x 
Empty Product

বোম্বাই

User Rating:  / 2
PoorBest 

উন্নত জাতের মধ্যে বোম্বাই গুণে ও মানে চমৎকার একটি আম। বাংলাদেশে মেহরপুর, চুয়াডাঙ্গা, যশোস, সাতক্ষীরা, এবং রাজশাহীর বাঘা, চাঘাট, চাপাইনবাবগঞ্জ এলাকায় আমটির চাষ হয়ে থাকে।

উন্নত জাতের মধ্যে বোম্বাই গুণে ও মানে চমৎকার একটি আম। বাংলাদেশে মেহরপুর, চুয়াডাঙ্গা, যশোস, সাতক্ষীরা, এবং রাজশাহীর বাঘা, চাঘাট, চাপাইনবাবগঞ্জ এলাকায় আমটির চাষ হয়ে থাকে।

আমটিকে কুষ্টিয়ার আম বলা হলেও বর্তমান কুষ্টিয়া জেলাতে কিন্তু এই আমের চাষ হয় না। বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলাতে ব্যাপকভাবে এই আম জন্মে। চুয়াডাঙ্গ। জেলার দামহুদা এবং মেহেরপুর সদর থানা এলাকায় বোম্বাই আমের চাষ হয়। সাতক্ষীরা সদর, দেবহাটা, কলারোয়া এবং তালা উপজেলাসমূহে উন্নত-মানের বোম্বাই আমের চাষ হয়। এসকল এলাকায় এই আম চাষ করে আম চাষীরা বাণিজ্যিকভাবে সফল হয়েছেন। ভারতের নদীয়া ও ২৪ পরাগণা এবং বিহার রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় এই আম বেশি পরিমাণে জন্মে। ফলটির আকৃতি মাঝারি। লম্বায় ১১.০ সে.মি , পাশে ৮.২ সে.মি। এর গড় ওজন ৩৮৮.০ গ্রাম হয়ে থাকে। পাকা অবস্থায় ত্বকের রং সবুজ হয়ে থাকে। ফলের শাস হলুদ এবং শক্ত। আমটি সামান্য আশযুক্ত হলেও সুগন্ধযুক্ত এবং খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু। এর গড় মিষ্টতা ২২%। আমটির খোসা সামান্য মোটা এবং আটি পাতলা। এর খাওয়ার উপযোগী অংশ শতকরা ৭৪.৪ ভাগ। বোম্বাই আম সাধরাণত মধ্য আষাঢ় থেকে পাকা শুরু করে। গাছে মুকুল আস থেকে পরিপক্ব বা পোক্ত হতে প্রায় পাঁচ মাস সময় লেগে যায়। ফল গাছ থেকে নামানোর পর পাকতে ৬-৫ দিন সময় নেয়। একেকটি গাছে প্রচুর পরিমাণ ধরে। এ আমটি বোটা শক্ত, যে কারণে ঝড় সহ্য করতে পারে। এই জাতের আমগাছের আকার বেশ বড় হয়। নাম বোম্বাই হলেও এটি বোম্বাই এলাকার আম নয়। ভারতের বিহার রাজ্যে এর উৎপাদন বেশি হয়। চাপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী ও দিনাজপুর এলাকার গোপালভোগের সাথে এর খুব মিল রয়েছে। খেতেও প্রায় একই স্বাদের। তবে বোম্বাই আমে সামান্য আশ রয়েছে যেটি গোপালভোগে নেই।

 

 

 

 

 

 

আরও কিছু ছবিঃ

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found