x 
Empty Product

চাঁদপুর সহ সারাদেশব্যাপী আম গাছ থেকে মধু ঝড়ে পড়ার ঘটনা ঘটছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর রাত থেকে আম গাছের পাতা থেকে মধু ঝড়ে পড়ার ঘটনায় চাঁদপুর শহরে তোলপাড় চলছে। কেউ কেউ বলছে স্বপ্ন দেখানো হয়েছে আম গাছ থেকে ঝড়ে পড়া মধু সেবন করলে নাকি করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এই গুজবে বিশ্বাস করে চাঁদপুর শহরে যততত্র আম গাছ থেকে ঝড়ে পড়া মধু ভেবে অনেকেই এ কশ সংগ্রহ করতে দেখা যায়।

ফজরের নামাজের পর থেকে বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় যেসব আম গাছে মুকুল ছিল ওইসব গাছের নিচ থেকে মানুষ মধু সংগ্রহ করে। সরজমিনে শহরের আলিমপাড়া, পালপাড়া, রহমতপুর আবাসিক এলাকা, স্ট্যান্ড রোড, মমিন পাড়া, প্রফেসর পাড়া, নাজির পাড়া এলাকায়ও আম গাছ থেকে মধু ঝড়ছে ভেবে সাধারণ মানুষ তা সংগ্রহ করে। কয়েকজনের সাথে সকালে আলাপ করলে তারা জানান, আমরা শুনেছি স্বপ্নে নাকি আদেশ দিয়েছে আম গাছ থেকে ঝড়ে পড়া মধু সংগ্রহ করে খেলে করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। সেজন্য আমরা আম গাছ থেকে ঝড়ে পড়া মধু খেয়েছি। এমনিভাবে চাঁদপুর ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আম গাছ থেকে মধু ঝড়ছে এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতংকের সৃষ্টি হচ্ছে। আবার কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বপ্নে দেখানো হয়েছে এই মধু খেলে করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে এমন পোস্টও ছাড়া হয়েছ। এতে করে দেশবাসীর মধ্যে মারাত্মকভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ছে। এসব গুজব থেকে রক্ষা পেতে সচেতন মহল সকলকে অনুরোধ করছেন।
মূলত আম গাছ থেকে মধু ঝড়ার বিষয়টি নিয়ে কৃষিবিদদের ধারণা এক ধরনের পোকা নিস্ফ ও পুন্য বয়স্ক অবস্থায় আমগাছের সকল কচি অংশ থেকে রস খেয়ে বেঁচে থাকে। নিঃস্ফগুলো আমের মুকুল থেকে রস চুষে খায় এতে মুকুল শুকিয়ে বিবর্ণ হয়ে ঝড়ে পড়ে। একটি হপার পোকা দৈনিক তার দেহের ওজনের ২০ গুণ পরিমাণ রস চুষন করে খায়। এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত আঠালো রস মলদার দিয়ে বের করে দেয়। যা মধুর রস বা হানিডিও নামে পরিচিত। এ মধুরস মুকুলের ফুল ও গাছের পাতায় জমা হয়ে থাকে। যার উপর এক প্রকার ছত্রাক জন্মায়। এই পোকার আক্রমণে আমের উৎপাদন শতভাগ পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে। হপার পোকার আঠালো রস মলদ্বার থেকে বের করে দেওয়া এই মধু।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.crimeaction24.com

এ বছর ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে আমবাগানগুলো মুকুল মুকুলে ছেয়ে গেছে হাঁসি ফুটেছে কৃষকদের মুখে। হলুদে হলুদে ভরে উঠেছে সবুজ সমারোহ বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা বাগান পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। মুকুলের মৌ মৌ গন্ধ জানান দিচ্ছে, আসন্ন মৌসুমে আমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা পাবে বলে আশাবাদী ব্যাবসায়ীরা ।

ঠাকুরগাঁও  জেলার রানীশংকৈল উপজেলার মাটি তুলনামুলক উঁচু এবং চতুর্দিকে সমান মাটির প্রকৃতি বেলে ও দোআঁশ। এসব জমিতে কয়েক বছর আগেও চাষীরা গম, ধান ,পাট ইত্যাদি আবাদ করতেন বেশি বেশি। কিন্তু ধান গম আবাদ করে তেমন একটা লাভবান হওয়া যায় না। তাই ঠাকুরগাঁও জেলার কয়েকটি উপজেলার চাষিরা আম বাগান গর্তে উরু করেছে বালিয়াডাঙ্গী,পীরগন্জ, রানীশংকৈল এলাকায় গত ১০ বছরে ব্যাপক আমবাগান গড়ে উঠেছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঠাকুরগাঁও জেলায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে প্রায় ৩ হাজার বাগান গড়ে উঠেছে। ওইসব এলাকার রাস্তা দিয়ে যেতেই এখন অসংখ্য আমবাগান চোখে পড়ছে।

ঠাকুরগাঁও জেলার বিখ্যাত আমের নাম সূর্যপুরী ও গোপাল ভোগ হিমসাগর এটি সাধারণত বালিযাডাঙ্গী এলাকায় চাষ হয়। বিশেষ করে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণমারী এলাকায় রয়েছে বিশাল একটি আমগাছ। প্রায় ২ বিঘা জমি জুড়ে গড়ে উঠা ওই আমগাছকে ঘিরে দর্শনার্থীদের ভীড় জমে ওঠে প্রায় প্রতিদিনই।এইগাছের আমটি সূর্যপুরী। এ আম ইতোমধ্যে সকলের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। পাতলা আটি আর সুমিষ্ট গন্ধ যেন মন কেড়ে নেয়।

