x 
Empty Product
  • 1.jpg
  • 2.jpg
  • 3.jpg
  • 4.jpg
  • 5.jpg
  • 6.jpg

একটি  Up-coming Project.  ভালো জাতের অর্গানিক আম সবার কাছে পৌছে দেওয়া এবং চাঁপাই নবাবগন্জ তথা গৌড়ের পর্যটন সম্ভাবনাকে সবার কাছে তুলে ধরাই আমাদের মুল লক্ষ। গত ১২ই ফেব্রুয়ারী ২০১৩ থেকে আমরা ই-সেবা দিয়ে যাচ্ছি। প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা শুধুমাত্র প্যাকেট জাত আম সরাবরাহ করছি। শিঘ্রই আম যাদুঘর, পর্যটন ক্যাম্প সহ অন্যান্য সুবিধাগুলো চালু হবে ইনশাআল্লাহ...


নিউজ আপডেট : আমের সর্বশেষ খবর

:

 

কিভাবে আম চাষ করবেন?

User Rating:  / 0
PoorBest 


বাংলাদেশে যে সব ফল উৎপন্ন হয় তার মধ্যে আমের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি। আমের নানাবিধ ব্যবহার, স্বাদ-গন্ধ ও পুষ্টিমাণের জন্য এটি একটি আদর্শ ফল হিসেবে


বাংলাদেশে যে সব ফল উৎপন্ন হয় তার মধ্যে আমের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি। আমের নানাবিধ ব্যবহার, স্বাদ-গন্ধ ও পুষ্টিমাণের জন্য এটি একটি আদর্শ ফল হিসেবে

পরিচিত। তাই আমকে ফলের রাজা বলা হয়। বর্তমানে আরব আমিরাত, আবুধাবী, দুবাই, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, ওমান, ইটালী, জার্মানী ও যুক্তরাজ্যের বাজারে বাংলাদেশ থেকে ফজলি, হিমসাগর এবং ল্যাংড়া জাতের আম রপ্তানী হলেও আরও অনেক দেশে এর রপ্তানীর প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে।

যেভাবে আম চাষ করবেনঃ

উপযুক্ত জমি ও মাটি: উর্বর দোআঁশ উঁচু ও মাঝারি জমি আম চাষের জন্য উপযোগি। বাগান আকারে আমের চাষ করতে হলে প্রথমে নির্বাচিত জমি ভালেভাবে আড়াআড়ি চাষ ও মই দিয়ে সমতল ও আগাছামুক্ত করে নিতে হবে। জমিতে গাছের গোড়া, ইট, পাথর, কিংবা অন্যান্য কোনরকম জঞ্জাল থাকলে তা সরিয়ে ফেলতে হবে। জমি উত্তমরুপে কর্ষণ করলে গাছের গাছের শিকড় বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

 চারা রোপণ: ষড়ভূজি পদ্ধতিতে আম চারা রোপণ করলে ১৫ ভাগ চারা বেশি রোপণ করা যায়। জৈষ্ঠ্য থেকে আষাঢ় (মধ্য মে থেকে মধ্য জুলাই) এবং ভাদ্র-আশ্বিন মাস (মধ্য আগস্ট থেকে মধ্য অক্টোবর) চারা রোপণের উপযুক্ত সময়। তবে সেচের সুবিধা থাকলে শীতকাল ছাড়া বছরের যে কোন সময় চারা রোপণ করা যাবে। প্রতি গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ৮ থেকে ১০ মিটার রাখতে হয়।

 সার ব্যবস্থাপনা: প্রতি গর্তে সারের পরিমাণ গোবর ২২ কেজি, ইউরিয়া ১৫০ গ্রাম, টিএসপি সার ৫৫০ গ্রাম, এমওপি সার ৩০০ গ্রাম, জিপসাম সার ৩০০ গ্রাম, জিংক সালফেট সার ৬০ গ্রাম প্রয়োগ করতে হয়। গর্ত ভর্তির ১০-১৫ দিন পর চারার গোড়ার মাটির বলসহ গর্তের মাঝখানে রোপণ করতে হবে।

 একটি পূর্ণ বয়স্ক ফলন্ত আম গাছে বছরে ৫০ কেজি জৈব সার, ২ কেজি ইউরিয়া, ১ কেজি টিএসপি, ৫০০ গ্রাম এমওপি, ৫০০ গ্রাম জিপসাম ও ২৫ গ্রাম জিংক সালফেট প্রয়োগ করতে হবে। উল্লেখিত সার ২ কিসি-তে প্রয়োগ করতে হবে। প্রথমবার জৈষ্ঠ্য-আষাঢ় মাসে এবং দ্বিতীয়বার আশ্বিন মাসে প্রয়োগ করতে হবে।

 সেচ ও আগাছা ব্যবস্থাপনা: ফলন্ত গাছে মুকুল বের হওয়ার ৩-৪ মাস আগ থেকে সেচ দেওয়া বন্ধ করতে হবে। তবে মুকুল ফোটার পর ও ফল মটর দানা হলে একবার বেসিন পদ্ধতিতে সেচ দেওয়া দরকার। গাছের গোড়া ও গাছের ডালপালা সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। কলমের গাছের বয়স ৪ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মুকুল ভেঙে দিতে হবে।

 ফসল তোলা: আম যখন হলুদাভ রঙ ধারণ করে তখন আম সংগ্রহ শুরু করতে হয়। গাছ ঝাকি না দিয়ে জালিযুক্ত বাঁশের কৌটার সাহায্যে আম সংগ্রহ করা ভালো।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found

গ্রাহক সেবা

দেশের প্রায় সকল বিভাগে রয়েছে আমাদের তালিকাভুক্ত সম্মানিত ডিলার। এছাড়াও "কুরিয়ার সাভিস" সেবা আছে এমন যেকোন জায়গায় আম পাঠানো সম্ভব।

আমাদের ডিলার তালিকা

 

: ছবি ঘর :

:: খবর ::

বাজারে নতুন আম badge

বাজারে কোন আম আসেনি। আসছে আগামী মে মাস হতে পাওয়া যাবে।

বাজারে শেষ আম badge

বাজারে কোন আম আসেনি। আসছে আগামী মে মাস হতে পাওয়া যাবে।

মোবাইলে তথ্য পেতে আপনার নাম ও মোবাইল নাম্বার টি পাঠিয়ে দিন

সাথেই থাকুন

নিজেকে যুক্ত করুন আমাদের সাথে......

আমের সব খবর পৌছে যাবে সময় মত......