x 
Empty Product

 

 

বাজারে পাওয়া যাচ্ছে কাঁচা আম। কাসুন্দি ও শুকনো মরিচ দিয়ে জিভে পানি আনা কাঁচা আম ভর্তা করার এখনই সময়। টক-ঝাল-মিষ্টি স্বাদের আম ভর্তার রেসিপি জেনে নিন।

 

১) একটি বাটিতে স্বাদ মতো কাঁচা মরিচ কুচি নিন। ১ চা চামচ চিনি ও স্বাদ মতো লবণ দিয়ে দিন। সব উপকরণ ভালো করে মেখে ১ কাপ কাঁচা আম কুচি দিন। চটকে মেখে নিন মজাদার আম ভর্তা।

 

২)শুকনো মরিচ তেল ছাড়া ভেজে গুঁড়ো করে নিন। স্বাদ মতো শুকনা মরিচ গুঁড়োর সাথে ১ চা চামচ কাসুন্দি ও স্বাদ মতো লবণ দিন। কাঁচা আম কুচি দিয়ে ভালো করে মেখে নিন।   

৩) আধা কাপ কাঁচকলা কুচি আধ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। শুকনো মরিচ পুড়িয়ে গুঁড়ো করে নিন। এবার একটি বাটিতে স্বাদ মতো শুকনো মরিচ গুঁড়োর সাথে আধ কাপ কাঁচা আম কুচি মেশান। ভিজিয়ে রাখা কলা নিংড়ে অতিরিক্ত পানি বের করে দিয়ে বাটিতে নিন। ১ চা চামচ তেঁতুল ও সরিষার তেল দিন। স্বাদ মতো লবণ দিয়ে চটকে নিন। হয়ে গেল আরেক স্বাদের মজাদার আম ভর্তা।

Published in ব্লগ
mango-seeds

সাধারণত আমরা আম খেয়ে আঁটি ফেলেই দেই। কারণ আমরা আমকেই উপকারি মনে করি। আর আঁটিকে অকেজো মনে করে ফেলে দেই। কিন্তু এই আঁটির উপকারিতা জানলে অবাক হতেই হবে আপনাকে। কখনও আর আঁটি ফেলতেও চাইবেন না। আসুন জেনে নেই আমের আঁটির যত গুণ।

১.খুশকির সমস্যায় আমের আঁটি খুব উপকারী। আমের আঁটি শুকিয়ে গুঁড়ো করে তা স্ক্যাল্পে লাগাতে পারেন। অথবা জলের সঙ্গে মাথায় ঘষুন। এতে খুশকি কমে।

২.আম খেলে ব্লাড সুগার বেড়ে যায়। কিন্তু আমের বীজ খেলে তার প্রতিক্রিয়া পুরো ভিন্ন হয়। আমের বীজ খেলে ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৩.ওবেসিটি বা অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা থাকলে আমের বীজের নির্যাস খেতে পারেন। ফ্যাট বার্ন ররতে আমের বীজ অত্যন্ত কার্যকরী।

৪.ডায়েরিয়া হলে আমের বীজ শুকিয়ে গুঁড়ো করে, তা জলের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন।

৫.কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও আমের বীজ খুবই কার্যকরী।

Published in ব্লগ
Page 1 of 19