এছাড়াও একবিঘা জমিতে অন্যান্য ফসল উৎপাদন করে যে লাভ হয় আমবাগান করে তার চাইতে কয়েকগুণ লাভবান হওয়া যায় বলে জানিয়েছে রাণীশংকৈল উপজেলার কৃষক সাইফুর রহমান  কয়েক বিঘা জমিতে আমের বাগান করেছেন তিনি। গতবছর তিনি তার বাগান থেকে সারাদেশে বিষমুক্ত আম সরবরাহ করেন। তার মতো অনেক  কৃষক  এখন বাণিজ্যিক ভাবে আম্রপালি আমের বাগানের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। এসব বাগানে গাছ লাগানোর ২/৩ বছরের মধ্যেই আম পাওয়া যায়। লাগাতার ফল দেয় ১০/১২ বছর। ফলনও হয় ব্যাপক। শুধু আম্রপালি ছাড়াও এ এলাকায় হাড়িভাংগা, গোপাল ভোগ, ল্যাংড়া, ফজলি ও হিমসাগর আমের আবাদ হচ্ছে। বাগানগুলোতে আম গাছের পাশাপাশি সাথী ফসল হিসেবে গম আমন ধান এবং অন্যান্য ফসলেরও আবাদ করছেন চাষীরা। ইতোমধ্যে বাগানগুলোতে ব্যাপক মুকুল এসেছে। মুকুলে মুকুলে ছেয়ে গেছে গাছগুলো। হলুদের আভা ধারণ করেছে আম বাগানগুলো।

অনেকে বাগান করে আগাম বিক্রি করে দিচ্ছেন  ফল ব্যবসায়ীদের কাছে। বড় বড় অনেক আম বাগান দুই-তিন বছর কিংবা তার অধিক সময়ের জন্য অগ্রিম বিক্রি হয়ে যায়। কিছু বাগান বিক্রি হয় মুকুল দেখে। আবার কিছু বাগান বিক্রি হয় ফল মাঝারী আকারের হলে। বাগানের পাশ দিয়ে হাঁটলেই মুকুলের ঘ্রানে মন প্রাণ ভরে উঠে।

রাণীশংকৈল উপজেলার ৮ নং নন্দুয়ার ইউনিয়নের আম বাগান ব্যবসায়ী এরশাদ আলী জানান, গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর আবহাওয়া ভাল থাকায় এবার ব্যাপক মুকুল দেখা যাচ্ছে। ব্যবসায়ী ও বাগান মালিকরা বলছেন, মুকুল দেখে আশা করা যায় এবার আমের ব্যাপক ফলন হবে। শিলাবৃষ্টি বা ঝড়ঝঞ্জা না হলে ব্যাপক আমের ফলন পাওয়া যাবে বলে জানান বাগান মালিকেরা।

একই এলাকার আম বাগান মালিক খলিলুর রহমান ও বেলাল উদ্দীন জানান, গত বছর ২৭ বিঘার বাগানে ৫৩ লক্ষ টাকার আম বিক্রি করেছিলাম। এ বছর যে হারে মুকুল এসেছে, তাতে ৭০/৮০ লক্ষ টাকার আম বিক্রি করা যাবে।

কৃষি বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ শফিকুল ইসলাম জানান, ছত্রাকে যাতে মুকুল নষ্ট না হয় সেজন্য  নাশক হিসেবে ইমাডোক্লোরিড গ্রুপের দানাদার প্রতি লিটার পানিতে দুই গ্রাম ও সাইপারম্যাক্সিন গ্রুপের কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে এক মিলি লিটার মিশিয়ে স্প্রে করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। মুকুল গুটিতে পরিণত হওয়ার সময় একই মাত্রায় দ্বিতীয়বার স্প্রে করতে হবে।

রাণীশংকৈল উপজেলার কৃষি  কর্মকর্তা  সঞ্জয় দেব নাথ  জানান, রাণীশংকৈল উপজেলার সূর্যপুরী আম সারাদেশে সুনাম রয়েছে। এখানকার আমে পোকা থাকে না, এটা এখানকার বিশেষ বৈশিষ্ট। আমের আকার দেখতে ছোট হলেও স্বাদে গন্ধে অতুলনীয়। আবহাওয়া  ভাল থাকলে এবং কালবৈশাখী বা ঝড়ঝঞ্জা না হলে ব্যাপক ফলন আশা করা যাচ্ছে।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: http://sunbd24.com

সম্প্রতি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আদা থানকুনি পাতা নিয়ে গুজব ছড়িয়ে পড়ে দেশব্যাপী। যা নিয়ে তুলকালাম কান্ড ঘটে যায় সারা দেশে। সেই গুজব ঘুচতে না ঘুচতে নতুন এক আলোচনা সামনে এসেছে। তা হলো আম গাছের পাতা দিয়ে মিষ্টি মধু বা মিষ্টি পানি ঝড়ছে।

 

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে নতুন এই ঘটনা নিয়ে বেশ সোরগোল বেধেছে। কোথা থেকে আসছে এই মিষ্টি পানি বা কেন এবং কিভাবেই বা ঝড়ছে তা নিয়ে প্রশ্নের দানা বেদেছে জনমনে। অনেক আবার ঘটনাটিকে অলৌকিক বলেও আখ্যা দিয়েছেন।

 

