x 
Empty Product

নওদা বুরুজ (ভিডিও)

User Rating:  / 1
PoorBest 

চাঁপাইনবাগঞ্জ জেলার বর্তমানে সর্ব প্রাচীন প্রত্নসম্পদ ও লুকায়িত ইতিহাস সমৃদ্ধ স্থানের নাম নওগা বুরুজ। গোমস্তাপুর উপজেলার  রহনপুর খোয়ারের মোড় হতে সোজা প্রায় ১কিঃমিঃ উত্তওে এটি অবস্থিত। স্থানীয় অধিবাসীরা এ স্থানকে

চাঁপাইনবাগঞ্জ জেলার বর্তমানে সর্ব প্রাচীন প্রত্নসম্পদ ও লুকায়িত ইতিহাস সমৃদ্ধ স্থানের নাম নওগা বুরুজ। গোমস্তাপুর উপজেলার  রহনপুর খোয়ারের মোড় হতে সোজা প্রায় ১কিঃমিঃ উত্তওে এটি অবস্থিত। স্থানীয় অধিবাসীরা এ স্থানকে

ষাঢ় বুরুজ বলে থাকেন।

                নওদা গ্রামের উন্মুক্ত মাঠের মধ্যে প্রাচীন ইমারতের ধ্বংসাবশেষ বহনকারী ছোট বড় বেশ ক’টি ঢিবি দেখা যায়। ঢিবিগুলি যেখানে আছে সে স্থানটি পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে অপেক্ষাকৃত উঁচু। এ স্থানের উত্তর ও পূর্ব দিকে আছে প্রায় মজে যাওয়া পরিখা। এর লাগোয়া দক্ষিণেই আছে প্রশস্থ ও গভীর নিন্মভূমি। এ নিন্মজলাভূমিই ছিল দূর অতীতে পুণর্ভবা নদীর পরিত্যক্ত খাত বলে অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন। পুণর্ভবা নদী বর্তমানে প্রায় দেড় কিঃ মিঃ পশ্চিম দিক দিয়ে প্রবাহমান রয়েছে।

                নওদা বুরুজটি খালি চোখে দেখলে মনে হবে একটি বিশাল ঢিবি কিন্তু অনুসন্ধানী চোখে দেখলে মনে হবে তমাশাচ্ছন্ন ইতিহাসের কালো মেঘে স্থানটি ঢাকা। চেপে থাকা ইতিহাস যেন বুরুজের বুক চিড়ে বেরিয়ে আসতে চাইছে। ঢিবিটি প্রাচীন ইট ও অন্যান্য প্রত্নবস্তুতে পরিপূর্ণ। এর উচ্চতা প্রায় ১৫ মিটার । এর নিন্মদেশ প্রায় ২ হতে ৩ বিঘা জমির উপর অবস্থিত। খালি চোখে দেখলে সহজে বুঝ যায় যেয, এতে মন্দির বা স্তুপ জাতীয় কোন অট্টালিকার ধ্বংসাবশেষ লুকায়িথ আছে। এর সামান্য পূর্বে আছে আর একটি অপেক্ষাকৃত ছোট ঢিবি। এক সময় এটিও ছিল বেশ বড় আকারের ঢিবি। ইট, পাথর হরনকারীদের দৌরাত্নেতা বর্তমানে ছোট ও অনুচ্চ আকার ধারন করেছে। এর দক্ষিণে রয়েছে আরো একটি ছোট ঢিবি। এটিরও অবস্থা অনুরূপ। দ্বিতীয় ঢিবির কিছু উত্তর পূর্বে প্রায় ৩০ মিটার বর্গআয়তনের আরও একটি অনুচ্চ প্রায় সমতল ঢিবি দৃশ্যমান। ঢিবিটি দেখে মনে হয় যে,  বর্গাকাওে নির্মিথ একটি চক মিলান ইমারতের  ধ্বংসাবশেষ এতে লুকায়িত াছে। প্রশস্থ প্রাচীরের অংশ বিশেষ সহ সেই ইমারতের ধ্বংসাবশেষ আজও বিদ্যমান।  যদিও ইট হরণকারীরা এর যথেষ্ঠ ক্ষয়ক্ষতি সাধণ করেছে। ঢিবিটি বর্তমানে প্রায় দেড় মিচার উটু। চক মিলান ইমারতের ধ্বাংসাবশেষ দেখে আপাতদৃষিটতে নওদা বুরুজকে একটি বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষ বলে মনে হয়। কিন্তু এই পর্যন্ত এই স্থান হতে যে সমস্ত পাথরের মূতি পাওয়া গেছে তার অধিকাংশই হিন্দুদের দেব দেবীর মূর্তি। মাত্র ক’টি বৌদ্ধ মূর্তি পাওয়া যায়।

