x 
Empty Product

স্মৃতি অম্লান

User Rating:  / 0
PoorBest 

স্মৃতি অম্লান পরিচিতিঃ

ভূমি হতে স্মৃতিস্তম্ভের  সর্বমোট উচ্চতা ২৪.০০ মিটার (প্রায়) বা ৮০ ফুট ভূমি হতে গোলকের নিচ পর্যন্ত স্তম্ভের উচ্চতা ২১.৬৪ মিটার বা ৭১ ফুট

স্মৃতি অম্লান পরিচিতিঃ

ভূমি হতে স্মৃতিস্তম্ভের  সর্বমোট উচ্চতা ২৪.০০ মিটার (প্রায়) বা ৮০ ফুট ভূমি হতে গোলকের নিচ পর্যন্ত স্তম্ভের উচ্চতা ২১.৬৪ মিটার বা ৭১ ফুট

 

গোলকের ব্যাস ৩ মিটার বা ১০ ফুট বেদীর উচ্চতা ১.০৬ মিটার বা ৩ ফুট ৬ ইঞ্চি বেদীর  ব্যাস ১৩.৭০ মিটার বা ৪৫ ফুট বেদীতলে মূল স্তম্ভের ব্যাস ৯.৬৫ মিটার বা ৩১ ফুট ৮ ইঞ্চি শীর্ষ তলে মূল স্তম্ভের ব্যাস ২.৮০মিটার বা ৯ ফুট ২ ইঞ্চি মূল স্তম্ভটিকে পাদদেশে বক্রাকারে নির্মাণ করা হয়েছে। এরকম তিনটি স্তম্ভ পাশাপাশি রয়েছে এবং ক্রমান্বয়ে সোজা হয়ে উপরের দিকে উঠে গেছে। প্রতিটি স্তম্ভের হেলানো পাশে ২৪ টি করে ধাপ রয়েছে এবং প্রতিটিতে ১০টি করে মোট ৩০টি ছিদ্র রয়েছে। স্তম্ভের শীর্ষে একটি গোলক রয়েছে। গোলক তল  থেকে ভূমি পর্য্ত স্তম্ভের উচ্চতা ২১.৬৪ মিটার বা ৭১ ফুট। >মূল স্তম্ভ তিনটিতে সদ্য উন্মোচিত পাতা ও হৃদয় আকৃতির বক্রতাকে বিবেচনায় আনা হয়েছে যা আমাদের নিয়ে যায় স্বাধীনতা পূর্ব দু'যুগ আগে, যখন আমরা উপলব্ধি করেছিলাম, পাকিস্তানের স্বাধীনতা ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা এক নয়। হৃদয়ের আকৃতি দিয়ে হৃদয়ের অনুভূতিকেই বোঝানো হয়েছে এবং সেই সঙ্গে কচি পল্লব নির্দেশ করছে অনুভূতির পবিত্রতা। এরপর ধাপে ধাপে স্বাধীকার আন্দোলনের অগ্রগতি নির্দেশ করতে ব্যবহার করা হয়েছে ২৪টি ধাপ। ধাপগুলো নির্দেশ করছে ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত সময়ের এককটি বছরকে। ধাপসমূহের উচ্চতা নিচ থেকে উপরের দিকে ক্রমান্বয়ে জ্যামিতিক হারে বেড়ে গেছে। এতে স্বাধীকার আন্দোলন ক্রমান্বয়ে জোরালো হয়ে স্বাধীনতা সংগ্রামে পরিণত  হওয়াকে নির্দেশ করছে। ভূমি থেকে ৭১ ফুট উচ্চতায় স্বাধীনতার সূর্যকে স্থাপন করা হয়েছে। এতে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা প্রাপ্তিকে বোঝানো হয়েছে। স্তম্ভ তিনটির গায়ে ৩০টি ছিদ্রের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে স্বাধীনতার সংগ্রামে দেশমাতৃকার হৃদয়ে সৃষ্ট ৩০ লাখ ক্ষত চিহ্নকে। প্রতিটি ছিদ্র বহন করছে এক লাখ শহীদের পবিত্র স্মৃতি, আর বেদীমূলে স্থাপিত নীল অভ্র উপল খন্ডসমূহ নির্দেশ করছে দু'লাখ নির্যাতিতা মা-বোনের বেদনাময় পবিত্র আত্মত্যাগের মহিমা। শীর্ষদেশে বাংলাদেশের মানত্রি সম্বলিত লাল রঙের গোলকটি স্বাধীনতা সূর্যের প্রতীক। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে স্বাধীনতা। তাই এই সূর্যের রঙ লাল। আমাদের স্বপ্ন এদেশকে সোনালী ফসলে ভরে তোলার, তাই আমাদের ভবিষ্যতের এ আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশকে সোনালী রঙ্গে রাঙ্গানো হয়েছে। "স্মৃতি অম্লান" এর রক্ষণা-বেক্ষনের বর্তমান দায়িত্ব পালন করছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন। ভদ্রায় অবস্থিত সর্বস্তরের জনতার সহযোগিতায় রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ স্মৃতি অম্লান স্থাপন করে। ১৯৯০ সালের ২৬ মার্চ শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল ইসলাম ঠান্ডুর পিতা আজিজুর রহমান সরকার এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। মূল  পরিকল্পনায় ছিলেন রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তৎকালীন চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা ব্রিগেডিয়ার মোঃ আব্দুর রব পিএসসি। স্থাপিত রাজিউদ্দিন আহাম্মেদ।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found