দিনে কাঠফাটা গরম আর রাতে ঠান্ডা। অবহাওয়ার এই নরম-গরম মেজাজে মার খাচ্ছে আমের ফলন।

প্রচুর মুকুলে ছেয়ে গিয়েছিল গাছ। কিন্তু ফল ধরার আগেই শুকিয়ে ধরে পড়ছে মাটিতে। চিন্তিত চাষিরা— এ রকম চললে গত বছরের তুলনায় ফলন অনেকটাই কমে যাবে।

বাঁকুড়ার দামোদরপুর গ্রামের আমবাগানের মালিক সিদ্ধার্থ সেন বলেন, ‘‘কুয়াশা উধাও হয়ে গেল। এ দিকে কালবৈশাখীর দেখা নেই। মুকুল ঝরছে। পোকা ধরছে। ফলন কী হবে কে জানে!’’

তা হলে?

কৃষি দফতরের আধিকারিকেরা জানাচ্ছেন, কালবৈশাখী এলে তবেই স্বস্তি।

উদ্যানপালন দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টর মলয় মাঝি বলেন, ‘‘হঠাৎ করে গরম বেড়ে যাওয়ায় বাষ্পমোচন বেশি হচ্ছে। তাই শুকিয়ে যাচ্ছে মুকুল।’’ আনাজ খেতগুলি থেকে শীতকালীন ফসল এখন তুলে নেওয়া হয়েছে। ফাঁকা মাঠে চড়া রোদ থেকে বাঁচতে পোকার দল এসে ঘাপটি মারছে আম গাছের তলায়।