x 
Empty Product

ফজলি আম

৫০০ গ্রাম থেকে ১২৫০ গ্রাম পর্যন্ত একেকটি ফজলীর ওজন হয়ে থাকে। আম গবেষনা কেন্দ্র চাঁপাইনবাবগঞ্জ পরিচালিত একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, এ জাতের ফল গড়ে লম্বায় ১৩.৮ সে.মি, পাশে ৯.৬ সে.মি , উচ্চতায় ৭.৮ সে.মি এবং গড় ওজন ৬৫৪.৪ গ্রাম। আমটি দীর্ঘ ও কিছুটা চ্যাপ্টা। পাকলে ত্বক সবুজ থেকে কিছুটা হলুদ বর্ণ ধারন করে। শাঁস হলুদ, আঁশবিহীন, অত্যন্ত রসাল এবং সুগন্ধযুক্ত, সুস্বাদু ও মিষ্টি। আমটির খোসা পাতলা। আঁটি বা বীজ লম্বা, চ্যাপ্টা, এবং পাতলা। ফজলী আমের গড় মিষ্টতা ১৭.৫% (চিনির পরিমান)। এই আমের আহারোপযোগী অংশ শতকরা ৭৬.৩ ভাগ। ফজলী আম নাবিজাতের। আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে ফল পাকে। ফুল (মুকুল) আসা থেকে পাকা পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ মাস সময় নেয়। ফল পাড়ার পর ৭-৮ দিনপাকার জন্য সমংয় নেয়। ফজলী আমের ফলন প্রায় নিয়মিত। একটি স্বাভাবিক ফজলী আমগাছে গড়ে প্রতিবছর ৫০০-৬০০ আম ধরে।

Rating: Not Rated Yet

Price:
Base price with tax: 55.00 টাকা
Sales price: 55.00 টাকা
Sales price without tax: 55.00 টাকা
on-order.gif
Quantity :
Description
স্বাধীন সুলতানদের ধ্বংসপ্রাপ্ত রাজধানী গৌড়ের একটি প্রাচীন কুটিরে বাস করতেন ফজলী বিবি। তার বাড়ির আঙ্গিনায় ছিল একটি পুরাতন আমগাছ।এই গাছটি কোন জাতের আমের আঁটি থেকে জন্মেছিল। কেই জানে না। ফজলী বিবি গাছটির খুব যত্ন নিতেন। গাছটিতে প্রতি বছর খুব আম ধরত। সেখানকার নির্জনবাসী ফকির ও সন্ন্যাসীদের তিনি এই গাছের আম দিয়ে আপ্যায়ন করতেন। ফজলী বিবি এই উৎকৃষ্ট জাতের আমটির নাম দিয়েছিলেন “ফকীরভোগ”। র‌্যাভেনশ সাহেব একবার অবকাশ যাপনের জন্য ফজলী বিবির কুটিরের নিকটবর্তী এলাকায় ক্যাম্প করেঠিলেন। সংবাদটি জানার পর ফজলী বিবি নিজ গাছের “ফকীরভোগ” আম নিয়ে র‌্যাভেনশ সাহেবের সাথে দেখা করেন এবং সেই আম দিয়ে তাঁকে আপ্যায়ন করেন। র‌্যাভেনশ আমের স্বাদ গ্রহণ করে এর গুণাগুণে অত্যন্ত মুগ্ধ হলেন। তদপুরি ফজলী বিবির আতিথেয়তায় যারপরনাই সন্তুষ্ট হয়ে আমটির নামকরণ করলেন ফজলী। তখন থেকে মানুষের মুখে মুখে নতুন নামটি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। বইপুস্তকেও নামটি এসে যায়। এভাবেই আমটির আসল নাম “ফকীরভোগ” টিরদিনের জন্য মুছে গিয়ে হয়ে গেল ফজলী। আমাদের দেশে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ফজলী আম উৎপাদনে সবচেয়ে এগিয়ে। অবিভক্ত ভারতের মালদহ ও লখনৌ এলাকায় এর চাষ ব্যাপক ছিল। বাংলাদেশে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যতীত বাঘা, চারঘাট এলাকায় উন্নতমানের ফজলী আম ব্যাপকভাবে চাষ হয়ে আসছে। আজ থেকে ২০০ বছর আগে থেকেই বাঘার ফজলী আম কলকাতার বাজারে ব্যাপকভাবে সমাদৃত ছিল। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলী আম আকারে বড়। বাঘার ফজলী আকারে কিছুটা ছোট হলেও স্বাদেগন্ধে অতুলনীয়। ফজলীর আরেকটি ভ্যারাইটি হল সুরমা ফজলী। এটি অনেকটা ছোট আকারে এবং স্বাদে-গুণে উৎকৃষ্ট। যে সময় আশু বা আগাম জাত এবং মধ্য মৌসুমি জাতের আমগুলো বাজার থেকে চলে যায়, সে সময়ে অর্থাৎ শ্রাবণ-ভদ্র মাসে মালদহ ফজলী বা চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফজলী (মহারাজ ফজলী), বাঘা ফজলী ও সুরমা ফজলী ব্যাপকভাবে বাজারে আসতে শুরু রে এবং আস্তে আস্তে গোটা দেশের আমের বাজার দখল করে নেয়। ফজলী আমকে কেন্দ্র করেই মূলত চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও বাঘায় আম শিল্প গড়ে উঠেছে। এই দুই এলাকার মানুষের অর্থনৈতিক বুনিয়াদ এবং উৎকর্ষতার ভিত্তিই হচ্ছে ফজলী আমের ভাল উৎপাদন। দিনাজপুর জেলাতেও ফজলী আমের ফলন ভাল। ফলটি বৃহদাকৃতির। ৫০০ গ্রাম থেকে ১২৫০ গ্রাম পর্যন্ত একেকটি ফজলীর ওজন হয়ে থাকে। আম গবেষনা কেন্দ্র চাঁপাইনবাবগঞ্জ পরিচালিত একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, এ জাতের ফল গড়ে লম্বায় ১৩.৮ সে.মি, পাশে ৯.৬ সে.মি , উচ্চতায় ৭.৮ সে.মি এবং গড় ওজন ৬৫৪.৪ গ্রাম। আমটি দীর্ঘ ও কিছুটা চ্যাপ্টা। পাকলে ত্বক সবুজ থেকে কিছুটা হলুদ বর্ণ ধারন করে। শাঁস হলুদ, আঁশবিহীন, অত্যন্ত রসাল এবং সুগন্ধযুক্ত, সুস্বাদু ও মিষ্টি। আমটির খোসা পাতলা। আঁটি বা বীজ লম্বা, চ্যাপ্টা, এবং পাতলা। ফজলী আমের গড় মিষ্টতা ১৭.৫% (চিনির পরিমান)। এই আমের আহারোপযোগী অংশ শতকরা ৭৬.৩ ভাগ। ফজলী আম নাবিজাতের। আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে ফল পাকে। ফুল (মুকুল) আসা থেকে পাকা পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ মাস সময় নেয়। ফল পাড়ার পর ৭-৮ দিনপাকার জন্য সমংয় নেয়। ফজলী আমের ফলন প্রায় নিয়মিত। একটি স্বাভাবিক ফজলী আমগাছে গড়ে প্রতিবছর ৫০০-৬০০ আম ধরে।
Number pieces in packaging: 1
Number pieces in box:1
Reviews
There are yet no reviews for this product.