x 
Empty Product

ত্রাণের সঙ্গে আম, লিচুসহ দেশীয় ফল দেওয়ার অনুরোধ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম।

 

 

শনিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভা সম্মেলন কক্ষ থেকে করোনা উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আম, লিচুসহ মৌসুমি ফল এবং কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে অনলাইনে (জুম প্ল্যাটফর্মে) মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, গত কয়েক বছরে আমের ভাল দাম না পাওয়ায় রাজশাহীতে আম চাষ কমে যাচ্ছে। আমে ফরমালিন বা ক্ষতিকর কিছু নেই মর্মে জনগণকে সচেতন ও আশ্বস্ত করতে হবে। ত্রাণ হিসেবে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীতে আম, লিচুসহ মৌসুমি ফল অন্তর্ভূক্ত করার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের নিকট অনুরোধ জানানোর পরামর্শ দেন তিনি।

 

ভিডিও ক্লিপের মাধ্যমে সকল গণমাধ্যমে প্রচারণা চালানোর পরামর্শও দেন তিনি।

 

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক সভায় সভাপতিত্ব করেন।

এসময় কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডা. আ ফ ম রুহুল হক, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সংসদ সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহম্মেদ শিমুল, কৃষি ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ,এবং জাতিসংঘের কৃষি ও খাদ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট সিম্পসন অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন। সভাটি সঞ্চালনা করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: নাসিরুজ্জামান।

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.risingbd.com

জেলা প্রশাসনের বেঁধে দেয়া সময় অনুযায়ী ১৫ মে (শুক্রবার) থেকেই গুটি জাতের আম নামানোর কথা ছিলো। তবে প্রথম দিনে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার বাগানগুলোতে আম নামানোর খবর পাওয়া যায়নি।

তবে আম না নামানোর বিষয়ে চাষি ও ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, করেনা আতঙ্কে মানুষই বের হতে পারছে না, সেখানে আম পেড়ে বিক্রি করবো কোথায়। অন্য দিকে গুটি জাতের আম এথনো পরিপক্কতা আসেনি বলে দাবি উপজেলায় চাষি ও ব্যবসায়ীদের।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গুটি আমের কেবল আঁটি হয়েছে। পরিপক্বতা আসেনি এখনো। তাই চাষিরা আম নামাচ্ছেন না। করোনা সংকটকালে বাজার না পাওয়ার আশঙ্কায় চাষিদের তড়িঘড়ি আম নামানোরও ব্যস্ততা নেই। অথচ আগের বছরগুলোতে চাষিরা এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করতেন। বাগানে বাগানে শুরু হতো আম নামানোর উৎসব।

উপজেলার কালুহাটি এলাকার চাষি বাহাদুর রহমান বলেন, আমার গুটি আম খুব বেশি নেই। প্রশাসনের বেঁধে দেয়া সময় অনুযায়ী এখন গুটি আম পাড়া যাবে। তবে আম এখনও পাড়ার মতো হয়নি। গুটি আম আরও অন্তত ১০-১৫ দিন পর নামানো হলে আমের পরিপক্বতা আসবে।

তিনি বলেন, এবার বাজারের যে অবস্থা তাতে আম কখন নামালে ঠিক হবে সেটাও বুঝতে পারছি না। আবার এবার আম পাড়ার সময়টাও ঠিকমতো নির্ধারণ হয়নি। আম পাড়ার সময় কিছুটা আগেই নির্ধারণ করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুনজুর রহমান বলেন, কৃষিপণ্য লকডাউনের বাইরে। তাই বাজারজাত করতে সমস্যা হবে না। গাছে যখন আম পাকবে তখনই চাষিরা বাজারে নিতে পারবেন।


উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দা সামিরা বলেন, আম পরিপক্বতা না হলে আম নামাবেন না চাষি ও ব্যবসায়ীরা। তবে আমে ক্যামিকেলের মিশ্রণ ঘটিয়ে কেউ অপরিপক্ব আম নামানোর চেষ্টা করলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রসঙ্গ শুক্রবার (১৫ মে) থেকে গুটি আম পাড়ার সময় শুরু হয়েছে। আগামী ২০ মে থেকে গোপালভোগ নামাতে পারবেন চাষিরা। এছাড়া রানীপছন্দ ও লক্ষণভোগ বা লখনা ২৫ মে, হিমসাগর বা খিরসাপাত ২৮ মে, ল্যাংড়া ৬ জুন, আম্রপালি ১৫ জুন এবং ফজলি ১৫ জুন থেকে নামানো যাবে। সবার শেষে ১০ জুলাই থেকে নামবে আশ্বিনা এবং বারী আম-৪ জাতের আম। সম্প্রতি জেলা প্রশাসন এই সময় নির্ধারণ করে দেয়।


এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://bn.observerbd.com/

সাতক্ষীরার বাজারে পাকা আম উঠতে শুরু করেছে। কিন্তু করোনার প্রভাবে ক্রেতা যেমন কম, তেমনি দামও। ফলে দুঃশ্চিন্তা ভর করেছে আম বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীদের মাঝে। আর রপ্তানি বন্ধ থাকায় বিষমুক্ত আম উৎপাদনকারী বাগান মালিকরা পড়েছেন চরম বিপাকে।

কৃষি বিভাগ বলছে, আম ব্যবসা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য জেলার বাইরে বিক্রি ও পরিবহনের ব্যবস্থা করবে প্রশাসন।

সাতক্ষীরার সদর, তালা, কলারোয়া দেবহাটা উপজেলায় সর্বাধিক আমের বাগান রয়েছে। এরমধ্যে ১শ হেক্টর জমিতে রপ্তানিযোগ্য বিষমুক্ত নিরাপদ আম চাষ করা হয়েছে। এবার পর্যাপ্ত মুকুল আসলেও আশানুরুপ ফলন হয়নি।বিদেশে রপ্তানির কথা থাকলেও করোনার কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না। পাশাপাশি উৎপাদিত আমের দরও কমে গেছে। এ অবস্হায় চরম দুঃশ্চিন্তায় বাগান মালিকরা।

সাতক্ষীরা কৃষি বিভাগের মাঠ কর্মকর্তা রঘুজিত কুমার গুহ বলছেন, আম রফতানি করতে না পারায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাগান মালিকরা।
করোনার প্রভাবে বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা লোকসানের মুখে পড়বে বলে মনে করেন সাতক্ষীরা কাঁচা বাজার ব্যবসায়ী সমিতি সাধারণ সম্পাদক রওশন আলী।

তবে আম বাগান মালিকদের আতংকের কথা স্বীকার করে সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ পরিচালক নুরুল ইসলাম জানান, জেলার বাইরে আম পাঠাতে পরিবহনের ব্যবস্থা করবে প্রশাসন।

জেলার ৪ হাজার হেক্টর জমিতে ৫ হাজারের বেশি বাগানে এবার ৪০ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদন হবে বলে আশা কৃষি বিভাগের।

 

 

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.somoynews.tv