x 
Empty Product
Monday, 25 November 2019 09:55

সাইজে বড় নতুন বারমাসি আম ‘ নীলউদ্দিন ’

Written by 
Rate this item
(0 votes)

তানোর উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রহমান। তার বাড়িসংলগ্ন একটি গাছে ধরেছে আম। আমের জাতটির নাম ‘নীলউদ্দিন’। বছরে দু’বার এ গাছে ধরে আম। মূলত ভারতীয় জাতের আম এটি। গাছটির মালিক আবদুর রহমানের ছেলে জামাল উদ্দিন বলেন, সারা বছর আম পাওয়া যাবে ভেবে পাঁচ বছর আগে আমার বাবা চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচার সেন্টার থেকে ‘নীলউদ্দিন’ জাতের কলম করা চারা এনে রোপণ করেছিলেন। রোপণের তিন বছরের মাথায় গাছে আম আসতে শুরু করে। একটি আমের ওজন ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রাম পর্যন্ত হয়। এ আম দেখতে গ্রামসহ আশপাশের লোকজন প্রতিদিন আসছেন। তবে অন্য বছরের চেয়ে চলতি বছর একটু কম আম ধরেছে। অসময়ের আম হলেও খেতে খারাপ লাগে না। এটি আরও ৩০ থেকে ৪০ দিন পরে পাকতে শুরু করবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচার সেন্টারের কৃষিবিদ ও গবেষক জহুরুল ইসলাম জানান, ১৯৯৮ সালে ‘নীলউদ্দিন’ নামে আমের জাতটি কৃষিবিদ কামরুজ্জামান ভারত থেকে নিয়ে আসেন। এরপর হর্টিকালচার সেন্টারে মাতৃবাগান হিসেবে গড়ে তোলা হয়। সেখানে গবেষণা করে এ কলম চারা ২০০৩ সাল থেকে বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকদের সরবরাহ করা হয়। তিনি আরও জানান, বছর দু’বার পাওয়া যায় ‘নীলউদ্দিন’। আমের মৌসুমে একবার। আবার অক্টোবর-নভেম্বর মাসে আরও একবার পাওয়া যায় আমটি। এ জাতের আম অসময়ে ভারতে বেশি পাওয়া যায়। ‘নীলউদ্দিন’ গাছেই হলুদ রঙ ধারণ করে। মৌসুমের আমের চেয়ে মিষ্টি কিছুটা কম। তবে অসময়ে পাওয়া যায় বলে এ আমের কদর বেশি। এ আমের অন্যান্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি তেমন রসালো নয়। দানা দানা ভাব আছে; যা বিদেশিদের কাছে পছন্দনীয়। গবেষক জহুরুল ইসলাম বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচার সেন্টারের গবেষকরা আরও উন্নতমানের বারোমাসি আম উদ্ভাবন করতে কাজ করে যাচ্ছেন। সফলও হয়েছেন। যেমন- বারি-১১ জাতের আম বছরে চারবার ফলন দেবে। খেতে মৌসুমি আমের মতোই লাগবে। গাছগুলোর এ বৈশিষ্ট্য স্থায়ী হলে দেশে আম উৎপাদনে বিপ্লব ঘটবে। ফলে ফলপ্রেমীরা সারা বছরই পাবেন আমের স্বাদ।

Read 40 times

Leave a comment

Make sure you enter the (*) required information where indicated. HTML code is not allowed.