x 
Empty Product

বাজারে এখন পাওয়া যাচ্ছে কাঁচা আম। আর এই কাঁচা আমের আচার, চাটনি বা ভর্তা যাই বলুন না কেন, ভাবতেই জিভে জল এসে যায়। এটি শুধু রসনাকেই তৃপ্ত করে না, এর রয়েছে পুষ্টিগুণও। আসুন তাই জেনে নেওয়া যাক-

পুষ্টিগুণ:
 • এটি পটাশিয়ামের অভাব পূরণ করতে পারে।

• কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম থাকায় এটি অম্বল, পেশি সংকোচন ও মানসিক চাপের ফলে তৈরি শারীরিক সমস্যায় উপকারী।

• এতে প্রচুর পরিমাণে লৌহ থাকায় তা রক্তাল্পতা দূরীকরণে বেশ উপকারী।

• এটি খাদ্যপ্রাণ সমৃদ্ধ ও খনিজে ভরপুর।

• ভিটামিন সমৃদ্ধ কাঁচা আম চোখ ভাল রাখার জন্য দরকারী। বিটা ক্যারোটিন থাকায় এটি হৃদপিণ্ডের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

• এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-১ ও ভিটামিন-২ রয়েছে।

• কাঁচা আমে ক্যালসিয়াম ও লৌহ রয়েছে।

রোগ প্রতিরোধ:

• এর বীজ শুকিয়ে চূর্ণ করে ডায়রিয়া সারাতে ব্যবহার করা হয়।

• কাঁচা আমের পাতা ব্যবহার করে বহুমূত্ররোগের প্রকোপ কমানো যায়।

• বৃক্ক প্রদাহ এবং কিডনির সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে।

• নিঃশ্বাসের সমস্যা, জ্বরের সমস্যা উপশম করে।

• কাঁচা আম আঁশ সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। এ ছাড়া কোলন বা মলাশয়ে ক্যান্সার প্রতিরোধেও এটি সাহায্য করে।

• এটি কলেরা, রক্তাল্পতা ও যক্ষা প্রতিরোধে সাহায্য করে।

• কাঁচা আম ভিটামিন সি সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে ও গরমের সময় সর্দি থেকে রক্ষা করে।

অন্যান্য উপকারিতা:

• আম পাতলা করে কেটে ত্বকের ওপর কিছুক্ষণ রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। রোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যা কমে যাবে।

• কাঁচা আম শুকিয়ে তৈরি করা আমচূর গুঁড়া স্কার্ভি সারানোয় কার্যকর। যথেষ্ট পরিমাণে টাটকা শাকসবজি ও ফলমূল না খাওয়ার ফলে সৃষ্ট রক্তঘটিত রোগই হচ্ছে স্কার্ভি।

• কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। এমনকি পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমে ভিটামিন সি বেশি পরিমাণে থাকে।

• এতে যথেষ্ট পরিমাণ শর্করা রয়েছে।

• অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় অ্যান্টিভাইরাস ও অ্যান্টিক্যান্সার উপাদান রয়েছে।

• আমের আঁশ ত্বক উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে।