x 
Empty Product

এখনও বাজারে আম পাওয়া যাচ্ছে। আর তা ছাড়া দুধের রসমালাই তো প্রায়ই হয়ে থাকে। এবার বানান নতুন কিছু। রসমালাইয়ে দিন আমের স্বাদ। হাতে অল্প সময় থাকলে রেঁধে ফেলুন আমের রসোমালাই। রইল আমের রসমালাই-এর রেসিপি।

উপকরণ
দুধ (১ লিটার), ভিনেগার বা লেবুররস (১ কাপ), এলাচ (২টি), গুঁড়ো করা চিনি (দেড় কাপ), সুজি (২ চা-চামচ), জল (পরিমাণমতো)
মালাইয়ের জন্য- আম রস করা (২ কাপ), দুধ (২ কাপ), কনডেন্সড মিল্ক (১ কৌটা), গোলাপ জল (৪-৫ ফোঁটা)


পদ্ধতি
প্রথমে হাঁড়িতে দুধ ফুটিয়ে নিন। ভালোমতো ফুটলে ভিনেগার কিংবা লেবুর রস আধা কাপ ঢেলে দিন। দেখা যাবে দুধ ছানা হয়ে গিয়েছে। যদি না হয় তাহলে আরও ভিনেগার কিংবা লেবুর রস দিয়ে দুধ ফাটাবেন। ছানা হয়ে গেলে, এর থেকে জল ফেলে দিন। এবার জল দিয়ে ছানা ধুয়ে একটা পরিষ্কার পাতলা কাপড়ে ছানাগুলো ভরে পেঁচিয়ে ঝুলিয়ে রাখুন। এভাবে কমপক্ষে ১ ঘণ্টা ঝুলিয়ে রাখবেন। এরপর ছানা নামিয়ে এর সঙ্গে সুজি বা আটা এবং এলাচ গুঁড়া খুব ভালো করে মেশান।

এবার ছানা দিয়ে ছোট ছোট বল তৈরি করুন। ৩ কাপ জলে চিনি ঢেলে অন্য একটা হাঁড়িতে ১৫-২০ মিনিট জ্বাল দিয়ে সিরা তৈরি করুন। গ্যাসে চিনির সিরার ভেতর আস্তে আস্তে বলগুলো ছেড়ে দিয়ে আগুনের আঁচ কমিয়ে দিন। হাঁড়ির মুখ ঢেকে দিয়ে ১৫-২০ মিনিট জ্বাল দিয়ে গ্যাস বন্ধ করে দিন। এবার রসগোল্লাগুলো সিরা থেকে তুলে নিয়ে আলাদা একটা পাত্রে রাখুন। এবার মালাই তৈরি করতে একটা পাতিলে দুধ নিয়ে জ্বাল দিন। দুধ ঘন হয়ে আসলে কনডেন্সড মিল্ক, আমের রস ঢেলে ৫-৬ মিনিট রান্না করুন। এখন রসগোল্লাগুলো, রান্না থাকা অবস্থায় মালাইয়ের মধ্যে একটা একটা করে ছেড়ে দিন। আরও ৮-১০ মিনিট রান্না করুন। নামানোর আগে উপর দিয়ে গোলাপ জল ছিটিয়ে দিন। গরম গরম খেতে পারেন আবার ফ্রিজে ঠান্ডা করে খেতেও মজা আমের রসগোল্লা।

জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় দুটি আম গাছের চারা রোপণ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। জাতীয় সংসদের সব সদস্যের জন্য দুটি করে গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির আওতায় শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে এ চারা রোপণ করেন তিনি।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত এক কোটি গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদের স্পিকারের উদ্যোগে সংসদ ভবন এলাকায় এ চারা রোপণ করা হচ্ছে

 

সুত্র: সময় টিভি

প্রযুক্তির ব্যবহার আর চাষের কলাকৌশলে পরিবর্তন করার কারণে স্বাদেও পরিবর্তন এসেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা জাতের আমে। দেখতে আকর্ষণীয় আর খেতে টকভাব দূর হয়ে মিষ্টিভাব আসায় দিনকে দিন কদর বাড়ছে এই আমের। মৌসুম শেষেও তাই বাজারে প্রতিদিনই চাহিদার তুঙ্গে থাকছে আশ্বিনা।

মৌসুম শেষ হলেও এখনও চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাগান ও হাটবাজারে দেখা মিলছে আশ্বিনা জাতের আমের। কয়েক বছর আগেও এই আম নিয়ে খুব বেশি আগ্রহ ছিল না ক্রেতাদের। অথচ চলতি বছর পছন্দের শীর্ষে থাকায় বাজার ভরেছে আশ্বিনা আমে। বেচাকেনাও হচ্ছে বেশ ভালো।

ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা জানান, আগে এই আম স্বাদে টক ছিল। এখন খেতে বেশ মিষ্টি লাগে। এ কারণে আগে বেচাকেনা ও দাম কম হলেও এখন মৌসুমের শেষ দিকে এসে এই আমের দাম ও চাহিদা বেড়ে গেছে।

বাগান মালিকরা জানান, ফ্রুট ব্যাগিং প্রযুক্তি আর চাষের কৌশলগত উন্নয়নে দেখতে আকর্ষণীয় হওয়ার পাশাপাশি টক স্বাদের আশ্বিনা আমে এসেছে মিষ্টভাব। ফলে আমস্বত্ত্ব, আচার তৈরির বদলে সরাসরি খাওয়ার উপযুক্ত হওয়ায় বেড়েছে এ আমের চাহিদা। আগের তুলনায় উৎপাদন বৃদ্ধি ও বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় খুশি সংশ্লিষ্টরা। আমের স্বাদের পরিবর্তন হয়েছে। উন্নত হয়েছে মান। রঙটাও বেশ পরিষ্কার হচ্ছে; দেখতেও সুন্দর লাগে। আর পাকা আম খেতে বেশ মিষ্টি।


ব্যাগিং করার কারণে এই আমের যে টকভাব ছিল তা একটু কম হচ্ছে উল্লেখ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম জানান, আশ্বিনা আম উৎপাদনের কৌশল আরও উন্নত করার সঙ্গে সঙ্গে বাগান মালিকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে কৃষি বিভাগ।

জেলার কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, প্রায় ৩৪ হাজার হেক্টর আমের বাগানের দশ শতাংশে আশ্বিনা জাতের আম হয়।

 

সুত্রঃ সময় টিভি