x 
Empty Product

Rajshahi Mango

পার্বত্যর শেষ জেলা বান্দরবানে আম্রপালি আম চাষ করে সফলতার মুখ দেখেছে অনেক চাষী। পাহাড়ি পতিত জমিতে আম চাষ করে অনেক চাষী এখন লাখপতি। তাদের একজন আলীকদম উপজেলার কৃষক নাজিম উদ্দিন। মাত্র চল্লিশ শতক পাহাড়ি জমিতেআমের চাষ করে তার লক্ষ বেশী টাকা আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তার সফলতা দেখে অন্য কৃষকরাও আম্রপালির চাষের দিকে ঝুঁকছে। আলীকদম উপজেলায় ২নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের গ্রামের আকবর আহমদ পাড়া। যেখানে দারিদ্রের হাতছানি পড়তে থাকে প্রতিনিয়ত।

চরম দারিদ্রের মাঝে থেকেও দারিদ্র মুক্তির স্বপ্নে বিভোর ছিলেন কৃষক নাজিম উদ্দিন। কৃষি বিভাগের পরামর্শে একদিন সংগ্রহ করেন আম্রপালির চারা। সেই থেকে কৃষি বিভাগের সহযোগীতায় আম্রপালি চাষ শুরু করেন তিনি। কৃষিবিভাগের দেওয়া প্রযুক্তিগত সহায়তা ও সময়মত সার প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণের ফলে সফলতার মুখ দেখার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে নাজিম উদ্দিনের দাবী করেন। তার মতে, কৃষি বিভাগের আন্তরিক সহযোগিতা পেলে যে কোন কৃষকই সাফল্যে পেতে পারে। জেলায় অনেকের বাড়ির ভিটার আশপাশে পাহাড়ি অনাবাদি পতিত জমি রয়েছে। এসব জমিতে আম্রপালি চাষ করা হলে পারিবারিকভাবে কিছুটা হলেও আর্থিক সংকট মেটাতে পারে বলে জানান উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা উজ্জ্বল কুমার দে।

কৃষক নাজিম উদ্দিন জানান, মাত্র চল্লিশ শতক জমিতে তার স্ত্রী কে নিয়ে আম্রপালি চারা পরিচর্যা ও রক্ষণা বেক্ষণ করেছেন। বর্তমানে তাদের এ আম্রপালি বাগান এলাকার জন্য মডেল বাগানে পরিণত হয়েছে। তার সফলতায় এলাকার অন্য কৃষকরাও এখন আম্রপালি চাষের দিকে ঝুকেঁ পড়ছে। নাজিম উদ্দিন এক লক্ষ টাকার বেশী আয় করেছেন বলে জানান। আম্রপালি চাষে তিনি এখন আশার আলো দেখেতে শুরু করেছেন। এছাড়াও রুমার মোস্তাক, সদর উপজেলার আপ্রুমং, কুহালয়ের আবদুল আজিজ, দলিয়ান পাড়ার জিরকুম বম সহ অনেকে আম্রপলি চাষ করে এখন স্বাবলম্বি।

কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মান্নানের মতে, পার্বত্য এ উপজেলায় প্রতিটি বাড়ি ভিটার পতিত জমি আম্রপালি চাষের উপযোগী। কৃষকরা আম্রপালি চাষ করলে পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপশি আর্থিক সংকট মেটাতে পারেন বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।