x 
Empty Product

কোতওয়ালী দরজা (ভিডিও)

User Rating:  / 0
PoorBest 

ঊালিয়াদীঘি ডানে রেখে সোজা উত্তর পশ্চিমে ভারত সীমানার মধ্যে অবস্থিত কোতওয়ালী দরজা।এই সীমান্তের জিরো লাইন থেকে দেখা যায়। এটি গৌড়ের দক্ষিণ পূর্ব  সিংহ  দ্বারও বলা হয়ে থাকে।

ঊালিয়াদীঘি ডানে রেখে সোজা উত্তর পশ্চিমে ভারত সীমানার মধ্যে অবস্থিত কোতওয়ালী দরজা।এই সীমান্তের জিরো লাইন থেকে দেখা যায়। এটি গৌড়ের দক্ষিণ পূর্ব  সিংহ  দ্বারও বলা হয়ে থাকে।

প্রাচীন গৌড়ের উপনগরী (বাংলাদেশ অংশ) হতে মূল রাজধানীতে অনুপ্রবেশের একটি মাত্র মূল ফটক। সুলতানী আমলে পুলিশ প্রধান এখানে মোতায়েন থাকতেন মতান্তে এখানে বড় মাপের পুলিশ ষ্টেশন ছিল। এটির ৩০ ফুট উঁচু ও ১৬ ফুট ৯ইঞ্চি প্রশস্ত একটি খিলান পথ ছিল। ফটকটির পূর্ব ও পশ্চিমে শত্রুর উপর কামনের গোলা ফেলার জন্য বেশ কিছু ছিদ্র ছিল। কোতওয়ালী দরজার মধ্যবর্তী রাস্তা ১৭ ফুট ৪ ইঞ্চি। বর্তমানে খিলান ভেঙ্গে পড়েছে। এটি সম্পূর্ণরুপে গৌড়য়া ইটের তৈরী।

                জেনারেল ক্যানিং হ্যামের মতে নগর রক্ষা দƒূর্গের ফটকগুলোর স্তাপত্য রীতির চেয়ে এ ফটকপির স্তাপত্য রীতির অনের পূর্বের। ভিতরে ও বাইওে প্রতিটি মম্মূখভাগে ৬ ফুট ব্যাস বিশিষ্ট দুইটি করে মোট চারটি অর্ধবৃত্তাকার বুরুজগুলোর প্রতি পার্শ্বে অলংকৃত স্তম্বের উপর স্তাপিত সুচালো খিলানযুক্ত গভীর কুলুঙ্গী রয়েছে। এ তোরণ অভ্যন্তওে (দুই পার্শ্বে ) সশস্ত প্রহরীদের আবাস কক্ষগুলি বিভিন্ন প্রকার নকশাযুক্ত কারুকাজ ও পোড়া  মাটির অলংকরণে সুসজ্জিত ছিল।

                জেনারেল ক্যানিং হ্যামের মতে এটি সুলতান আলাউদ্দীন খলজীর মৃত্যুর পর গৌড় লখনৌতিতে দিল্লীর আধিপত্য কায়েমের সময় নগর রক্ষা প্রাচীর অভ্যন্তরে এ বিশালাকায় তোরণটি নির্মিত হয়। এ মত সমর্থন করলে, তোরণটি সম্ববত ১২২৯ খ্রিঃ ৬২৭ হিজরী সনের কিছু পর নির্মিত হয়েছে বলে  মনে করা হয়।

                ডঃ দানির মতে বাংলার সুলতান নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহের আমলের প্রথমার্ধে পান্ডুয়া হতে গৌড়ে রাজধানী স্থানান্তরিত হওয়ার পর রাজধানীর নগর দ্বার হিসাবে এটি নির্মিত হয়।
 
এম.আবিদ আলী খানের মতে ফটকপি গৌড়ে প্রাপ্ত সর্ব  প্রাচীন লিপির তারিখের ১২৩৪ খ্রিঃ সুলতান ইলতাতমিশ ও মুহাম্মদ আলাউদ্দীন খলজীর মৃত্যুর (১৩১৫ খ্রিঃ) মধ্যবতী কোন সময়কার।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found