বরিশাল নগরীর আগরপুর রোডের বাসিন্দা ও চায়ের দোকানী পুন্না বলেন, ‘লোক মুখে শুনেছি আম গাছের পাতা থেকে মিষ্টি মধু ঝড়ছে। শোনার পরে আমি নিজেও প্রত্যক্ষ করেছি। দেখেছি আম গাছের পাতার পাশ দিয়ে পানি জাতিয়ে কিছু একটা গড়িয়ে পড়ছে।

পুন্না বলেন, ‘অনেক কৌতুহলবসত আম গাছের পাতা থেকে ছড়া ওই পানি খেয়েও দেখেছি। আসলেই খুব মিষ্টি লেগেছে। তাই এই ঘটনাটি আর বিশ্বাস না করার আর উপায় ছিল না। তবে কেন এবং কিভাবে পাতা থেকে মিষ্টি পানি ঝড়ল সেটা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয় ওই খুদে ব্যবসায়ীর মণে।

 

লোক মুখে আম গাছ থেকে মিষ্টি মধু ঝড়ার গল্প শুনে আটকে রাখা গেল না নিজেকে। অনেক কৌতুহল নিয়েই ঘটনা প্রত্যক্ষ করতে ছুটে যান বিএসএল নিউজ এর সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক। ঘটনার সত্যতাও ধরা পড়ে তার চোখে।

 

দেখা যায়, ‘আম গাছের কিছু পাতা থেকে পানি ঝড়ছে। দুর থেকে দেখে মধুর মতই মনে হয়েছে। এক একটি পাতার চার পাশ দিয়ে পানিগুলো গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ছে। তবে গাছের সকল পাতায় এক দৃশ্য মেলেনি। বেশিরভাগ পাতাই ভাবাবিক দেখা গেছে।

এই দৃশ্যটির সত্যতা জাচাইয়ে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন এলাকায় আম গাছের পাতা খুঁজতে গিয়ে একই দৃশ্য দেখা গেছে। তবে এর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে বরিশালে কর্মরত কয়েকজন কৃষি কর্মকর্তাকে ফোন করা হলেও তারা রিসিভ করেননি। যে কারণে আপাতত আম পাতা থেকে মিষ্টি পানি ঝড়ার রহস্য অজানাই থেকে যায়।

 

তবে ডিজিটাল তথ্য প্রযুক্তি ঘাটতে গিয়ে দেখা যায়। ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে ঈশ্বদীতে এমন একটি ঘটনা ঘটে। যা নিয়ে তখনকার সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদও প্রকাশ হয়েছে।

 

একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রচার হওয়া সংবাদে ঈশ্বরদী উপজেলার তৎকালিন কৃষি কর্মকর্তা খুরশিদ আলমের বরাত দিয়ে লেখা হয়েছে, ‘তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় আম গাছে শোষক পোকা নামে এক ধরনের ক্ষুদ্র ক্ষতিকারক পোকার আক্রমণের কারণে এটা হতে পারে। আম উৎপাদনের জন্য এটি উদ্বেগজনক।

 

নিউজটিতে ঈশ্বরদী আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের তৎকালিন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আলতাব হোসেনের বরাত দিয়ে লেখা হয়েছে, ‘আম গাছের জন্য এটি একটি নতুন সমস্যা মনে হচ্ছে। গাছে শোষক পোকার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

এছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবস্থিত আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের (আম গবেষণা কেন্দ্র) তৎকালিন ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা জমির উদ্দিনের বরাত দিয়ে লেখা হয়েছে, ‘সমস্যাটি আম উৎপাদনেরজন্য উদ্বেগজনক। তবে তাৎক্ষনিকভাবে তিনিও এর সঠিক উত্তর দিতে পারেননি।

তবে এটি পোকার আক্রমনে হতে পারে বলে তিনি ওই পত্রিকাটিকে জানিয়েছেন, এসব পোকা গাছের কচি পাতা ও ডগার রস খেয়ে ফেলে। সাধারণত ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে ওই পোকা বংশবৃদ্ধি করে। পোকার দেহ থেকে নিসৃত রস আঠালো ও মধুর মতো মিষ্টি মনে হয়। রসের কারণে আম ও গাছের পাতায় বিভিন্ন ছত্রাকজনিত রোগ তৈরির অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

 

এতে গাছে বিভিন্ন ধরনের রোগ দেখা দেয়। এমনটি হলে গাছের আম কালো হয়ে আস্তে আস্তে তা শুকিয়ে ঝরে পড়ে। এ পোকার আক্রমণ গুটি বা ছোট আমের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। পোকা আক্রমণের সময়কে শুটি মৌল বলা হয়। বড় আমগাছে এ পোকার আক্রমণ কম হয়। ছোট গাছে প্রভাব পড়ে বেশি।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://bslnews24.com/

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার বানিয়াদী, হাটাবো, মাছিমপুর, মঙ্গলখালী, মাঝিপাড়া, হিরনাল, কালনী, তিনওলব ও দাউদপুর সহ আশেপাশের এলাকায় এবার রেকর্ড পরিমাণ আম উৎপাদন হবে বলে কৃষকরা আশা করছেন।
আম গাছে প্রচুর পরিমাণ মকুল ও আমের গুঁটি আসায় কৃষকরা এখনই গাছের প্রতি বেশ যত্নশীল। আম ফলনে এবার অনুকূল পরিবেশ থাকবে বলে তারা মনে করছেন। উপজেলা কৃষি অফিস আম গাছের মালিকদের রোগ জীবাণু প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছে।
উপজেলা সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, আমের মকুল আসলেই গাছে স্প্রে করে ওষুধ প্রয়োগ করতে হয়।

