, 22 July 2018 08:58

চাহিদা বাড়ছে রাংগোয়াই আমের

Written by 
Rate this item
(0 votes)

বান্দরবানে রাংগোয়াই জাতের আমের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। পাহাড়ের প্রতিটি বাগানে থোকায় থোকায় ঝুলছে কাঁচা-পাকা রাংগোয়াই আম। কম আঁশযুক্ত আর খেতে সুস্বাদু হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ আমের চাহিদাও বাড়ছে। পোকামাকড়ের আক্রমণ কম ও পর্যাপ্ত পরিমাণে বৃষ্টি হওয়ায় এ বছর আমের ফলনও ভালো হয়েছে।

আমচাষিরা বলছেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকায় আমের ফলনও ভালো হয়েছে। প্রতি মণ আম বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর আমের দাম কম হলেও,পাইকাররা আম কিনতে আসেননি। তাই আম বিক্রি করতে না পেরে অধিকাংশ আম গাছেই নষ্ট হচ্ছে।

লাই পাড়ার আম চাষি ডেবিড বম জানান, বাগানের প্রত্যেক গাছে আম ধরেছে। আমে কোনো ধরনের পোকামাকড় নেই।

বেথেল পাড়ার আমচাষি লাললুং থাং বম জানান, তার বাগানে ৪ থেকে ৫০০ আমের চারা আছে। এরমধ্যে রাংগোয়া,ফজলি আর আম্রোপালি চারার সংখ্যা বেশি। প্রত্যেকটি গাছে প্রচুর আম ধরেছে। আমের দাম কম হওয়ায় পাইকাররাও খুশি।

লাইপাড়ায় আম কিনতে এসে পাইকার জামাল হোসেন বলেন, এ বছর আমের দাম কম। তাই সাতকানিয়া, কেরানীহাটসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন জেলায় এ আম বিক্রি করে ভালো দাম পাব।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্যমতে, ২০১৩-১৪ সালে ৪ হাজার ৩১২ হেক্টর জমিতে ৭৩ হাজার ৩০৪ মেট্রিক টন, ২০১৪-১৫ সালে ৪ হাজার ৫১৮ হেক্টর জমিতে ৭৬ হাজার ৮০৬ মেট্রিক টন, ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ৪ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে ৮২ হাজার মেট্রিক টন ও ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ৪ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে ৭০ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদন হয়েছিল।

বান্দরবান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আলতাফ হোসেন জানান, রাংগোয়াই আম এ এলাকায় ব্যাপক চাষ হয়। এখানকার আবহাওয়া, জলবায়ু ও মাটি এ আম চাষের জন্য সহায়ক। উন্নত পদ্ধতিতে কিভাবে আম চাষ করা যায় এবং কিভাবে পোকামাকড় দমন করা যায় সে ব্যাপারে আমরা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি।

এছাড়া তিনি আরও জানান, এ এলাকায় দেশের কিছু বড় কোম্পানি ব্যাপকভাবে আম চাষ করেছে। এ আমগুলো দেশের বাইরে রফতানির জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Read 2200 times Last modified on Monday, 31 December 2018 09:06

Leave a comment

Make sure you enter the (*) required information where indicated. HTML code is not allowed.