                সুষ্ঠু পরিকলপনা ছাড়াই নানা সময় এ নওদা বুরুজে খনন কার্য চালানো হয়েছে। ১৯৬৪ খ্রিঃ তৎকালীন নবাবগঞ্জ মহকুমা প্রশাসক এ স্থা হতে বেশ কিছু প্রত্ননিদর্শন সংগ্রহ করেছিলেন। বুরুজের একটি অংশ উৎখননেরপর একটি দরজা পাওয়া যায়। দরজার ভিতর অংশ খনন কওে একটি বৌদ্ধ মূর্তি, একটি গণেশ মূর্তি এব তেতুলের  বিচির মত মোটা গোলাকার আরবী অক্ষর খোদিত বেশ কিছু মুদ্রা পাওয়া যায়।১৪৯ নিদর্শনগুলি এখন কোথায় তা জানা যাচ্ছেনা। একই স্থান হতে বহু পূর্বে বিষ্ণু, সূর্য ও শিব প্রভৃতি দেব দেবীর মূর্তিও আবিস্কৃত হয়েছে বলে ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়। এছাড়া মৃৎ শিল্পের  অসংখ্য নিদর্শন, অলংকৃত ইট,বিচিত্র নকশাযুক্ত পোড়া মাটির ভাস্কর্য্যও পাওয়া গেছে প্রচুর। নওদা বুরুজ হতে উদ্ধারকৃত হিন্দু দেব দেবী মূর্তিও একচেটিয়া  আধিক্য দেখে মনে হয় যে, এক সময়ে ( খুব সম্ভব একাদশ-দ্বাদশ শতাব্দীতে) এ স্থানে হিন্দু ধর্মে  ও সংস্কৃতির যথেষ্ঠ প্রাধান্য ছিল। এমনও হতে পারে যে, এর আগে এখানে বৌদ্ধ ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রভাব ছিল।১৫০ নওদা বুরুজ প্রকৃতপক্ষে একটি বিহার অথবা বৌদ্ধ স্তুপ। এর গছন শৈলী ও বাংলাদেশে বহু স্থানের প্রত্নতাত্বিক উৎখননের পর এ ধরনের ঢিবি অদ্যাবধী আবিস্কৃত হয়নি। প্রশ্ন উছতে পাওে, তবে এ স্থা হতে উদ্ধারকৃত হিন্দু বিগ্রহের আধিক্য কেন্য এর সহজ উত্তরই হচ্ছে দূও অতীতে ধর্মীয় পিীড়নের যুগ, যা পূর্বেই আলোচিত হয়েছে। এক্ষেত্রে রহনপুর ইউসুফ আলী কলেজের  অধ্যাপক সাদিকুল ইসলামের মত-ই বিশেষভাবে। প্রণিধানযোগ্য। তার মতে নওদা বুরুজ প্রকৃতপক্ষে একটি বৌদ্ধ বিহার  ছাড়া অন্য কিছু নয়। এদেশে পর পর বৌদ্ধ-হিন্দু-মুসলমান শাসনের অব্যাহত ধারায় বৌদ্ধ মন্দিও গুড়িয়ে বা চাপা দিয়ে হিন্দু মন্দিওে আর হিন্দু মন্দিরের উপর মসজিদ এবং সৌধ তোল যে রেওয়অজ শত শথ বছর ধওে অনুসৃত হয়েছে, তাতে এখানে হিন্দু মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ আবিস্কৃত হওয়াও বিচিত্র কিছু নয়।