বানিয়াদী ফরিদআলীরটেক গ্রামের আম গাছের মালিক সুমন মিয়া বলেন, অনুকূল পরিবেশ থাকায় এ বছর অন্য বছরের তুলনায় আমের ভালো ফলন হবে। তবে পানির অভাবে কোন কোন গাছে আমের সাইজ ছোট হতে পারে।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://sangbadchorcha.com

ফলের রাজা আম। দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বিঘার পর বিঘা জমিতে যেমন আম চাষ হয়, তেমনই গ্রামবাংলার গৃহস্থ বাড়িতে কয়েকটা আমগাছ থাকেই। সকালে ফেইসবুকে বন্ধু তোহার পোস্ট দেখে টনক নড়লো। আম গাছের পাতায় পাতায় মধু রস! এতোটাই বেশি নিঃসৃত হচ্ছে যে, গাছের নিচের রাস্তাও আঠালো হয়ে যাচ্ছে।

গাছের পাতায় পাতায় মধু রস বা হানিডিউ ছড়িয়ে পড়েছে। পুরো সিলেট জুড়ে একই অবস্থা। আম গাছে কেবল মুকুল এসেছে মাত্র। এই রোগের আক্রমণে আমের উৎপাদনে ধস নামবে কি?

অনেকে আবার এই মধুকে করোনার বিরুদ্ধে কুদরতি ঔষধ ভেবে খাওয়া শুরু করে দিয়েছেন।

বিষয়টি নিয়ে ঘাটিয়ে দেখলাম কুমিল্লাতেও একই অবস্থা! তার মানে পুরো বাংলাদেশই আক্রান্ত! ভয়ানক ব্যাপার। হপার পোকার আক্রমন সারা দেশেই!

আশঙ্কার ব্যাপার হলো, একটি হপার পোকা দৈনিক তার দেহের ওজনের ২০ গুণ রস শোষণ করে খায় এবং দেহের অতিরিক্ত আঠালো রস মলদ্বার দিয়ে বের করে দেয়, যা মধুরস বা হানিডিউ নামে পরিচিত। হানিডিউ এখন দেখা যাচ্ছে।

এ মধুরস মুকুলের ফুল ও গাছের পাতায় জমা হতে থাকে। মধুরসে এক প্রকার ছত্রাক জন্মায়।এই ছত্রাককে না সামলাতে পারলে বিপদ আসন্ন। এই ছত্রাক জন্মানোর কারণে মুকুল, ফুল ও পাতার ওপর কালো রঙের স্তর পড়ে যায়; যা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে। এই পোকার আক্রমণে শুধু আমের উৎপাদনই কমে যায় না, গাছের বৃদ্ধিও কমে যেতে পারে। হপার পোকা অন্ধকার বা বেশি ছায়াযুক্ত স্থান পছন্দ করে।

প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলিলিটার হারে সাইপারমেথ্রিন (রিপকর্ড বা সিমবুস বা ফেনম বা এরিভো) ১০ ইসি পানিতে মিশিয়ে পুরো গাছে স্প্রে করতে হবে। আমের হপার পোকার কারণে যেহেতু সুটিমোল্ড বা ঝুল রোগের আক্রমণ ঘটে তাই রোগ দমনের জন্য প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে সালফারজাতীয় ছত্রাকনাশক কীটনাশকের সঙ্গে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। 

কিন্তু আম গাছের হানিডিউ এর কারনে যে রোগ আসতেছে “ঝুল রোগ” তা কিভাবে মোকাবেলা করা যাবে? কৃষি বাতায়ন লিখেছে–

# ঝুল রোগের আক্রমণে পাতার উপর কালো আবরণ পড়ে। এই কালো আবরণ হচ্ছে ছত্রাকের দেহ ও বীজ কণার সমষ্টি। আমের শরীরেও কালো আবরণ দেখা দেয়।

বিস্তারঃ রোগের বীজকণা বা কনিডিয়া বাতাসের মাধ্যমে বিস্তার লাভ করে থাকে। হপার বা শোষক পোকা আমের মুকুলের মারাত্মক শত্রু। এ পোকা মুকুল থেকে অতিরিক্ত রস শোষণ করে এবং মধু জাতীয় এক প্রকার আঠাল পদার্থ (যা হানিডিউ নামে পরিচিত) নিঃসরণ করে। উক্ত হানিডিউ মুকুল ও পাতার উপর পতিত হয় তার উপর ছত্রাকের বীজকণা জন্মায় এবং কালো আবরণের সৃষ্টি করে। হপার ছাড়াও ছাতরা পোকা (মিলিবাগ)ও স্কেল পোকা হানিডিউ নিঃসরণ করে এবং ঝুল রোগের আক্রমণে সহায়তা করে। হানিডিউ ছাড়া এ রোগ জন্মাতে পারে না।

প্রতিকারঃ
★ হানিডিউ নিঃসরণকারী হপার, মিলিবাগ বা স্কেল পোকা কীটনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে দমনে রাখতে পারলে ঝুল রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
★ আক্রান্ত গাছে সালফার গ্রুপের ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে ভালভাবে স্প্রে করে এ রোগ দমন করা যায়।

এখনই যদি প্রতিকার করা না যায়, তবে আমের ফলনে নামবে ধস।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: http://www.agriview24.com

