x 
Empty Product

বারি-৮

User Rating:  / 0
PoorBest 

এ আমটি নাবি জাতের। 'বারিআম-৮' বিএআরআই হতে উদ্ভাবিত একটি পলিএম্ব্রায়োনিক নাবী জাত। এটি মূলত পাহাড়ী আম।বাংলাদেশের পার্বত্যাঞ্চল খাগড়াছড়ি থেকে জাতটি সংগহ করে ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মূল্যায়ন করা হয়।

এ আমটি নাবি জাতের। 'বারিআম-৮' বিএআরআই হতে উদ্ভাবিত একটি পলিএম্ব্রায়োনিক নাবী জাত। এটি মূলত পাহাড়ী আম।বাংলাদেশের পার্বত্যাঞ্চল খাগড়াছড়ি থেকে জাতটি সংগহ করে ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মূল্যায়ন করা হয়।

নির্বাচন পদ্ধতির মাধ্যমে ২০০৯ সালে জাতটি অবমুক্ত করা হয়। পরবর্তীকালে একই পদ্ধতিতে ২০১০ সালে ছাড় করা হয়। এটি একটি সুস্বাদু ও উচ্চ ফলনশীল জাত। গাছ মধ্যম আকৃতির, উচ্চফলনশীল, প্রতি বছর ফল দেয় এবং আমের বাণিজ্যিক জাত ল্যাংড়ার সাথে থাকে। ফল লম্বাটে ডিম্বাকৃতির, আকারে মধ্যম, গড় ওজন ২৭০ গ্রাম, লম্বায় ১১.৩ সেমি ওপ্ রস্থে ৭.০ সেমি, পুরুত্বে ৬.০ সেমি, পাকা ফলের রং হলুদাভ সবুজ, চামড়া পাতলা ও শাষের রং কমলা বর্ণের, স্বাদ মিষ্টি (টিএসএস ২১% ), শাস হালকা আশমুক্ত, চামড়া সহজেই ছাড়ানো যায়, আটির ওজন ২৬ গ্রাম, খোসার ওজন ৫০ গ্রাম, ভক্ষণ যোগ্য অংশ শতকরা ৭০ ভাগ এবং সংরক্ষণ ক্ষমতা ভাল (৫-৯দিন), জাত টিপলিএম্ব্রায়োনিক হওয়ায় বীজ থেকে মাতৃ গুণাগু ণসম্প্ন্ন চারা উৎপাদন করা যায়।

উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যগুলো হলো: এটি আমের একটি পলিএমব্রায়োনি জাত এবং আঁটির সাহায্যে মাতৃগাছের গুনাগুন সম্পন্ন চারা পাওয়া যায়। আমের আকার লম্বাটে, প্রতিটি আমের গড় ওজন ২৩০ গ্রাম, ৮ বছরের একটি গাছে ১২৯-১৬০ কেজি আম উৎপাদিত হয়, জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে আমটি সংগ্রহ করা হয়, পাকা অবস্থায় দেখতে হালকা হলুদ বর্নের ও শাঁসের রং কমলা বর্নের এবং মোট খাদ্যাংশ ৭৩ ভাগ। আমের মিষ্টতা (টি এস এস) ২১ % এবং সংগ্রহকাল ৫-৯ দিন।

বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের জেলা সমুহে চাষাবাদের জন্য জাতটি সুপারিশ করা হয়েছে। মুক্তায়িত জাতগুলোর কলম আগামী মৌসুম হতে আম চাষীদের মধ্যে বিতরণ করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন ফসল ও ফলের নতুন জাত উদ্ভাবনের জন্য বহুমুখী গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় একটির নাম বারি-৮।

এদেশের আমচাষীদের আম চাষাবাদে আগ্রহের কথা বিবেচনা করে বাংলাদেশ নতুন জাতগুলো আমচাষীদেরকে বানিজ্যকভাবে আম চাষাবাদের জন্য আগ্রহ সৃষ্টি করবে বলে বিজ্ঞানীদের আশাবাদ। জাতীয় আম প্রদর্শণী ও রঙিন আম প্রদর্শণীর মাধ্যমে আমের অনেক জাত সংগ্রহ করা হয়। পরে জাতগুলোর উপর কয়েক বছর নিবিড় গবেষণা করা হয়। তারপর জাতগুলো অনুমোদনের জন্য জাতীয় বীজ বোর্ড পাঠানো হয়।জাতটি নির্বাচন পদ্ধতির মাধ্যমে মুক্তায়িত করা হয়েছে। কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট একের পর এক উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবন করে চলেছে।

 

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found