x 
Empty Product

ভিনিয়ার কলম

User Rating:  / 1
PoorBest 

ভিনিয়ার কলম পদ্ধতিটি অত্যন্ত সফল। এটি জোড় কলম পদ্ধতির চেয়ে অনেক সহজ এবং কম শ্রম ব্যয় করতে হয়। আমের অঙ্গজ বংশ বিস্তারের এই পদ্ধতিটির জন্য এক থেকে দুই বৎসর বয়সী চারা আদিজোড়

ভিনিয়ার কলম পদ্ধতিটি অত্যন্ত সফল। এটি জোড় কলম পদ্ধতির চেয়ে অনেক সহজ এবং কম শ্রম ব্যয় করতে হয়। আমের অঙ্গজ বংশ বিস্তারের এই পদ্ধতিটির জন্য এক থেকে দুই বৎসর বয়সী চারা আদিজোড়

হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। গ্রীষ্মকাল এবং বর্ষাকাল ভিনিয়ার কলম করার উপযুক্ত সময়। বৈশাখ এবং জ্যৈষ্ঠ মাসকে এই কাজের জন্য ব্যবহার করা সবচেয়ে ভাল।

প্রথমে কাঙ্খিত মা গাছ থেকে ৩-৪ মাস বয়সের প্রান্ত শাখা বা সায়ন সংগ্রহ করতে হয়। চারার বয়স এক বছরের হলে সর্বোত্তম। চারাটি সতেজ এবং রোগমুক্ত হতে হবে। মাটি থেকে ১৫-২৫ সে.মি. উঁচুতে চারার যে কোনো এক পাশে ৩-৫ সে.মি. লম্বা করে উপর থেকে নিচে তীর্যকভাবে বাকলসহ কাঠের সামান্য অংশ ধারালো চাকু দআবরা কাটতে হবে। সায়নটিও অনুরুপ মাপে কাটতে হবে। এরপর আদিজোড় ও সায়নের কাটা অংশ মুখোমুখি করে মিলিয়ে এমনভাবে মিশাতে হবে যাতে ভিতরে ফাঁক না থাকে। এরপর সুতলি দিয়ে শক্ত করে পেচিয় বেঁধে দিতে হবে। সায়নটি পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে আদিজোড়ের সাথে সায়ন জোড়া লেগে যাবে। সায়নের কুড়ি ফুটে নতুন পাতা বের হবে। এসময় পলিথিন খুলে দিতে হবে। সায়নের নতুন পাতা যখন আস্তে আস্তে বড় হয়ে সবুজ রং ধারণ করবে তখন আদিজোড়ের উপরের (জোড়া লাগা থেকে ৩-৫ সে.মি. উপরে) এক-তৃতীয়াংশ কেটে দিতে হবে। এতে সায়নের বৃদ্ধি দ্রুততর হবে। এর এক সপ্তাহ পর আদিজোড়ের উর্ধাংশের পাতা ও ডাল সম্পূর্ণরূপে কেটে সরিয়ে ফেলতে হবে। এরপর আদিজোড়ের সাথে সায়নটিই হয়ে দাঁড়াবে কলমের আমগাছ।

কলমের জন্য গাছ যদি বীজতলায় জন্মানো হয়ে থাকে এবং কলম করার পূর্বে টবে বা পলিবেগে উঠানো না হয়ে থাকে, তাহলে পরের বছর মৌসুমি বৃষ্টিপাত শুরু হবার পরপরই এগুলোকে ‘খাসি’ করে নিতে হবে। এর কিছুদিন পর ‘বল’ খুব সাবধানতার সাথে তুলে শন বা খড় দ্বারা মুড়ে,উপরে-নিচে শক্ত করে বাঁধতে হবে। এগুলো ছাযায রেখে নিয়মিত পানি দিতে হবে। গাছগুলো কয়েক দিনের মধ্যেই বেশ সতেজ হলে রোপণের জন্য বিতরণ করা যাবে।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found