x 
Empty Product

বঙ্গভবনে দেশী বিদেশী নানা জাতের গাছের সঙ্গে যুক্ত হল হাড়িভাঙ্গা ও সূর্যপূরী আম গাছ। চ্যানেল আই এর হৃদয়ে মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠানের উদ্যোগে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ বঙ্গভবনের বাগানে এই আম গাছের চারা রোপন করেন। সঙ্গে ছিলেন কৃষি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম ব্যাক্তিত্ব শাইখ সিরাজ।

কৃষির উন্নয়ন এবং কৃষকের অধিকার রক্ষা আর নতুন নতুন ফল ফসলের জাত সম্প্রসারনে কাজ করে আসছে চ্যনেল আই এর হৃদয়ে মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠান। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গভবনে বিখ্যাত হাড়িভাঙ্গা আর সূর্যপূরী গাছের চারা রোপন কর্মসূচী। বঙ্গভবনের পূর্ব অংশে সিংহপুকুর পাড়ে এ দুটি জাতের আম গাছের চাড়া রোপন করেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ। সঙ্গে ছিলেন হৃদয়ে মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠানের পরিচালক ও উপস্থাপক শাইখ সিরাজ।

সে সময় আরো ছিলেন, নাটোরের কৃষক সংগঠক রফিকুল ইসলাম, রংপুরের কৃষক্ লুৎফুল হাসান সরকার আর বঙ্গভবনের কর্মকর্তারা। আমের চারা রোপন শেষে চ্যানেল আই এর পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ তার লেখা ‘কৃষি উন্নয়ন চিন্তা’ বই এবং কৃষকের ঈদ আনন্দ অনুষ্ঠানের ডিভিডি রাষ্ট্রপতির হাতে তুলে দেন।

বাংলাদেশে আমের নগরী বলে রাজশাহী ও এর আশপাশের জেলা পরিচিত হলেও এবার তাতে ভাগ বসিয়েছে রংপুর। এ অঞ্চলের হাড়িভাঙ্গা আমের সুখ্যাতি এখন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে এ আম চাষ হচ্ছে। হাড়িভাঙ্গা আম চাষ করে অনেকই এখন স্বাবলম্বি হয়ে উঠেছেন। এতোদিন রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলী, ল্যাংড়া, হিমসাগর এবং মিশ্রি ভোগ আমের কদর ছিলো আমাদের দেশে। কিন্তু এখন এসব আমের সুখ্যাতিকে ছাপিয়ে হাড়িভাঙ্গা আমের চাহিদা দেশ ছাপিয়ে বিদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে।

মাত্র ৫ বছর আগে প্রথম রংপুরের বদরগঞ্জের পদাগঞ্জে আঁশমুক্ত, রসালো এবং সুস্বাদু এ আমের ফলন শুরু হয়। আস্তে আস্তে এর সুনাম ছড়িয়ে পড়ে রংপুরের অন্যান্য এলাকায়।

এরপর থেকেই জেলার প্রায় ৫০০ গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে হাড়িভাঙ্গা আমের চাষ শুরু হয়। পায়রাবন্দ, লতিফপুর, শাল্টি গোপালপুর, দূর্গাপুর, ইমাদপুর, বদরগজ্ঞ উপজেলার পদাগজ্ঞ এবং শ্যামপুরসহ বিভিন্ন গ্রামে হাজার হাজার বাগানে এ আম চাষ হচ্ছে। এসব এলাকার মাটি লাল হওয়ায় ধান ও পাটসহ অন্যান্য ফসলের ফলন কম হওয়ায় কৃষকরা আবাদী জমিতে বাণিজ্যিকভিত্তিতে হাড়িভাঙ্গা আমের চারা রোপন করে।

হাড়িভাঙ্গা আমের প্রধান বৈশিষ্ট হচ্ছে আমটি অত্যান্ত সুস্বাদু, কোনো আঁশ নেই, বড় ছোট দুই ধরনের এই আম খুবই মিষ্টি ও সুস্বাদু এবং এর ঘ্রানও খুব সুন্দর। আমের মুকুল ধরার সঙ্গে সঙ্গে আগাম আমের পুরো বাগান বিক্রি হয়ে যায়। বড় বড় ব্যবসায়ীরা লাখ লাখ টাকা দিয়ে আমের বাগান কিনে নিয়ে নিজেরাই পরিচর্যা করে বড় করে তারপর বাজারে বিক্রি করে।