কুমিল্লা জেলা সদরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, আকাশ থেকে আম পাতায় মধু পড়েছে। অনেকে পাতা সংগ্রহ করে চেটেপুটে খাচ্ছেন।এ নিয়ে নারা জেলায় চলছৈ তোলপাড়। তাদের ধারণা সৃষ্টিকর্তা গজব (করোনা ভাইরাস) দিয়েছেন, আবার রহমতও (আম পাতায় পড়া কথিত মধু) দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লা নগরীর রানীর দিঘির পূর্ব দক্ষিণ কোনের নেওয়াজ বাগ বাসার আম গাছের কিছু পাতা ভেজা দেখা গেছে।

ওই বাসার গৃহিনী রওশন আরা জানান, পাশের বাসার লোকজন থেকে শুনেছেন আম পাতায় মধু পড়েছে। তিনি ছাদে গিয়ে আমপাতায় মধুর মতো দেখেছেন। মুখে দিয়ে দেখেছেন মিষ্টি লাগছে।

এদিকে কুমিল্লার বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক সংগঠক ও কুমিল্লা জেলাবাস মালিক সমিতির সভাপতি জামিল আহমেদ খন্দকার বৃহস্পতিবার দুপুরে এ প্রতিবেদককে ফোন করে জানিয়েছেন, তার নগরীর বাগিচাগাঁওস্থ বাসার আম গাছের নিচে কয়েকজন ছেলে পাতা খাচেছ। এ অবস্থা দেখে চ্যালের ২৪ টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি জাহিদুর রহমান ক্যামেরা নিয়ে চলে এসেছে। তাকে ডেকে বক্তব্য নিচ্ছে। তবে তিনি গাছের পাতা মুখে দেননি বলে জানিয়েছেন।

কুমিল্লার তিতাস উপজেলার জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের গোপাল পুর গ্রামের গ্রহিনী খাদিজা সরকার লিপি জানান, তার বাড়ির আম গাছে অসংখ্য মানুষ ভীর করছে। আম গাছের পাতা থেকে নাকি মধু পড়ছে। তবে তিনি নিজে পাতা মুখে দেননি বলে জানান।

কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুরজিত চন্দ্র দত্ত বলেন, আম গাছে এক প্রকার পোকার আক্রমণে পাতা জলীয় দেখায়। এটা স্বাভাবিক বিষয়।এটা নিয়ে গুজব রটানোর কিছুই নেই।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.bangladeshtoday.net

সিলেটের বিভিন্ন স্হানে আম গাছের পাতা থেকে রসালো মধু ঝরছে। মধুর আঁটালো রসে ভেসে যাচ্ছে নিচের চারিপাশ।

অনেকে আবার এই মধুকে করোনার বিরুদ্ধে কুদরতি ঔষধ ভেবে খাওয়া শুরু করে দিয়েছেন।

কুমিল্লা জেলা সদরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় শনিবার সকাল থেকে গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, আকাশ থেকে আম পাতায় মধু পড়েছে। অনেকে পাতা সংগ্রহ করে চেটেপুটে খাচ্ছেন।

এ নিয়ে গোটা সিলেটে চলছে তোলপাড়। তাদের ধারণা সৃষ্টিকর্তা গজব (করোনা ভাইরাস) দিয়েছেন, আবার রহমতও (আম পাতায় পড়া কথিত মধু) দিয়েছেন।

শনিবার দুপুরে নগরীর লামাবাজার এলাকার একটি বাসার আম গাছের কিছু পাতা ভেজা দেখা গেছে। ওই বাসার মালিক এনাম রহমান জানান, পাশের বাসার লোকজন থেকে শুনেছেন আম পাতায় মধু পড়েছে।

তিনি ছাদে গিয়ে আম পাতায় মধুর মতো দেখেছেন। মুখে দিয়ে দেখেছেন মিষ্টি লাগছে।

এদিকে ভার্তখলার মাদ্রাসা ছাত্র ইহসান বিন সিদ্দিক ফেইসবুকে একটি ভিডিও আপলোড করে জানান, তার এলাকার ঈদগাহ ময়দানে  আম গাছের নিচে কয়েকজন ছেলে পাতা খাচ্ছে। এ অবস্থা দেখে সে স্মার্ট ফোনের সাহায্যে ভিডিও ধারণ করে ফেইসবুকে আপলোড করে। এবং সে নিজেও আম গাছের পাতা মুখ দিয়ে টেস্ট করেছে বলে জানায়।

সিলেটের দাড়িয়া পাড়ার বাসিন্দা আলমগীর কুমকুম জানান, আমার বাসায় একই ঘটনা। সকাল বেলায় কাজের ছেলে আমপাতা এনে বলে মামা আমগাছ থেকে মৌচাক ভেঙে পড়ছে, কোথায় দেখি বলে বের হলাম, আমপাতায় অনেকটা মধুর মত কি  লাগানো! কিন্তু গাছে বা নিচে কোন মৌচাকের অস্তিত্ব খোজে পাইনি।

এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে চুলছেড়া বিশ্লেষণ কেউ বলছে কুদরতি ঔষধ আবার কেউ বলছেন করোনা ভাইরাসের জন্য আলৌকিক কিছু। নগরীর বিভিন্ন জায়গায় আম গাছের নিচে শতাধিক লোকের সমাগমও লক্ষ্য করা গেছে।

সিলেট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সালাহ উদ্দিন বলেন, আম গাছের পাতায় পাওয়া উক্ত রস কোনো মধু নয় বরং আম গাছে এক ধরনের শোষক কিংবা হপার পোকা যা গাছ থেকে রস শুষে খায়।