                অনেক তরুণ গবেষক নওদা বুরুজকে বৌদ্ধ স্তুপ হিসেবে অখ্যায়িত করছেন। বৌদ্ধ স্তুপ-ই ভারতের সর্ব প্রাচীন স্থাপত্য নিদর্শন। ভগবান বুদ্ধের অস্থি বা ব্যবহৃত বস্তু রক্ষা করার জন্যই প্রথমে স্তুপের পরিকল্পনা হয়।  পওে বিশেষ বিশেষ গচনা চিরস্মরণীয় করার জন্য যে যে স্থানে যা ঘটেছিল, সেখানে স্তুপ নির্মিত হত। বৌদ্ধ স্তুপকে পবিত্র মন্দিরের ন্যায় জ্ঞান করতো এবং পরবর্তীকালে তারা স্তুপকে পূজা আর্চনা করতো। স্তুপ নির্মাণ ও ও উৎসর্গ করা অতিশয় পুণ্য কায় বলে বিবেচিত হতো। এর ফলে যেখানেই বৌদ্ধ ধর্ম প্রসার লাভ করে, সেখানেই ক্ষুদ্র ও বৃহৎ আকাওে অসংখ্য স্তুপ নির্মিত হয়েছে। বাংলাদেশেও অনেক স্তুপ নির্মিত হয়েছিল।১৫২  সুতরাং এটি বৌদ্ধ স্তুপও হতে পারে। গৌড় রাজ মালার লেখক রমাপ্রসাদ চন্দেও মতে, পরিব্রাজক ইউয়াং চোয়াং বা হিউয়েন সিয়াং (৬২৯-৬৪৫ খ্রিঃ) লিখে গেছেন, তিনি পুন্ড্রুবর্ধন, সমতটের লিপ্তি এবং কর্ণসুবর্ণ নামক বাংলার ৪টি প্রধান নগরের উপকর্ঠেই আশোক রাজ প্রতিষ্ঠিত বৌদ্ধ স্তুপ দেখতে পেয়েছিলেন।

নওদা বুরুজকে ষাঢ় বুরুজ বলার এক অদ্ভুদ কল্প কাহিনী গৌড়ের ইতিহাস গ্রন্থে রজনী বাবু প্রকাশ করেছেন। কিংবদন্তীর সূত্র ধরে তিনি লিখেছেন, লোকে বলে কোন বেগম একটি ষাঢ় পুষিয়াছিলেন, তিনি ষাঢ়কে বগলে করিয়অ রোজ এক ফাংখা মাটি এই স্থানে ফেলাইতেন তাহাতেই ষাঢ় বুরুজের উৎপত্তি হয়। যাই হোক, নওদা বুরুজকে যে যাই বলুক না কেন এটি যে বৌদ্ধ যুগে নির্মিথ এবং বৌদ্ধ ধর্মীয় বিহার বা স্তুপ তা চিরসত্য। এক্ষেত্রে ঐতিহাসিক আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া, রজৗ কান্ত চক্রবর্তী ও অধ্যাপক সাদিকুল ইসলামের মত-ই প্রণিধানযোগ্য।

                নওগাদ বুরুজের কুয়াশাচ্ছন্ন ইতিহাস নিয়ে বেশ কিছুকাল ধওে কোন কোন মহল থেকে দাবী উঠেছে যে, এখানে অবস্থিত ছিল ঐতিহাসিক মীহাজ বর্ণিত ”নওদীহ্” শহর। অনেকেই বলছেন, এ পথেই বখতিয়ার খলজী তার দিগি¦জয়ী নাঙা তলোয়ার উচিয়ে ঘোড়া ছুটিয়ে বিনা প্রতিরোধে ঘোড়া ঘাচ পর্যন্ত পৌছিয়েছিলেন, তা ইতিহাস বিদিত। তার এ ইতিহাসখ্যাত অষ্টোদশ যোদ্ধা পরিবৃত অশ্বারোহণে পরিভ্রমণই তাকে বাংলার প্রথম মুসলমান রাজা স্থাপনের গেরবাদীপ্ত করেছে। অর্থাৎ এদেশে মুসলমান রাজ্য স্থাপনের প্রথম জনপদ-ই, এ জনপদ। সে হ’ল মধ্যযুগে দ্বাদশ শতকের ভোরবেলাকার কথা।