চলতি মৌসুমেও আমের ভাল ফলন হয়েছে। ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা মন দরে বাগানে এ আম বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিনই কমপক্ষে ১০০ ট্রাক আম কিনে নিচ্ছেন পাইকাররা। আর বাণিজ্যিক ভিত্তিতে হাড়িভাঙ্গা আম চাষ করে রংপুরের অনেকেই এখন স্বাবলম্বি হয়ে উঠেছেন।

আকবার হোসেন নামের এক আম চাষি বলেন, ‘গত ৩ বছর ধরে আমরা হাড়িভাঙ্গা আম চাষ করছি। ধান বাদ দিয়ে আমরা এখন হাড়িভাঙ্গা আমের আবাদ করছি।’

আব্দুস সালাম নামের অপর এক চাষি বলেন, ‘আমরা হিসাব করে দেখেছি ৪০০ গাছে আড়াইশ মন আম আছে। যদি ৫০-৬০ কেজি দরে বিক্রি করি তাহলে আমাদের ৫-৬ লাখ টাকা আসে।’

এছাড়া হাড়িভাঙ্গা আম এখন দেশ ছাড়িয়ে ইউরোপ ও আমেরিকাসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে।

রংপুর কৃষি উদ্যান বিশেষজ্ঞ এমএ ওয়াজেদ সাংবাদিকদের বলেন, হিমাগার ও গবেষণাগার স্থাপন করা হলে এ আম রংপুরের প্রধান অর্থকরী ফসল হতে পারে। তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের উত্তরাঞ্চলে আম সংরক্ষণে এবং আমের জুস তৈরির কোনো কারখানা নেই। এ অঞ্চলে এ ধরনের কারখানা গড়ে উঠলে এবং এর বাজার আরো ব্যাপক হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হলে হাড়িভাঙ্গা আমের চাষ আরো বিস্তার লাভ করবে।’