এসব পোকা তাদের দেহের ওজনের ২০ গুন পরিমাণ রস শোষন করে এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত রস মলদ্বার দ্বারা বের করে দেয় আর তা দেখতে প্রায় মধুর মতো। এটা স্বাভাবিক বিষয়। এটা নিয়ে গুজব রটানোর কিছুই নেই।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://ekhonsylhet.com

গাছে আমের মুকুল ধরতে না ধরতেই আম নিয়ে স্বপ্ন শুরু হয়ে যায় খাদ্যরসিকদের। আর একটু গরম পড়তেই বাজারে বাজারে বাহারি আমের দরদামে লেগে পড়েনতাঁরা। গ্রীষ্মে প্যাচপেচে গরম-আর্দ্রতার অস্বস্তি সত্ত্বেও যে কারণগুলো এই ঋতুকে কিছুটা হলেই সহনীয় করে তুলেছে, তার অন্যতম এই সময়ের ফলের বাজার।

আর এই ফলের বাজারে জনপ্রিয়তা ও স্বাদে সকলের থেকে এগিয়ে থাকে আম। কাঁচা হোক বা পাকা, সব রকমের আমই রসনাতৃপ্তিতে ব্যবহার করে বাঙালি। কাঁচা আম দিয়ে আম-তেল, আম ডাল, আমের আচার কত কী  হয়! আর কাঁচামিঠে আমের তো কদরই আলদা। পাকা আমের তো জুড়ি মেলা ভার।

তবে শুধুই কি স্বাদ! গুণের দিক থেকেও কিন্তু অন্যান্য ফলকে রীতিমতো টেক্কা দিতে পারে আম। পেট থেকে ত্বক-চুল বিভিন্ন সমস্যা মেটানোর জন্য আমের ভূমিকা অস্বীকার করা যায় না। পুষ্টিবিদদের মতে, আমের শাঁস থেকে আঁটি পুরোটা থেকেই কিছু না কিছু উপকার মেলে। পরিমিত পরিমাণে আম খেলে শরীরের অনেক উপকার হয়। জানেন কি, আপনার শরীর সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে আম কতটা সদর্থক ভূমিকা পালন করতে পারে?

আমে রয়েছে উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন সি, সেই সঙ্গে ফাইবার। রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টরল-এর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। তাই পরিমাণ বুঝে নিয়মিত আম খান। >আমে রয়েছে দরকারি উৎসেচক, যা শরীরের প্রোটিন অণুগুলো ভেঙে ফেলতে সাহায্য করে এবং হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ত্বকের যত্নেও ভূমিকা রয়েছে আমের। আমের আঁশে থাকা ভিটামিন সি ত্বকের উজ্জ্বলতা ফেরায়।আম বাটা মাখলেও ত্বকে রোমের মুখগুলো খুলে গিয়ে ত্বক পরিষ্কার থাকে।আম চোখের জন্যও উপকারী। মানুষের শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘এ’-এর চাহিদার প্রায় পঁচিশ শতাংশের যোগান দিতে পারে আম। ভিটামিন এ চোখের জন্য খুবই উপকারী। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি এবং রাতকানা রোগ থেকে রক্ষা করে।
  • এছাড়াও আমে রয়েছে প্রায় ২৫ রকমের বিভিন্ন কেরাটিনোইডস যা আপনার ইমিউন সিস্টেমকে রাখবে সুস্থ ও সবল।
    • >আমে পাওয়া যায় টারটারিক অ্যাসিড, ম্যালিক অ্যাসিড ও সাইট্রিক অ্যাসিড যা শরীরে অ্যালকালাই বা ক্ষার ধরে রাখতে সাহায্য করে।
    • আমের মধ্যে আছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট যা ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
    • যাঁরা অপুষ্টি জনিত সমস্যায় ভোগেন, তাঁরাও গরমে রোজ একটা করে আম খেতে পারেন। শরীরে শক্তি জোগান দিতে আমের জুড়ি মেলা ভার।

    তবে পুষ্টিবিদদের মতে, কার্বাইডে পাকানো আম কেনার চেয়ে গাছপাকা আমের সন্ধানে থাকুন কিংবা একটু কাঁচা থাকলেও তাকে বাড়িতে এনে চালের ড্রামে রেখে পাকিয়ে নিন। কারণ প্রাকৃতিক উপায়ে পাকানো আমে যতটা উপকার মেলে, কার্বাইডে পাকানো আমে ততটা মেলে না। কাজেই আম কিনুন বেছে।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.anandabazar.com/

চৌসার চার্ম আর দশেরির মনমাতানো সুবাস— মিলেমিশে রসালো আস্বাদ। এ বার সেই রসে টইটম্বুর ডবল ধামাকা মিলবে একটা আমেরই জাদুতে। কারণ, এ বার বাজারে আসতে চলেছে নতুন আমের সঙ্কর প্রজাতি। চৌসা আর দশেরি প্রজাতির সংমিশ্রণেই তৈরি হয়েছে নতুন এই আম।
সম্প্রতি সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অব সাবট্রপিকাল হর্টিকালচার তৈরি করেছে এই হাইব্রিড আমের প্রজাতি। লখনউয়ের দশেরি এবং চৌসা আমের ভাল গুণগুলি একত্রিত করে তৈরি হয়েছে এই নতুন আম। নতুন আমটির নাম দেওয়া হয়েছে সিআইএসএইচ-এম-২। হর্টিকালচারের তরফে জানা গিয়েছে, বাজার থেকে দশেরি চলে যাওয়ার পর এবং চৌসা বাজারে আসার ঠিক আগেই দোকানে পাওয়া যাবে এই আম। সিআইএসএইচ-এম-২ দেখতে অনেকটা দশেরির মতো। আর স্বাদে যেন চৌসার যমজ ভাই!

