x 
Empty Product

খালি চোখে ফরমালিন পরীক্ষা করাটা একটা চ্যালেঞ্জিং কাজ। সিটি কর্পোরেশনের কাছেও পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি নেই যা তারা সহজে ফরমালিন বা কর্বাইড পরীক্ষা করা যায়।

ফরমালডিহাইডের পরীক্ষার জন্য কিছু কমপ্লেক্স কেমিক্যাল-এর প্রয়োজন। এগুলো হলো-

১. ফরমালডিহাইডের দ্রবণের সঙ্গে ২ সিসি ফিনাইল হাইড্রোজাইন হাইড্রোকোরাইড (১%) এবং ১ সিসি ৫% পটাসিয়াম ফেরিসায়ানাড দিয়ে তারপর ৫ সিসি ঘনীভূত হাইড্রোকোরিক অ্যাসিড মেশালে পুরো দ্রবণ গাঢ় গোলাপী রঙ হয়ে থাকে। একে বলা হয় সেরিভারস্ টেস্ট।

২. ফরমালডিহাইডের হালকা দ্রবণ যেমন মাছে ফরমালিন দেয়া আছে তা ধুয়ে তার পানিতে ১ সিসি সোডিয়াম নাইট্রোপ্রোসাইড মেশালে গাঢ় সবুজ নীল রঙ ধারণ করে। এতে ফরমালডিহাইড তথা ফরমালিনের অস্তিত্ব প্রমাণ করে। এ সমস্ত কেমিক্যাল এবং রি-এজেন্ট পাওয়া খুব কঠিন এবং দামও অনেক বেশী।

৩. সন্দেহযুক্ত ফরমালিন মাছ ধুয়ে পানিতে ৩% (ভলিউম) হাইড্রোজেন পারক্সাইড মেশালে ফরমালডিহাইড অক্সিডাইজড হয়ে ফরমিক অ্যাসিডে রূপান্তর হয়। ফরমিক এসিড প্রমাণের জন্য সে পানিতে অল্প মারকিউরিক কোরাইড মেশালে সাদা রঙের তলানি পড়বে। তাতেই প্রমাণ হবে ফরমিক অ্যাসিড তথা ফরমালডিহাইড তথা ফরমালিন।

রাজশাহীর পুঠিয়া-বানেশ্বর এলাকায় গড়ে উঠেছে সর্ববৃহৎ আমের হাট। জ্যৈষ্ঠ মাসের শুরুতেই বিভিন্ন প্রজাতির আম পরিপক্ক না হতেই বেশী লাভের আশায় এক শ্রেণীর অসাধু আম ব্যবসায়ী ও বাগান মালিকগণ আম পাকাতে ব্যবহার করছেন কার্বাইড নামের বিষাক্ত মেডিসিন। ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে আমগুলো লালচে বা হলদে রং না হওয়ার কারণে কিছু ঔষধ ব্যবহার করতে হয় বলে জানান কিছু ব্যবসায়ীরা।