x 
Empty Product

অঙ্গজ পদ্ধতিতে বংশ বৃদ্ধি

User Rating:  / 0
PoorBest 

আমগাচের অঙ্গজ পদ্ধতিতে বা অযৌন পদ্ধতিতে বংশ বৃদ্ধি বহু প্রাচীন কাল থেকেই চলে আসছে। ঐতিহাসিকগণের ধারণা, বিহারের দ্বারভাঙ্গায় সম্রাট আকবরের পৃষ্ঠপোষকতায় পৃথিবীর সর্ববৃহৎ

আমগাচের অঙ্গজ পদ্ধতিতে বা অযৌন পদ্ধতিতে বংশ বৃদ্ধি বহু প্রাচীন কাল থেকেই চলে আসছে। ঐতিহাসিকগণের ধারণা, বিহারের দ্বারভাঙ্গায় সম্রাট আকবরের পৃষ্ঠপোষকতায় পৃথিবীর সর্ববৃহৎ

যে আমবাগানটি স্থাপিত হয়েছিল (ষোড়শ শতকের শেষে) সেটি লখবাগ বলে খ্যাত। এখানকার আমগাছগুলো প্রাথমিকভাবে যৌন পদ্দতি বা সরাসরি বীজ থেকেই উৎপাদিত হয়েছিল। লক্ষ আমগাছের মধ্যে নিঃসন্দেহে শতাধিক আমগাছ ছিল অতি উৎকৃষ্ট শ্রেণীর। এই বাগানের রক্ষক, মালি, কিম্বা বাগান বিশেষজ্ঞদের দ্বারাই প্রথম অঙ্গজ পদ্ধতি বা কলম করার কৌশল উদ্ভাবিত হয়েছিল। সেই বাগানের ভাল ভাল জাতের আমগাছ তেকে হাজার হাজার কলমের চারা সারা ভরতবর্ষের আমবাগানগুলোতে ছড়িয়ে যায়। আর এ ভাবেই ভারতবর্ষে উৎকৃষ্ট জাতের আমের অঙ্গজ বংশবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছিল বলে বিশেষজ্ঞ এবং ইতিহাসবিদগণ ধারণা করেন। ইদানিং অঙ্গজ পদ্ধতি বা চারা কলম থেকে আমগাছের বংশ বৃদ্ধির বিষয়টি অত্যন্ত জনপ্রিয়। তবুও বলা যায়, এই দেশে আমের প্রধান উৎপাদন এলাকাগুলো ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশে এখন অবধি বীজ থেকেই গাছের বংশ বৃদ্ধি বা যৌন পদ্ধতিতেই বংশ বৃদ্ধি হয়ে চলেছে। যে কারণে এদেশের বেশিরভাগ এলাকার আম চুকা বা টক এবং পোকা নামে পরিচিতি লাভ করেছে। আমগাছের অঙ্গজ বংশবৃদ্ধি বেশ কয়েকটি পদ্ধতিতে করা যেতে পারে।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found