x 
Empty Product

সাবাস বাংলাদেশ

User Rating:  / 0
PoorBest 

সাবাস বাংলাদেশ দেশের সর্ব বৃহৎ মুক্তিযুদ্ধ স্মারক ভাস্কর্য। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রবেশ দ্বারের পাশে এবং সিনেট ভবন সংলগ্ন দক্ষিন পাশে অবস্থিত। ভাস্কর্যের সামনে ৪০ × ৪০ ফুট একটি চত্বর আছে। চত্বরের ৬ ফুট দেবীর উপর স্থাপিত দুজন মানুষের আকৃতি।

সাবাস বাংলাদেশ দেশের সর্ব বৃহৎ মুক্তিযুদ্ধ স্মারক ভাস্কর্য। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রবেশ দ্বারের পাশে এবং সিনেট ভবন সংলগ্ন দক্ষিন পাশে অবস্থিত। ভাস্কর্যের সামনে ৪০ × ৪০ ফুট একটি চত্বর আছে। চত্বরের ৬ ফুট দেবীর উপর স্থাপিত দুজন মানুষের আকৃতি।

এর একজন হলো অসম সাহসের প্রতীক, যিনি ধৈর্য দিয়ে বিজয়কে করায়ত্ত করেছেন। অন্যজনের রয়েছে বিপুল উল্লাস। যাতে বুঝানো হয়েছে আমাদের দেশটা সামনে এগুনোর পথ খুঁজে পেয়েছে। ভাস্কর্যের মূল দুটি অবয়বের পিছনে রয়েছে বাংলাদেশের পতাকার একটি ভাস্কর্য ফরম। এর উচ্চতা মাটি থেকে ৩৬ফূট, যা পুরো দেশটাকে প্রতিনিধিত্ব করছে। সম্পূর্ণ ভাস্কর্যের মধ্যে শুধু অতীত আর বর্তমান সুকান্তর দুচররণের কবিতা। এই ভাস্কর্যের স্থপতি বিখ্যাত শিল্পী নিতুন কুন্ডু। এর স্থাপনের উদ্যোগ ছিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তত্ত্ববধানে ও অর্থানুকুল্যে ছাত্র জনতার আর্থিক সহযোগিতায় শিল্পী নিতুন কুন্ডু পারিশ্রমিক ছাড়াই ভাস্কর্যটি তৈরী করে শিক্ষা ভূমি রাজশাহীর মাটিতে মহত্বের স্বাক্ষর রাখেন। ১৯৯২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারী শহীদ জননী বেগম জাহানারা ইমাম ভাস্কর্যটি উন্মোচন করেন।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found