x 
Empty Product

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনার কমপ্লেক্স

User Rating:  / 1
PoorBest 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল প্রশাসন ভবনের পূর্বে অবস্থিত এই শহীদ মিনার কমপ্লেক্সটি রাজশাহীর অন্যতম স্থাপত্য কীর্তি। শহীদ মিনারটি ২ লাখ ৯ হাজার বর্গফুট বা চার একর ভূমিতে ১২ ফুট উচু ৬ কোণা প্লাট ফর্মের উপর ৫৬ ফুট লম্বা ৪টি স্তম্ভ দিয়ে তৈরী।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল প্রশাসন ভবনের পূর্বে অবস্থিত এই শহীদ মিনার কমপ্লেক্সটি রাজশাহীর অন্যতম স্থাপত্য কীর্তি। শহীদ মিনারটি ২ লাখ ৯ হাজার বর্গফুট বা চার একর ভূমিতে ১২ ফুট উচু ৬ কোণা প্লাট ফর্মের উপর ৫৬ ফুট লম্বা ৪টি স্তম্ভ দিয়ে তৈরী।

শহীদ মিনার কমপ্লেক্স এর আরো আছে উন্মুক্ত মঞ্চ, শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা, রাকসু ভবন, কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া, আকর্ষণীয় ফুলের বাগান ও ১৮ হাজার বর্গফুটের সবুজ চত্বর। শহীদ মিনারের পটভূমিতে আছে বিখ্যাত শিল্পী মুর্তজা বশীরের ৩২১৬ ফুটের কে বিশাল ম্যুরাল। শিল্পী ফনীন্দ্র নাথ রায়েরও একটি ম্যুরাল আছে। অমর ভাষা সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশ্যে ১৯৬৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা রাতারাতি শহীদুল্লাহ কলাভবনের দক্ষিনে আমবাগানের মধ্যে শহীদ মিনার তৈরী করেছিলেন। আব্দুল হামিদ, আব্দুর রাজ্জাক, বায়েজিদ আহমেদ, শমসের আলী, আহসানুল করিম, ওমর ফারুক, সেলিমুজ্জামান, আবুল হোসেন, আবুল কাশেম, আব্দুল হাই, সাইদুর রহমান, একরামুল হক খুদ, নজরুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান সুজা, প্রভাত কুমার প্রমুখ চাত্রোদ মধ্যে উল্লেখোযাগ্য ভুমিকা রাখেন। তারপর ১৯৬৪-৬৫ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের প্রচেষ্টায় শহীদ মিনারটি পূর্ণাঙ্গ রুপ পায়। মুক্তি যুদ্ধ চলাকালীন পাক বাহিনী শহীদ মিনারটি ভেঙ্গে ফেলে। স্বাধীনতার পর বাংলা ১৩৭৯ সালের ২৬ বৈশাখ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান শহীদ মিনারটি বর্তমান স্থানে পুনরায় ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন এবং বাংলা ৯ বৈশাখ ১৩৯২ বা ২৩ এপ্রিল ১৯৭৫ সালে প্রধানমন্ত্রী এম. মনসুর আলী এর উদ্বোধন করেন।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found