x 
Empty Product
Tuesday, 18 October 2016 07:18

আম গাছের ছত্রাককে পুঁজি করে রমরমা ব্যবসা

Written by 
Rate this item
(0 votes)

ইসলামপুরের গাইবান্ধা ইউনিয়নের আগুনেরচরে একটি আম গাছের গোড়া থেকে গজিয়ে উঠেছে হাতসদৃশ মসজাতীয় উদ্ভিদ বা ছত্রাক। ওই ছত্রাককে অলৌকিক হাতের উত্থান এবং ওই হাত ভেজানো পানি খেলে যেকোন রোগ ভাল হয় বলে অপপ্রচার করছে স্থানীয় ভ- চক্র। আর ওই ভ-ামির ফাঁদে পা দিয়ে প্রতিদিন প্রতারিত হচ্ছেন শত শত মানুষ।

সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, ইসলামপুরের গাইবান্ধা ইউনিয়নের আগুনেরচর এলাকায় কিতাব আলীর পুকুরপাড়ে কয়েক বছর আগে কেটে ফেলা আম গাছের গোড়ার নিচ থেকে মসজাতীয় দুটি ছত্রাক বেরিয়েছে। ছত্রাক দুটির মধ্যে একটি দেখতে অনেকটা মানুষের হাতের মতো। ওই হাতসদৃশ ছত্রাককে স্থানীয় এক চক্র অলৌকিক হাতের উত্থান বলে অপপ্রচার করছে এবং অলৌকিক ওই হাত ভেজানো পানি খেলে মানুষের রোগ ভাল হয় । তারা হাতসদৃশ ছত্রাকের জায়গাটি মাজারের রূপ দিয়ে সাজিয়ে সেখানে স্থানীয় নাপিতেরচর গ্রামের পলাশ নামের এক অর্ধপাগলকে বসিয়ে তাকে দিয়ে আগন্তুকদের হাতে বোতলভর্তি পানি দিচ্ছে এবং নগদ টাকাপয়সা আদায় করছে। ওই অপপ্রচারে মুগ্ধ হয়ে কুসংস্কারাচ্ছন্ন শত শত মানুষ বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন সেখানে এসে যে যার মতো করে টাকা দান করে বোতল ভরে পানি নিয়ে যাচ্ছে রোগ মুক্তির আশায়। আর কুসংস্কারাচ্ছন্ন ওইসব মানুষের আগমনে জোয়ার তুলতে স্থানীয় চক্র সেখানে কিছু পাগলকে ডেকে এনে গান-বাজনা করাচ্ছে ও গঞ্জিকার আসর বসিয়েছে। এছাড়াও স্থানীয় চক্রটি মৃত আম গাছের গুঁড়িসহ হাতের মতো ছত্রাকটি লাল সালু কাপড় ও রং-বেরঙের জড়ি দিয়ে পেঁচিয়ে সেটিকে জিন্দা পীরের হাতের মাজার বলে অপপ্রচার করছে। এ ঘটনাকে ধর্মপ্রাণ মানুষজন শিরক ও বেদাত বললেও সেখানে উৎসুক দর্শনার্থী ও রোগ মুক্তির আশায় হাতসদৃশ ছত্রাক ভেজানো পানি নেয়া কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষের ভিড় দিন দিন বাড়ছে।

সংবাদ সম্মেলন নড়াইলে হত্যা মামলা তুলে নিতে হত্যার হুমকি

নিজস্ব সংবাদদাতা, নড়াইল, ৩ অক্টোবর ॥ খড়ড়িয়া গ্রামে জমিজমার বিরোধকে কেন্দ্র করে বিজিবি সদস্য আলী আজগর মিনা হত্যাকা-ের ঘটনায় আসামিরা মামলা তুলে নিতে বাদীপক্ষকে হত্যাসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিচ্ছে। মামলার প্রধান আসামির আত্মীয় লে. কর্নেল পদমর্যাদার এক ব্যক্তির প্ররোচনায় চার সাদা পোশাকধারী বাদীর বাড়িতে গিয়ে নিহতের স্ত্রীকে মামলা তুলে না নিলে সন্তানসহ পরিবারের সবাইকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দিয়েছে। সোমবার দুপুরে নড়াইল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগ করেন নিহতের স্ত্রী নাছিমা খাতুন বুলু এবং নিহতের ভাই মামলার বাদী ইকবাল হোসেন মিনা।

নিহত বিজিবি সদস্য আলী অজগর মিনার স্ত্রী নাছিমা খাতুন বুলু এবং ভাই মামলার বাদী ইকবাল হোসেন মিনা লিখিত অভিযোগে জানান, ১৫ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে সাদা পোশাকধারী অপরিচিত চারজন তাদের বাড়িতে এসে মামলা তুলে নেয়ার নির্দেশ দেয় এবং বলে মামলা তুলে না নিলে আজগরের দুই সন্তান আশিক ও ইয়াসিনসহ পরিবারের সবাইকে হত্যা করা হবে। তারা অভিযোগে জানান, মামলার প্রধান আসামি রাজা মোল্যার খড়ড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা লে. কর্নেল পদমর্যাদার মামাত ভাইয়ের প্ররোচনায় এ হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। তাদের অভিযোগ, এই সেনা কর্মকর্তা মামলা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের চাপপ্রয়োগ করে আসছে। এ অবস্থায় দুই শিশুসন্তান নিয়ে আজগরের পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে। কালিয়া উপজেলার পেড়লি ইউনিয়নের খড়ড়িয়া গ্রামে মিনা ও মোল্যা বংশের মধ্যে জমিজমার বিরোধকে কেন্দ্র করে ৮ সেপ্টেম্বর মোল্যা বংশের লোকেরা আজগরকে তার বাড়ির সামনে প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

অবশেষে শেরপুরে জেল সুপারসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব সংবাদদাতা, শেরপুর, ৩ অক্টোবর ॥ জেলা কারাগারে জামিনে মুক্ত আসামির স্বজনদের কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার প্রতিবাদ করায় কারারক্ষীদের হাতে পরিবহন শ্রমিক নেতা আলমগীর হোসেন বিশুকে নির্যাতনের ঘটনায় আদালতে মামলা হয়েছে। সোমবার দুপুরে আহত শ্রমিক নেতা বিশুর স্ত্রী শান্তি বেগম বাদী হয়ে আদালতে মামলাটি দায়ের করলে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুর রহমান তা গ্রহণ করেন এবং বিকেলে দেয়া আদেশে জখমীর ডাক্তারী সনদপত্র সংগ্রহ সাপেক্ষে ঘটনার বিষয়ে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় জেল সুপার মজিবুর রহমান ও প্রধান কারারক্ষী বাবুল মিয়াসহ ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।

Read 1361 times

Leave a comment

Make sure you enter the (*) required information where indicated. HTML code is not allowed.