সিআইএসএইচ-এম-২-র পাশাপাশি ফ্লোরিডার টমি আটকিনস আমের সঙ্গে দশেরি আমের মিশ্রণেও তৈরি হয়েছে একটি নতুন প্রজাতি। এর মধ্যে সুগার লেভেল থাকে খুব কম। নিলম ও টমি আটকিনস প্রজাতি মিশিয়ে তৈরি করা হয়েছে আরও একটি নতুন আম। হর্টিকালচার সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন এই প্রজাতিটি পাওয়া যাবে আমের মরসুমের শেষে। ফলে বাজার থেকে আম চলে গেলেও আম-প্রেমীদের ছুঁয়ে থাকবে আমের রসালো অনুভূতি।

সিআইএসএইচ-এর ডিরেক্টর শৈলেন্দ্র রাজন জানান, এই হাইব্রিড আমগুলির প্রত্যেকটিতেই রয়েছে উচ্চ ক্যারোটিনয়েড (ভিটামিন এ)। বর্তমানে ভারতের বিভিন্ন ল্যাবরেটরিতে নতুন এই প্রজাতিটি পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। বাণিজ্যিক ভাবে এগুলি বাজারে আনার ব্যাপারেও চলছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.anandabazar.com/

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় আম গাছে মুকুল থেকে ‘গুটি’ আসতে শুরু করেছে। গাছে গাছে ‘আমের গুটি’ দেখে ভালো ফলনের আশা করছেন ব্যবসায়ী ও বাগান মালিকরা।

 

 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৯৮ ভাগ গাছে মুকুল আসে। মুকুল থেকে বের হওয়া গুটি টিকিয়ে রাখতে পরিচর্যা করছেন চাষিরা। এবার মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টি হওয়ায় আমের জন্য ভালো হয়েছে।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বৃষ্টি আমের ফলনের জন্য উপকারী। গাছের গোড়ায় টানা পানি ঢেলেও যে লাভ না হতো, তার চেয়েও বেশি লাভ হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে ফলন ভালো হবে।

 

মাঝে-মধ্যে হওয়া বৃষ্টিতে ফলন ভালো হয় বলে জানান চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মঞ্জুরুল হুদা।

 

তিনি বলেন, মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টিতে আমের গাছের পাতা থেকে ধূলা-ময়লা ধুয়ে গেছে। এতে পাতার মাধ্যমে মুকুলগুলো বেশি পরিমাণে সূর্যালোক থেকে খাদ্যগ্রহণ করছে। এতে গুটির ঝরেপড়া যেমন রোধ হবে, তেমনি আকারও বড় হবে। তাছাড়া বৃষ্টির পর দিন পর্যাপ্ত রোদ হওয়ায় মুকুলে কীটপতঙ্গ মারা যাবে।

 

কৃষি বিভাগ ও আম চাষিরা বলছেন, বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে আমের ভালো ফলন হবে। মুকুল আসার আগে থেকে গাছের পরিচর্যা করছেন বাগান মালিক ও চাষিরা। কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের কীটনাশকও প্রয়োগ করছেন তারা।

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাণিজ্যিকভিত্তিতে প্রায় সব জাতের আমের উৎপাদন হয়। লাভজনক হওয়ায় প্রতি বছর আমের আবাদ বাড়ছে। ক্ষীরশাপাতি, ল্যাংড়া, আম্রপালি, ফজলি, রাজভোগ ও গোপালভোগসহ বিভিন্ন জাতের আমের বাগান গড়ে উঠেছে। এখানকার আম দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়। একটা অংশ বিদেশে রপ্তানি হয়।

 

কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন জানান, আম বাগান পরিচর্যা বিষয়ক লিফলেট চাষিদের দেওয়া হয়েছে। মুকুল থেকে আম পাড়া পর্যন্ত নির্দেশনা লিফলেটে রয়েছে।

কেমিকেলমুক্ত আম উৎপাদনে প্রতি বছরের মতো এবারও চাষিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://risingbd.com

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এমন গুজবে অনেকে পাতা সংগ্রহ করে চেটেপুটে খাচ্ছেন। তাদের ধারণা সৃষ্টিকর্তা গজব (করোনা ভাইরাস) দিয়েছেন, আবার রহমতও (আম পাতায় পড়া কথিত মধু) দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লা নগরীর রানীর দিঘির পূর্ব দক্ষিণ কোনের নেওয়াজ বাগ বাসার আম গাছের কিছু পাতা ভেজা দেখা গেছে। 

ওই বাসার গৃহিনী রওশন আরা জানান, পাশের বাসার লোকজন থেকে শুনেছেন আম পাতায় মধু পড়েছে। তিনি ছাদে গিয়ে আমপাতায় মধুর মতো দেখেছেন। মুখে দিয়ে দেখেছেন মিষ্টি লাগছে। 

কুমিল্লার বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক সংগঠক ও কুমিল্লা জেলাবাস মালিক সমিতির সভাপতি জামিল আহমেদ খন্দকার বৃহস্পতিবার দুপুরে এ প্রতিবেদককে ফোন করে জানিয়েছেন, তার নগরীর বাগিচাগাঁওস্থ বাসার আম গাছের নিচে কয়েকজন ছেলে পাতা খাচ্ছে। 