জাভেদ ইকবাল, রংপুর থেকে: রংপুর বিভাগের চিত্র পাল্টে যাচ্ছে। ক্ষেতের ফসলের বিপরীতে আমবাগানের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন কৃষকরা। ফসলের দাম কম। মজুরি বেশি। কামলা ও পানি সঙ্কট এর প্রধান কারণ। ফলে খুব কম ঝুঁকিপূর্ণ আম চাষে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন রংপুর বিভাগের অধিকাংশ কৃষক। হাড়িভাঙ্গা নামের এক জাতের আমবাগান করে হইচই ফেলে দিয়েছেন যুবক শফিউল আলম চৌধুরী সামু। প্রতি বছর তিনি কয়েক লাখ টাকার আম বিক্রি করেন। তিনি বলেন, নীলফামারী জেলার চিলাহাটি এলাকার গোসাইগঞ্জ এলাকায় তার আমবাগান। ১০ একর জমির ওপর এ বাগানে দুই হাজার হাঁড়িভাঙ্গা আমের চারা, দেড় হাজার উন্নত লিচু চারা রোপণ করেন তিনি। দুই বছর থেকে গাছগুলো ফল ধরতে শুরু করেছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন আসছে সামুর এ বাগানটি দেখতে। অনেকে এ বাগান দেখে নিজেরা এ ধরনের বাগান করায় উৎসাহী হয়েছেন। সামুর বাগানে কাজ করছেন এলাকার বেকার ২৫ জন শ্রমিক। তিনি তার বাগানের উৎপাদিত সেই ফল থেকে আশপাশের গ্রামের হতদরিদ্র, অভাবি লোকজনদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে লিচু আম দিয়ে আসেন। তার বাগানে কাজ করার ফলে এলাকার লোকজন এখন খেয়ে পরে বাঁচতে পারছেন। ছেলেমেয়েদেরও বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করাতে পারছেন। জমিলা বেগম ও জব্বার মিয়া জানান, তাদের গ্রামটিতে দরিদ্র লোকের সংখ্যাই বেশি। গ্রামে তেমন একটা কাজ ছিল না। তাই খেয়ে না খেয়ে দিন কাটত তাদের। কিন্তু বাগান হওয়ার ফলে এখন প্রতিদিনই সেখানে কাজ হয়। এলাকার বৃদ্ধ মোবারক মিয়া জানান, প্রতি বছরই ফল পাকলে সামু নিজে এসে বাড়িতে ফল দিয়ে যান। এবারও তিনি দিয়েছেন। কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবদুল লতিফ জানান, বাগানটিতে ফল ধরা শুরু হলে প্রতি বছর এ বাগান থেকে ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব হবে। ওদিকে রংপুরের কৃষকরা ফসল আবাদের চেয়ে আমবাগান করার দিকে ঝুঁকছেন বেশি। কারণ, ধান বা আলু চাষের চেয়ে আমবাগান করা অনেক লাভজনক। তাই দিন দিন বাড়ছে আমবাগান। দাম বেশি থাকায় এবার আম চাষিরা খুব খুশি। অনুুকূল আবহাওয়ার ফলে গতবারের চেয়ে এবার আমের ফলন বেশি হয়েছে। তবে লাভের বেশির ভাগই চলে যাচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগী দালালদের হাতে। এবার রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় ১৪ হাজার হেক্টর জমিতে আমের ফলন হয়েছে। গত বছর যা ছিল ১২ হাজার হেক্টরে। প্রতি হেক্টরে প্রায় ৪ মেট্রিক টন করে আম পাওয়া যাবে বলে কৃষি বিভাগ জানায়। কৃষি সমপ্রসারণ অধিদফতর রংপুরের উপ-পরিচালক ফিরোজ আহমেদ জানান, কৃষি সমপ্রসারণ বিভাগের তদারকির কারণে এ অঞ্চলে এবার আমের ফলন ভাল হয়েছে। দামও গত বছরের চেয়ে বেশি। তাই বাগান মালিকরা খুশি। আমবাগান করে তারা অনেক লাভবান হচ্ছে। সূত্রমতে জানা যায়, রংপুর বিভাগের মধ্যে রংপুর সদর, মিঠাপুকুর ও বদরগঞ্জ উপজেলার আম সবচেয়ে ভাল হয়। ব্যবসায়ীরা জানান, এখন পুরোদমে শুরু হয়েছে বেচাকেনা। বর্তমানে হাট-বাজারে হাঁড়িভাঙ্গা আম ছাড়াও ফজলি, কেরোয়া, এছাহাক তেলি, ছাইবুদ্দিন, আশ্বিনী, সাদা নেংড়া, কালা নেংড়া, কলিকাতা নেংড়া, মিশ্রী ভোগ, গোপাল ভোগ, আম্রপলি, সাদা রচি, চোচা, আঁটিসহ হরেক প্রজাতির আম উঠছে। রংপুর শহর ছাড়াও ঢাকা অন্যান্য জেলা থেকে আসা পাইকাররা দরদাম করে আম নিয়ে যাচ্ছেন। তবে হাঁড়িভাঙ্গা আমের চাহিদাই বেশি। পদাগঞ্জহাটের আম চাষি জব্বার মিয়া জানান, তার সাড়ে ৪ একর জমির আম বিক্রি করেছেন ৫ লাখ টাকায়। ওই গ্রামের বেশির ভাগ বাগান মালিকরা ২৫-৩০টি গাছের বাগান বিক্রি করেছেন এক থেকে দেড় লাখ টাকায়। বাবুরহাট বান্ধেরপাড়, হামিদপুর ফুলচৌকি, ময়েনপুর, খামারবাড়ি গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, ছোট বাগানগুলো বিক্রি হয়েছে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকায়। ওইসব গ্রামের আম চাষি শাখা মিয়া, মজিবর মিয়া, দুলু, শফিকসহ বেশ কয়েকজন জানান, এ এলাকার পদাগঞ্জ, মাঠেরহাট, পাইকারেরহাট, কদমতলার হাটে আম বিক্রি করে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ তাদের জীবিকা নির্বাহ করেন। আমের ওপরই প্রধানত তারা নির্ভরশীল।

ংপুরের হাঁড়িভাঙ্গা আমের কদর সারা দেশে দিন দিন বাড়ছে। দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষ প্রতিনিয়ত নিয়ে যাচ্ছে এ আম। দেশের গ-ি ছাড়িয়ে এখন বিদেশ যাচ্ছে রংপুরের হাঁড়িভাঙ্গা আম। অনেকে আবার ভোটের কৌশল হিসেবে ভোটারের সঙ্গে বিনামূল্যে এ আমের চারা বিতরণ করছে।

