x 
Empty Product

আম গাছের শ্রেণীবিভাগ

User Rating:  / 2
PoorBest 

স্থায়ীভাবে একটি সুন্দর ফলের বাগান করার ইচ্ছা, কিন্তু জমির পরিমাণ অল্প, এক্ষেত্রে এই দুটো বিষয়কেই সমন্বিত করতে হবে। এমন বাগান তৈরি করতে হবে যাতে করে বাগানটি দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং সেখান থেকে বংশপরম্পরায় লাভবান হওয়া যায়।

স্থায়ীভাবে একটি সুন্দর ফলের বাগান করার ইচ্ছা, কিন্তু জমির পরিমাণ অল্প, এক্ষেত্রে এই দুটো বিষয়কেই সমন্বিত করতে হবে। এমন বাগান তৈরি করতে হবে যাতে করে বাগানটি দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং সেখান থেকে বংশপরম্পরায় লাভবান হওয়া যায়।

তিনটি শ্রেণীতে রোপণকৃত বৃক্ষগুলোকে ভাগ করা যেতে পারে। প্রথম শ্রেণী ব আকারের গাছ অর্থাৎ মুল বাগানের জন্য আমগাছ। দ্বিতীয় শ্রেণীতে মধ্যমাকৃতির গাছ যেমন পেয়ারা, কুল, আমড়া, বাতাবি লেবু ইত্যাদি। তৃতীয় শ্রেণী গাছ ছোট আকারে যেমন লেবু, কাগজি লেবু, শরিফা, ডালিম। প্রথম শ্রেণীর গাছ ৪০ ফুট অন্তর রোপণ করতে হয়। এই গাছগুলোর আয়ু অন্তত ৮০ থেকে ৯০ বছর। দ্বিতীয় শ্রেণীর গাছ ২০ ফুট অন্তর রোপণ করা উচিত। এই গাছগুলোর আয়ু প্রায় ১৫-২০ বছর। আমগাছের সাথে এভাবে অন্য শ্রেণীর ফলগাছ রোপণ করলে মুল আমবাগানের কোনো ক্ষতি হয় না। বরং আমগাছ বড় আকার নিতে যে সময় নেয়, এর মধ্যেই তৃতীয় শ্রেণীর জাতটি আর বেঁচে থাকে না। এ সময় আমগাছের জন্য এবং মাঝারি শ্রেণীর গাছগুলির জন্য জায়গা তৈরি হয়ে যায়। দ্বিতীয় শ্রেণীর গাছগুলোরও আস্তে আস্তে বার্ধক্যে পৌঁছে যাবে। এসময় টিকে থাকবে শুধু আমের গাছগুলো। তখনই আমবাগানটি পৌঁছে যাবে সর্বোচ্চ উৎপাদন।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found