কুমিল্লার তিতাস উপজেলার জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের গোপাল পুর গ্রামের গ্রহিনী খাদিজা সরকার লিপি জানান, তার বাড়ির আম গাছে অসংখ্য মানুষ ভির করছে। আম গাছের পাতা থেকে নাকি মধু পড়ছে। তবে তিনি নিজে পাতা মুখে দেননি বলে জানান।  

কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুরজিত চন্দ্র দত্ত বলেন, আম গাছে এক প্রকার পোকার আক্রমণে পাতা জলীয় দেখায়। এটা স্বাভাবিক বিষয়।এটা নিয়ে গুজব রটানোর কিছুই নেই।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: www.daily-bangladesh.com

Monday, 16 March 2020 07:50

আমের রোগ মহালাগা

Written by

আমের রাজধানী চাঁঁপাইনবাবগঞ্জে স্থানীয়ভাবে মহালাগা বহুল প্রচলিত। মহালাগা আসলে কোনো রোগ নয় বরং এটি পোকা ও রোগের আক্রমণের ফলাফল। এদেশে জানুয়ারি-মার্চ মাসের দিকে মহালাগার সম্ভবনা সবচেয়ে বেশি। তবে কুয়াশাছন্ন আবহাওয়ায় এর দ্রুত বিস্তার ঘটে। আমবাগানে মুকুল বা পুস্পমঞ্জুরী বের হওয়ার সময় দিন ও রাতের গড় তাপমাত্রা ২৫০ সেন্টিগ্রেডে থাকলে মহালাগার সম্ভাবনা কম থাকে তবে এ সময়ে তাপমাত্রা হঠাত্ বেড়ে গেলে (৩০০ সেন্টিগ্রেড) আমবাগানে হপার পোকার আক্রমণ দেখা যায়। সুতরাং এ সময় নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করতে হবে। আমবাগানে মুকুল বা পুস্পমঞ্জুরী বের হওয়ার আনুমানিক ১৫ থেকে ২০ দিন আগে সাইপারমেথ্রিন অথবা কার্বারিল গ্রুপের যেকোনো কীটনাশক দ্বারা ভালভাবে সমস্ত গাছ ধুয়ে দিতে হবে। সেক্ষেত্রে গাছে বসবাসকারী হপার বা শোষক পোকাসহ অন্যান্য পোকার আক্রমণ হতে রক্ষা পাওয়া যাবে। যদি সঠিক সময়ে হপার পোকা দমন করা না যায় তাহলে পরবর্তীতে আমের ফলন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। যেমন হপার পোকা আমগাছের কচি অংশের রস চুসে খেয়ে বেঁচে থাকে। আমের মুকুল বের হওয়ার সাথে সাথে এগুলো মুকুলকে আক্রমণ করে। এ পোকা আমের মুকুল থেকে রস চুসে খায় ফলে মুকুল শুকিয়ে বিবর্ণ হয়ে ঝরে পড়ে। একটি হপার পোকা দৈনিক তার দেহের ওজনের ২০ গুণ পরিমাণ রস শোষণ করে খায় এবং দেহের প্রয়োজনের অতিরিক্ত আঠালো রস মলদ্বার দিয়ে বের করে দেয় যা মধুরস নামে পরিচিত। এ মধুরস মুকুলের ফুল ও গাছের পাতায় জমা হতে থাকে। মধুরসে এক প্রকার ছত্রাক জন্মায়। এই ছত্রাক জম্মানোর কারণে মুকুল, ফুল ও পাতার উপর কালো রঙয়ের স্তর পড়ে যা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে। এ অবস্থার সৃষ্টি হলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মানুষ স্থানীয়ভাবে এটিকে মহালাগা বলে থাকে। আক্রান্ত আমগাছে অধিকাংশ সময় আমশূন্য মুকুল বা পুস্পমঞ্জুরী দেখা যায়। এই পোকার আক্রমণে আমের ফলন

১০০ ভাগ পর্যন্ত কমে যেতে পারে সেই সাথে গাছের বৃদ্ধিও।

দমন পদ্ধতি:১. হপার পোকা অন্ধকার বা বেশি ছায়াযুক্ত স্থান পছন্দ করে তাই নিয়মিতভাবে গাছের ডালপালা ছাঁটাই করতে হবে যাতে গাছের মধ্যে আলো-বাতাস প্রবেশ করতে পারে। ২. আমের মুকুল যখন ৮ থেকে ১০ সেন্টিমিটার হয় অর্থাত্ ফুল ফোটার আগে একবার এবং আম যখন মটরদানাকৃতি হয় তখন আর একবার প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি লিটার হারে সাইপারমেথ্রিন ১০ ইসি অথবা ডেসিস ২.৫ ইসি মিশিয়ে সম্পূর্ণ গাছ সেপ্র করতে হবে। ৩. আমের হপার পোকার কারণে যেহেতু সুটিমোল্ড বা ঝুল রোগের আক্রমণ ঘটে সেহেতু রোগ দমনের জন্য প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে সালফার জাতীয় ছত্রাকনাশক হপার পোকা দমনের জন্য ব্যবহার্য কীটনাশকের সাথে মিশিয়ে সেপ্র করতে হবে। তবে মহালাগা দমনে প্রতিষেধকের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://archive.ittefaq.com.bd

Page 1 of 41