সূত্র মতে, এ বছর রংপুর অঞ্চলে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। এ আম থেকে কোটি কোটি টাকা আয় করছেন চাষিরা। রংপুরের মিঠাপুকুর, সদর ও বদরগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর সীমান্ত ঘেঁষা মিঠাপুকুর গোড়াগাছ ইউনিয়নের পদাগঞ্জ হাটে গিয়ে দেখা যায়, ক্রেতা-বিক্রেতাদের উৎসবমুখর পরিবেশ। হাঁড়িভাঙ্গা আমের আমদানি বিগত সময়ের চেয়ে অনেক বেশি। এছাড়াও বাজারে ফজলি, কেরোয়া, আশ্বিনী, সাদা লেংড়া, গোপালভোগ আম্রপালি, চোষা আটিসহ হরেক-রকম আম থাকলেও রংপুর নগরীতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা এসে কিনে নিয়ে যাচ্ছে হাঁড়িভাঙ্গা আম। হাঁড়িভাঙ্গা আমের বৈশিষ্ট্য খুবই মিষ্টি ও আঁটি ছোট এবং ওজন ৪০০ গ্রাম থেকে ৭০০ গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে।

আমের নামকরণ নিয়ে কথা হলে গোড়াগাছ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরে আলম জানান, তার দাদা নফল উদ্দিন মাসিমপুর এলাকার কুমারবাড়ির পাশে জঙ্গল থেকে আম কিনে আনেন এবং প্রথমে ভাঙ্গা হাঁড়ির মাঝখানে আম গাছটি হওয়ায় নামকরণ করা হয় হাঁড়িভাঙ্গা আম। সে থেকে এখনও এ নাম অনেক খ্যাতি লাভ করে।

লালপুকুর জুরুল্লাপুরে আম চাষি সালাম সরকার জানান, এবার ৪ একর জমির আম ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকায় বাগান ফড়িয়ারা কিনে আবার ৬ লাখ টাকা বিক্রি করে। ওই এলাকার অনেক বাগান মালিকের পুঁজি না থাকায় আমের মুকুল আসার আগে বিক্রি করে দিচ্ছে ফড়িয়াদের কাছে। ফড়িয়ারা সে বাগান কিনে ২-৩ গুণ লাভ করে চড়া দামে বিক্রি করছে পাইকারদের কাছে। আম চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ওই এলাকার লক্ষাধিক মানুষ আম বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। আমের ওপরই চলে তাদের সংসার। বাইরের অনেক লোক জমি লিজ নিয়ে আম চাষ করে। তারা সারা বছর অপেক্ষায় থাকে, আম মৌসুম এলে ছেলেমেয়েদের বিয়ে হবে। আমের মৌসুম শেষে ছেলেমেয়েদের বিয়েসহ অন্যান্য স্বপ্ন পূরণ করেন চাষিরা। সুবিধাভোগী সাইফুল ইসলাম হাবিবুরসহ অনেকে জানান, বাগান মালিকরা অনেক আগে আম গাছ বিক্রি করায় লাভের অংশ কম পায়। বর্তমানে আমের মণ ৪০ কেজির দাম ২ হাজার ২০০  থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা।

আম বাগান মালিকরা জানান, প্রযুক্তি সমস্যা এবং কৃষি অধিফতরের কোনো মনিটরিং না থাকায় রোগবালাই নির্মূলের ব্যাপারে পরামর্শ পাচ্ছেন না কৃষক। এ ব্যাপারে রংপুর কৃষি বিভাগের উপপরিচালক ফিরোজ আহম্মদ জানান, আমাদের কাছে কেউ পরামর্শ চাইলে দিয়ে থাকি। আম চাষিদের দাবি আম বাগান পরিচর্যার জন্য আলাদাভাবে কৃষি বিভাগের তদারকি থাকলে আমের ফলন বাড়বে।

এছাড়াও সরকারিভাবে ফল রাখার হিমাগার ব্যবস্থা থাকলে আম সংরক্ষণ করে দেরিতে বিক্রি করে অনেক লাভবান হতো আম চাষিরা। রংপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য হাবীব-উন-নবী আশিকুর রহমান জানান, এবারে ৩ লাখ হাঁড়িভাঙ্গা আমের চারা ভোটারদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। ভোটারদের ধারণা ভোট সংগ্রহের আশায় লোভনীয় আমের চারা বিতরণ করা হবে।

অবহেলিত এ অঞ্চলে আম চাষ উপযোগী এলাকায় সরকারি নজরদারি, কৃষি বিভাগের বিশেষ ব্যবস্থায় আম বাগান মালিকদের সরকারিভাবে সাহায্য করলে রংপুর অঞ্চলে হাঁড়িভাঙ্গা আম চাষ করে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন সম্ভব হবে।