                সেন বংলীয় রাজা লক্ষণ সেন আনুমাকি ১১৭৮ খ্রিঃ বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন। ১০৬৩ খ্রিঃ বংগের সেন রাজাগণ গৌ হতে রবদ্বীপের রাজধানী স্থানান্তর করেন। লক্ষণ সেন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত রাজধানী লক্ষণাবর্তীর (লখনৌতি) অবস্থান গৌড়ের সন্নিক।লক্ষণাবতীতে রাজধানী স্থানান্তরের পূর্বে পাল বংশীয় রাজা রাম পাল (১০৯১-১১০৩ খ্রিঃ) কর্তৃ প্রতিষ্ঠিথ হয় নতুন রাজধানী রামাবতী। এই রামাবতীর নিকটেই লক্ষণাবতীও অবস্থিত বলে অনেক ঐতিহাসিকের অভিমত। নওদা বুরুজ বাংলার রাজধানী গৌড় লক্ষণাবতী ও রামাবতীর অবস্থান দুই প্রতিবেশী জেলা মালদহ চাঁপাই নবাবগঞ্জ ২৫ থেকে ৪০ কিঃমিঃ মধ্যে। অপরদিকে নদীয় বা নবদ্বীপ হচ্ছে গৌড় থেকে দক্ষিণে মুর্শিদাবাদ জেলা পার হয়ে প্রায় ১০০ কিঃমিঃ ব্যবধানে। নবদ্বীপ শ্রী চৈতণ্য দেবেওে পূণ্যভ’মি ও হিন্দুদেও তীর্থস্থান। বৈষ্ণব মন্দির ও নিদর্শন ছাড়া রাজকী কোন নিদর্শন ওখানে নেই। এমন কোন আলামত সেখানে নেই, যাতে নবদ্বীপকে প্রাচীন বাংলার রাজধানীর মর্যাদা দেয়া যেতে পারে। পক্ষন্তরে নওদা বুরুজ ও এর চারিপার্শ্বের বিস্তির্ন এলকা জুড়েরায়ী হতে শুরু কওে নগর সভ্যথার নানা আলামত ও নিদর্শনাদিতে পরিপূর্ণ। এছাড়া ভৌগলিক অবস্থানও অত্যন্ত বৈশিষ্ট্য মন্ডিত।

                উত্তরবঙ্গের বিশিষ্ট ইতিহাস অনুসন্ধানী বগুড়ার কৃতি সন্তান কাজী এম মিছের তার রাজশাঞীর ইতিহাস গ্রন্তের নওদা বরুজের অবস্থান সম্পর্কে একস্থান লক্ষণ সেনের সভা করি ধোয়ী ”পবণ” দূত কাব্যেও বিবরণ উল্লেখ কওে বলেছেন ”এক্ষেত্রে আমরা অনুমান করি হয়ত বরেন্দ্রী শাসনের জন্য গঙ্গ, মহানন্দা-পুণর্ভবা অথবা পূণর্ভবা- মহনন্দা অথবা গঙ্গা পূণর্ভবা সংগ্রমে বরেন্দ্র রাজ্যে দক্ষিণ পশ্চিম কোণে আর একটি  রাজধানী স্থাপন কওে নাম দিয়েছিলেন ”আদিয়হ” যার অপভ্রংশ এখন নওদা” জনশ্রুতির নওদা বুরাজ।১৫৫ কাজী এম. ডমছের অণ্যত্র উল্লেখ করেছেন সম্ভবতঃ বখতিয়ার খিলজী পাটালী পুত্রের (পাটনা) সুপ্রসিদ্ধ পথটি অতিক্রম না কওে কতটা আত্নগোপন কওে রাজমহলের দক্ষিণে ফাড় গ্রামের জঙ্গল ও পাবর্ত্য পথের মধ্য দিয়ে মুর্শিদাবাদেও লালগোলার সন্নিকটে গঙ্গা নদী অতিক্রম কওে নওদা অর্থাৎ এই নদিয়হ-তে এস দঃশাহসিকতার পরিচয় দিয়ে থাকবেন।

                নবদ্বীপ শব্দের ফরাসী রুপ ােদিহ, নওদয়িঅ নওদা, নদীয়া ইত্যাদিতে রূপান্তরিত হয়েছে বলে অনুমান করা যায়। কাজী এম. ডমছের আরও উল্লেখ কনের এই নবদ্বীপে যে লক্ষণ সেনের রাজধানী ছিল তার স্বপক্ষে আজ পর্যন্ত কোন ঐতিহাসিক তথ্য আবিষ্কৃত হয়নি। বখতিয়ার খিলজী নুদিয়া বিজয করেেিলন তা ঐতিহাসিক সত্য কিন্দু সে নুদিয় কোথায় এবং কোন পথে বিজিত হয়েছিল তার ঐতিহাসিক ও ভ্যেগলিক বিবরণ জানা যায় না। সুতরাং সেই নওদা ও নোদয়িহ অভিন্ন এবং এর ভৌগলিক অবস্থান এই অভিন্নতার পক্ষে খুবই সসংগত ও যুক্তিযুক্ত। উত্তর অঞ্চলে বিভিন্ন  ঐতিহাসিক স্থানসমূহের উপর গবেষণা ও অনুসন্ধান কওে ঐতিহাসিকদেও অনেকেই এই মতামত পোষণ করেন যে, ঐতিহাসিক মিনাহজের উল্লেখিত নদীয়ার অবস্থা হবে গঙ্গা, মহানন্দা ও করতোয়ার মধ্যবর্তী এলাকায়। অন্যতায় তৎকালীন মালদহ জেলার কোন এক স্থঅনে। তাদেও মতে নওদা, নুদীয়া বা নোদয়াহ্ এ সমস্ত নামের যেটিই হোক না। কেন, নামের এই পরিবর্তন সম্পূর্নরূপে ত’র্কি বিজয়ের পর হয়েছে। কাজেই আলোচিত নোদিয়হ্ শহরই যে আজকের নদা তা অনেক ঐতিহাসকই সমর্থ দিয়ে গেছেন।

                অবহেলা আর অযত্নেদিনের পর দিন খ্ষয় হচ্ছে এ অপূর্ব প্রত্ননিদর্শনটি। স্থানীয় অধিবাসীরা নওদা বুরুজের চার পাশে গড়ে তুলেছে অভেধবভাবে আবাসন। মাফে মধ্যেই আহরণ করছে এই ইচ, পাথর ও মাচি। ফলে এর অবস্থা বড়ই করূণ ও শ্রহীন। প্রত্নতত্ব বিভাগওে সাইন বোর্ড থাকলেও প্রর প্রতি কেউ ভ্রুক্ষেপতো করেই না বরং সাইন বোর্ডেও সাথে বোধে রাখা হচ্ছে গরু ছাগল এবং গাছ পালার অন্তরালে চলে গেছ সাইন বোর্ডটি। ফলে সাই বোর্ডটি সহসা আর চোখে পড়েনা।

                এ অঞ্চলের প্রাচীন ইতিহাস অনুসন্ধান ও সঠিক ইতহাস উদঘাটনের জন্য  প্রায়োজন নওদা বুরুজের পরিকল্পিতভাবে উৎখনন। তহালে ইতিহাসের বন্ধ দরজার ধাক্কা পড়লেই খুলে যেতে পাওে ইতিহাসের নুতুন দিগন্ত। অর ইতিহাসও নতুনভাবে ডালপালা গজিয়ে রবপল্লবীতে নিতে পারে নতুন মোড়।

 

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found